(২৯৫) ব্যাংকের খবর

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
ব্যাংকগুলোর দায়-সম্পদ ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ প্রজ্ঞাপন জারির ফলে ব্যাংকগুলোকে প্রতি মাসে তাদের কত টাকা জমা হবে এবং কত টাকা পরিশোধ করতে হবে_এর বিস্তারিত তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে।
সার্কুলার অনুযায়ী, ব্যাংকগুলোকে তাদের ম্যাক্সিম কিউমিলিটিভ আউট ফ্লো (এমসিও) এবং মিডিয়াম টার্ম ফান্ডিং রেশিও (এমটিএফ) জানাতে হবে। মিডিয়াম টার্ম ফান্ডিং রেশিও হচ্ছে প্রতি মাসে ব্যাংকগুলোর দায় এবং সম্পদের অনুপাত। সাধারণত এমটিএফ ৪০ শতাংশের বেশি হলে ব্যাংকটির তারল্য স্বাভাবিক বিবেচনা করা হয়। এমসিও হচ্ছে এক মাসের মধ্যে মোট সম্পদের কী পরিমাণ অর্থ ব্যাংককে বিনিয়োগ করতে, তার পরিমাণ। এই এমসিও ও এমটিএফ হিসাবায়নের জন্য নির্দিষ্ট ছক করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ছকে এক দিন, দুই থেকে সাত দিন, আট দিন থেকে এক মাস ইত্যাদি বিভিন্ন মেয়াদে ব্যাংকগুলোকে সম্পদ (ইনফ্লো) ও দায় (আউট ফ্লো) জানাতে হবে। সম্পদ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকে ব্যাংকগুলোর জমা, নগদ অর্থ, অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা, কলমানি মার্কেটে বিনিয়োগ, ধারণকৃত সরকারি সিকিউরিটিজ, অন্যান্য শেয়ার, বন্ড ও ডিভেঞ্চারে বিনিয়োগ, বিল ক্রয় এবং ডিসকাউন্ট, রিভার্স রেপো, স্থায়ী সম্পদ, ব্যাংক বহির্ভূত সম্পদ, অন্যান্য পাওনাকে ব্যাংকগুলো দেখাতে পারবে। অপরদিকে দায় হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে নেওয়া অর্থ, রেপো, কলমানি থেকে ধার, অন্যান্য ব্যাংক থেকে ধার, মেয়াদি জমা, সঞ্চয়ী জমা, ফিঙ্ড ডিপোজিট, পরিশোধিত বিল, অন্যান্য দায়ের বিপরীতে প্রভিশন, মূলধন এবং রিজার্ভ ইত্যাদিকে ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট ছকে উপস্থাপন করবে। এই দায় ও সম্পদের ওপর ভিত্তি করে ব্যাংকগুলো মোট অসামঞ্জস্যতা পরিমাপ করবে। একই সঙ্গে এর ওপর ভিত্তি করে এমটিএফ ও এমসিও নির্ণয় করবে।

(২৯৪) শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
শেয়ার পুনরায় ক্রয়ের (বাইব্যাক) বিধান রেখে কম্পানি আইন সংশোধন করতে আজ বৈঠকে বসছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বৈঠকে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) তৈরি করা এ-সংক্রান্ত খসড়া পর্যালোচনা করা হবে। এটি চূড়ান্ত হলে কম্পানি আইনে সংযোজন করা হবে।
সম্প্রতি শেয়ারবাজারে অস্থিরতার সময় বাইব্যাক পদ্ধতি চালু করার কথা বলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। পরে বাংলাদেশ পাবলিকলি লিস্টেড কম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সালমান এফ রহমানের নেতৃত্বে ব্যবসায়ীদের একটি প্রতিনিধিদল অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এ পদ্ধতি চালুর দাবি জানান। ওই সময় অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, এ জন্য প্রচলিত কম্পানি আইনে পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যবসায়ীরা বাইব্যাক পদ্ধতির খসড়া তৈরি করবেন। তা চূড়ান্ত করার পর সংসদের চলতি অধিবেশনেই তা উত্থাপন করা হবে। কম্পানি আইনে সংশোধন আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় একটি কমিটি গঠন করেছে। ওই কমিটি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাইব্যাক-সংক্রান্ত পরামর্শ গ্রহণ করেছে। সেসব পরামর্শ পর্যালোচনা করে এসইসি খসড়াটি তৈরি করেছে।
খসড়ায় দুই বছর পর্যন্ত মূলধন বৃদ্ধির ওপর নিষেধাজ্ঞা রেখে কম্পানির সিকিউরিটিজ বা শেয়ার বাইব্যাক পদ্ধতির সুপারিশ করা হয়েছে। পরিশোধিত মূলধন ও উদ্বৃত্ত মজুদের ১০ শতাংশ বাইব্যাক করার বিধি রাখা হচ্ছে। কম্পানির দায় বা দেনার পরিমাণ মোট মূলধন ও উদ্বৃত্ত অর্থের দ্বিগুণ হলেও বাইব্যাক করা যাবে না বলে বিধান রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাইব্যাক সম্পন্ন করার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে কম্পানি ক্রয়কৃত সিকিউরিটিজ বাতিল এবং ধ্বংসের বিধান রাখা হয়েছে। এসইসির প্রস্তাবিত আইনে বাইব্যাক আইন লঙ্ঘনের দায়ে কম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ডের বিধান বাতিল করে সর্বনিম্ন এক লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

