(৯৩৮) পাওয়ার সেক্টর

Tuesday, May 17, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: তেল বিক্রির কমিশন বৃদ্ধিসহ ১৩ দফা দাবিতে আগামী ২২ মে থেকে ধর্মঘট ডেকেছে পেট্রোল পাম্প ও ট্যাংক লরি মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদ।

তবে সিএনজি স্টেশনগুলো এ ধর্মঘটের আওতামুক্ত থাকবে।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিলে পূর্বাণী হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি ও ধর্মঘট কর্মসূচির কথা জানান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মো. নাজমুল হক।

নাজমুল পেট্রোল পাম্প ঔনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি।

নাজমুল বলেন, আগামী ২২ মে ভোর ৬টা থেকে সারাদেশে প্রায় ৯ হাজার পেট্রোল পাম্পে তেল বিক্রি এবং ট্যাংক লরির মাধ্যমে তেল সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

১৩ দফা দাবির মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- তেল বিক্রয়ের কমিশন ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা, পেট্রোল পাম্প স্থাপনে নীতিমালা প্রণয়ন, প্রত্যেক ডিপোতে টেস্টিং ল্যাবরেটরি স্থাপন, ৫ লাখ টাকার দুর্ঘটনা বীমা চালু, ডিপো সংলগ্ন স্থানে লরি টার্মিনাল-বিশ্রামাগার নির্মাণ, ট্যাংক লরির ভাড়া বৃদ্ধি এবং লরির কাগজপত্র পরীক্ষার নামে পুলিশি 'হয়রানি' বন্ধ।

নাজমুল হক বলেন, "জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী ও ট্যাংক লরি শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে জন্য বিগত কয়েক বছর ধরে দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু সরকার তা মানতে আশ্বাস দিলেও বাস্তবায়ন করছে না।"

গত বছরের ৯ মে দাবি আদায়ে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘট শুরু করে ঐক্য পরিষদ। তখন সারাদেশে পেট্রোল পাম্পগুলো জ্বালানি তেল বিক্রি এবং ট্যাংক লরিগুলো তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেয়।

তবে সেদিন দুপুরেই প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী এবং জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুল হকের সঙ্গে বৈঠকের পর ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেয় সংগঠনটি।

এরপর কয়েকমাস অতিবাহিত হলেও সরকার দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি এ অভিযোগ করে নাজমুল বলেন, "আবারো অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট আহ্বান করা হলে গত ২৩ ফেব্র"য়ারির মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেয় সরকার।

"কিন্তু বারবার আশ্বাস দেওয়ার পর আরো তিন মাস অতিবাহিত হয়েছে। অথচ দাবি পূরণ হয়নি।"

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব এবং ট্যাংক লরি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. আকতার হোসেন, পেট্রোল পাম্প ঔনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব মিজানুর রহমান রতন, ট্যাংক লরি শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি হাজী শাজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Blog Archive