বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবধারীর সংখ্যা - Number of BO Account in Stock Exchange BD
শেয়ারবাজারে মন্দাভাব অব্যাহত থাকলেও বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়ছে। সেকেন্ডারি বাজারে টানা দরপতন হলেও প্রাইমারি বাজার চাঙ্গা রয়েছে। ফলে নতুন কোম্পানির প্রাইমারি শেয়ার পেতে বিও হিসাব খোলার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল পর্যন্ত বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ২৭ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে চলতি বছর হিসাব যোগ হয়েছে প্রায় সোয়া দুই লাখ। এদিকে বিও হিসাব বাড়লেও তাতে শেয়ারধারীর সংখ্যা কমছে। বর্তমানে শেয়ার রয়েছে— এমন বিও হিসাবের সংখ্যা প্রায় ১৭ লাখ। আগের বছরের এপ্রিলে এর সংখ্যা ছিল ১৮ লাখের বেশি। তবে বর্তমানে যেসব বিও হিসাবে শেয়ার রয়েছে তার প্রায় ৬০ শতাংশই হচ্ছে প্রাইমারি শেয়ারহোল্ডারদের। অবশিষ্ট বিও হিসাবে শেয়ার থাকলেও এরা নিয়মিত লেনদেনে অংশগ্রহণ করেন না। সেকেন্ডারি বাজারে মন্দা অব্যাহত থাকায় প্রাইমারি বাজারনির্ভরতা বাড়ছে। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল পর্যন্ত মোট বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ২৭ লাখ ৩ হাজার ৬৩৯টি। চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি মোট বিও হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৮১০টি। বর্তমানে যে পরিমাণ বিও হিসাব রয়েছে, তার মধ্যে কোম্পানির বিও হিসাব হচ্ছে ৯ হাজার ৫২৭টি। বর্তমানে যে বিও হিসাব রয়েছে তার মধ্যে প্রায় ৭ লাখ হিসাবে কোনো শেয়ার নেই। আর ২ লাখ ৩৫ হাজার বিও হিসাব রয়েছে, যেগুলোয় কখনই শেয়ার ছিল না। মোট বিও হিসাবের প্রায় ৩০ শতাংশের মধ্যে কোনো শেয়ার নেই। দেশের প্রধান বাজারে (সেকেন্ডারি মার্কেট) আড়াই বছর ধরেই মন্দাবস্থা চলছে। টানা দরপতনে পুঁজি হারিয়ে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী শেয়ারবাজার থেকে বেরিয়ে গেছে। অন্যদিকে অধিকাংশ বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবে শেয়ার থাকলেও কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় তা লেনদেন হচ্ছে না। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মার্জিন ঋণসংকট। গ্রাহকদের নিজস্ব ইকুইটি কমে যাওয়ায় মার্জিন বিধিমালার কারণে ঋণে কেনা শেয়ার লেনদেন করা যাচ্ছে না। যদিও কিছু দিন আগে মার্জিন ঋণ বিধিমালার সংশ্লিষ্ট উপবিধি স্থগিত করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে রাজনৈতিক সংকট। নেতিবাচক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বড় বিনিয়োগকারীদের উল্লেখযোগ্য অংশই এখন সাইডলাইনে রয়েছে। এসব কারণে বর্তমানে নিয়মিত বিনিয়োগকারীরা অধিকাংশই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। সূত্র জানায়, বর্তমানে শেয়ার রয়েছে— এমন ১৭ লাখ ৭০ হাজার বিও হিসাবের মধ্যে প্রাইমারি শেয়ারধারী প্রায় ১২ লাখ। অবশিষ্ট ৫ লাখ ৭০ হাজার বিও হিসাবধারী প্রতি মাসে একাধিকবার লেনদেন করেন। আগের বছর শেয়ারবাজারে নিয়মিত লেনদেনকারীর এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৮ লাখ। এক বছরের ব্যবধানে এ ধরনের