(২৯৩) পদ্মা অয়েল

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের ঘোষিত লভ্যাংশ নিয়ে আইনি জটিলতার কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। আজ বুধবার প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে। আজ ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদে এ-সংক্রান্ত ঘোষণা দেওয়া হয়। বিনিয়োগকারীদের বৃহত্ স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ ঘোষণা বলবত্ থাকবে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর পদ্মা অয়েলের পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৫ মার্চ বেলা ১১টায় বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) ঘোষণা দেওয়া হয়। এজিএমের রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয় ৬ জানুয়ারি।
কিন্তু ঘোষিত নগদ লভ্যাংশে সন্তুষ্ট না হওয়ায় একজন বিনিয়োগকারী হাইকোর্টে রিট মামলা দায়ের করেন। ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির ঘোষিত লভ্যাংশ, এজিএম ও রেকর্ড ডেটের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরে পদ্মা অয়েল হাইকোর্টের দেওয়া ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায় স্থগিত করে। তবে এ ক্ষেত্রে আপিল বিভাগের আদেশের আগেই পূর্বঘোষিত রেকর্ড ডেটের সময় চলে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে নতুন করে রেকর্ড ডেট ঘোষণার প্রয়োজন দেখা দেয়।
অবশেষে ২০ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ আবারও আগের ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশের পরিবর্তে ৫০ শতাংশ নগদ ও ৫০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করে। একই সঙ্গে ৩০ এপ্রিল বেলা ১১টায় এজিএমের তারিখ ও ৪ এপ্রিল রেকর্ড টেড ঘোষণা করে। এজিএম ও রেকর্ড টেড ঘোষণা করে।
এ দিকে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করলেও মামলার নিষ্পত্তি হয়নি। ফলে আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার পর নতুন করে ঘোষিত এই লভ্যাংশ নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই ডিএসইর পক্ষ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখাতে এসইসিকে অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন স্থগিত রাখার ব্যাপারে ডিএসই নির্দেশনা চায়।
ডিএসইর প্রস্তাব নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার এসইসির বাজার পর্যালোচনা কমিটির সভায় আলোচন হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির লভ্যাংশ পরিবর্তনের আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত হয়। এ ছাড়া লেনদেন বন্ধ করার বিষয়টি ডিএসইর ওপর ছেড়ে দেয় কমিশন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই কর্তৃপক্ষ পদ্মা অয়েলের লেনদেন স্থগিত করে।

(২৯২) নোটিশ দিয়েছে এসইসি

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্ধবার্ষিক আর্থিক বিবরণী জমা না দেওয়ায় পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত তিনটি কোম্পানি, কোম্পানিগুলোর পরিচালক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কোম্পানি সচিবদের শোকজ কাম শুনানি নোটিশ দিয়েছে এসইসি।
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো বিএসসি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড ও যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানগুলো গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়া বছরের আর্থিক বিবরণী নির্ধারিত সময়ে এসইসিতে জমা না দেওয়ায় এই শুনানি নোটিশ দেওয়া হয়।

(২৯১) তবে বাজার আরো চাঙ্গা হবে

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
এক্সিম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ২০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড ২৫ শেয়ার লভ্যাংশ এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেড ৩০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এক্সিম ব্যাংক: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৯ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ৫.৩৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১৮.২২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.৮৭ টাকা।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ১১.৫৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৩৭ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো পাঁচ টাকা।
ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এবং বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ২.৬৮ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৫০ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ২.৭৫ টাকা।
সামিট পাওয়ার লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে বেলা ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় চার টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ২৯.৬২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ৪.৫৭ টাকা। এর সাথে সাথে যদি শেয়ার বাজারেও কালো টাকা সাদা করার সুযোগ চলে আসে তবে বাজার আরো চাঙ্গা হবে ।

(২৯০) ডিএসই ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ

Wednesday, March 30, 2011 Unknown
এক্সিম ব্যাংক ৩৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড ২০ শতাংশ নগদ ও ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ, ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড ২৫ শেয়ার লভ্যাংশ এবং সামিট পাওয়ার লিমিটেড ৩০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আজ বুধবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
এক্সিম ব্যাংক: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ৯ জুন সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ৫.৩৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ১৮.২২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ০.৮৭ টাকা।
সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ১১.৫৩ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৩৭ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো পাঁচ টাকা।
ওশান কন্টেইনারস লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে এবং বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৫ মে সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১২ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় ২.৬৮ টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ৫০ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ২.৭৫ টাকা।
সামিট পাওয়ার লিমিটেড: প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ ২০১০ সালের জন্য এ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তাদের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আগামী ২৬ মে বেলা ১১টায় ঢাকার এয়ারপোর্ট রোডে আর্মি গলফ ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। এজিএমের রেকর্ড ডেট ১০ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, ওই সময়ে শেয়ার প্রতি আয় চার টাকা, শেয়ারপ্রতি মোট সম্পদমূল্য ২৯.৬২ টাকা এবং নেট ওপেনিং ক্যাশ ফ্লো ৪.৫৭ টাকা।

Blog Archive