বিনিয়োগকারীর সংখ্যা কমেছে ২ লাখের বেশি। মূলত মন্দা পরিস্থিতির কারণেই শেয়ারবাজারে নিয়মিত বিনিয়োগকারী কমে যাচ্ছে। এদিকে সেকেন্ডারি মার্কেটে মন্দাবস্থা দীর্ঘস্থায়ী হলেও প্রাইমারি বাজারে চাঙ্গাভাব লক্ষ করা গেছে। নতুন কোম্পানির আইপিওতে শেয়ার পেতে কয়েক গুণ বেশি আবেদন জমা পড়ছে। মূলত অভিহিত মূল্যে তুলনামূলক দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির আইপিও অনুমোদনের কারণে প্রাইমারি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেড়েছে। আইপিওতে পাওয়া শেয়ার সেকেন্ডারি বাজারে কয়েক গুণ বেশি দরে বিক্রির সুযোগ থাকায় প্রাইমারি বাজার চাঙ্গা রয়েছে। এতে বিও হিসাব খোলার প্রবণতা বাড়ছে। উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে চাইলে সিডিবিএলের আওতাধীন যেকোনো ডিপিতে (ডিপোজিটরি পার্টিসিপেন্ট) একটি বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাব খুলতে হয়। একজন ব্যক্তি একটি ব্যাংক হিসাবের বিপরীতে একক নামে একটি এবং যৌথ নামে একটি বিও হিসাব খুলতে পারেন। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ডিপোজিটরি (ব্যবহারিক) প্রবিধানমালা, ২০০৩-এর তফসিল-৪ অনুযায়ী, বিও হিসাব পরিচালনার জন্য ডিপোজিটরি অংশগ্রহণকারী বা বিনিয়োগকারীকে নির্ধারিত হারে বার্ষিক হিসাবরক্ষণ ফি প্রদান করে হিসাব নবায়ন করতে হয়। প্রতিটি বিও হিসাব নবায়নের জন্য বর্তমানে ৫০০ টাকা ফি পরিশোধ করতে হয়। এর মধ্যে সিডিবিএল ১৫০ টাকা, হিসাব পরিচালনাকারী ব্রোকারেজ হাউস ১০০ এবং বিএসইসি ৫০ টাকা পায়। বাকি ২০০ টাকা সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়। ২০০৮ সালের জুন মাসে শেয়ারবাজারে বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ৭১ হাজার ২৫২টি। ২০০৯ সালের একই সময়ে তা বেড়ে ১৪ লাখ ১৯ হাজার ১৫টিতে দাঁড়ায়। ২০১০ সালে বিপুলসংখ্যক বিনিয়োগকারী যুক্ত হয় শেয়ারবাজারে। সে বছরের জুন পর্যন্ত বিও হিসাবধারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৫ লাখ ৫৩ হাজার ৪০৭। ডিসেম্বরের মধ্যে সংখ্যাটি ৩০ লাখ অতিক্রম করে। তবে ওই বছরের ধসের পরও শেয়ারবাজারে বিও হিসাবধারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। ২০১১ সালের মে মাস শেষে বিও হিসাবধারীর সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ৩৪ লাখে। তবে ওই বছরের জুলাইয়ে এ সংখ্যা কমে ২৬ লাখ ৭৮ হাজারে নেমে আসে। ২০১২ সালে তা আরো কমে ২৬ লাখ ১৬ হাজারে নেমে এসেছে। আর চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিও হিসাবের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৯১ হাজার ৮১০। - See more at: http://www.bonikbarta.com/sharemarket/2013/10/15/19352#sthash.IGUj9TtH.dpuf
অনুমোদিত কর্মসূচিটি (স্কিম) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে হস্তান্তর - Unapproved Skim of Stock Exchange
স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক্করণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) অনুমোদিত কর্মসূচিটি (স্কিম) গতকাল মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদিন বিকেলে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) স্টক এক্সচেঞ্জের প্রতিনিধির হাতে কর্মসূচির দলিল হস্তান্তর করে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিএসইসি এই কর্মসূচিটি অনুমোদন করে। অনুমোদনের পরবর্তী তিন কার্যদিবসের মাথায় এটি হস্তান্তর করা হয়। কর্মসূচিটি হস্তান্তরের আগেও গতকাল সকালে কমিশনের পক্ষ থেকে এটির খুঁটিনাটি বিষয় চূড়ান্তভাবে পর্যালোচনা করা হয়। জানা গেছে, অনুমোদিত কর্মসূচিতে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকাটি অন্তর্ভুক্ত নেই। দুই স্টক এক্সচেঞ্জের পক্ষ থেকে বর্তমান পর্ষদকে প্রথম পরিচালনা পর্ষদ হিসেবে অনুমোদনের জন্য প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছিল। স্টক এক্সচেঞ্জের প্রস্তাবিত প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকাটি অনুমোদন না করায় আইন অনুযায়ী বিশেষ সাধারণ সভায় অন্তর্বর্তীকালীন নতুন পর্ষদ গঠন করতে হবে। অনুমোদিত পৃথক্করণ কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৩ সদস্য নিয়ে ডিমিউচুয়ালাইজড এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে। এর মধ্যে সাতজন হবেন স্বতন্ত্র পরিচালক, শেয়ারধারী পরিচালক হতে পারবেন সর্বোচ্চ পাঁচজন, আর ভোটাধিকারের ক্ষমতাসহ এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সিইও পরিচালক হবেন। আর স্বতন্ত্র পরিচালকদের মধ্য থেকে পর্ষদের সভাপতি নির্বাচিত হবেন। শেয়ারধারী পাঁচ পরিচালকের মধ্যে ন্যূনতম একজন থাকবেন কৌশলগত (স্ট্র্যাটেজিক) বিনিয়োগকারী। যত দিন কৌশলগত বিনিয়োগকারী পাওয়া যাবে না, তত দিন ওই পদটি শূন্য থাকবে। এর ফলে বর্তমান শেয়ারধারীদের মধ্য থেকে মাত্র চারজন পরিচালক হওয়ার সুযোগ পাবেন। আইন অনুযায়ী, ৮ অক্টোবরের মধ্যে স্কিমটি গেজেট, ওয়েবসাইট ও পত্রিকায় প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এদিকে আজ বুধবার ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় কর্মসূচিটি অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে। আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (সিএসই) আজ কর্মসূচিটি হস্তান্তর করা হবে।
রক্ত দিলেই নাগরিকতা পাওয়া যায় সহজে - Citizenship with Blood
অবৈধভাবে গ্রিসে প্রবেশ। স্ট্রবেরি খামারে অমানবিক পরিশ্রম। নেই বেতন। বকেয়ার দাবিতে আন্দোলন। মালিকপক্ষের গুলি। ৩৫ জন আহত। এরপর দুঃসহ অনিশ্চিত জীবন। তবে সেই দুঃসহ যন্ত্রণার অবসান হয়েছে। গ্রিসের স্ট্রবেরি খামারে বেতনের দাবিতে আন্দোলন করে গুলিবিদ্ধ হওয়া সেই ৩৫ বাংলাদেশিকে বৈধতা দিয়েছে দেশটির সরকার। ১২ অক্টোবর তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধতার কাগজপত্র তুলে দেন গ্রিসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশিরা ছিলেন উচ্ছ্বসিত। রাজধানী এথেন্স থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার উত্তরের কৃষিপ্রধান এলাকা মানোলাদার প্রত্যন্ত একটি গ্রামের স্ট্রবেরি খামারে ওই বাংলাদেশিরা কাজ করতেন। দীর্ঘদিন বেতন বকেয়া থাকায় এ বছরের এপ্রিলে তাঁরা আন্দোলন করেন। এ সময় মালিকপক্ষের লোকেরা তাঁদের ওপর গুলি চালায়। এতে ওই বাংলাদেশিরা আহত হন। এ ঘটনায় গ্রিসে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পুলিশ ওই খামারের মালিক ও সুপারভাইজারকে গ্রেপ্তার করে। গ্রিস ও ইউরোপ-প্রবাসী বাংলাদেশিরা এর সুবিচার দাবি করেন। মানবাধিকার সংস্থাগুলোও গ্রিসের সরকারের ওপর চাপ দেয়। এরপর গ্রিস সরকার ওই বাংলাদেশিদের বৈধ করার সিদ্ধান্ত নেয়। অবশেষে গত শনিবার গ্রিসের মানোলাদাতেই আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদ ৩৫ জনের হাতে গ্রিসে থাকার বৈধ কাগজপত্র তুলে দেন। এ সময় উল্লাসে ফেটে পড়েন সদ্য বৈধ হওয়া বাংলাদেশিরা। গ্রিসের আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতারা সবাই এ সময় উপস্থিত ছিলেন। গ্রিসে বৈধতা পেয়ে কেমন লাগছে, জানতে চাইলে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের মোরশেদ চৌধুরী প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘অনেক ভালো লাগছে। আমি অনেক আনন্দিত। সবাই বলছে, যে কাগজ পেয়েছি, তাতে করে আমাদের আর কাজে সমস্যা হবে না।’ মোরশেদ জানান, বাংলাদেশ থেকে দুবাই, এরপর সেখান থেকে অবৈধভাবে গ্রিসে এসেছিলেন। এরপর খুব কষ্টে ছিলেন। যেটা পেয়েছেন, ঈদের আগে সেটা বিশাল একটা উপহার। একই রকম উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ ফরহাদ, কামরুল মিয়া, শেখ হুমায়ুনসহ আরও অনেকে। তাঁরা সবাই বলেন, গ্রিসের ওই স্ট্রবেরি খামারে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাঁরা জীবন নিয়ে চরম হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। কীভাবে বিদেশে আসার খরচ তুলবেন, কীভাবে বাড়িতে টাকা পাঠাবেন, সেসব নিয়ে ছিলেন দুশ্চিন্তায়। কিন্তু এখন তাঁরা আবার নতুন করে আশার আলো দেখছেন। প্রবাসীদের সংগঠন অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশনের (আয়েবা) সভাপতি জয়নাল আবেদিন প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘গ্রিসের এই ঘটনার প্রতিবাদে আমরা ইউরোপের সব দেশের দূতাবাসে স্মারকলিপি দিই। ইউরোপের বিভিন্ন গণমাধ্যম এই খবর প্রকাশ করে। মানবাধিকারকর্মীরা এগিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে ইউরোপে তোলপাড় শুরু হয়। অবশেষে গ্রিসের সরকার তাঁদের বৈধ করে। আমাদের কাছে এটি রক্ত দিয়ে বৈধতা পাওয়ার মতো বিষয়। আর এই ঘটনার পর কোনো খামারমালিক এখন আর শ্রমিকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করে না। বাংলাদেশিদের গুলি করার ঘটনায় ইউরোপজুড়ে মানবাধিকারকর্মীরা প্রতিবাদ জানান। আমরা প্রথম থেকেই গ্রিসের সরকারের কাছে বিষয়টির সুরাহা দাবি করি। শেষ পর্যন্ত গ্রিসের সরকার যেটি করেছে, সেটি আসলেই বাংলাদেশিদের জন্য আনন্দের।’ গ্রিসের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মোহাম্মদ আজ সোমবার প্রথম আলো ডটকমকে বলেন, ‘ওই ঘটনার পরপরই গ্রিস সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করি। দেশটির শ্রমমন্ত্রী ও জনশৃঙ্খলাবিষয়ক মন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করেন যে তাঁরা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে দেখবেন। অবশেষে তাঁরা ৩৫ জন বাংলাদেশিকে গ্রিসে থাকার এবং কাজ করার বৈধতা দিয়েছেন। এখন এই বাংলাদেশি কর্মীরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবেন এবং তাঁরা যেকোনো জায়গায় ভালো বেতনে চাকরি করতে পারবেন। তবে অবৈধভাবে কোনো বাংলাদেশিরই বিদেশে আসা উচিত নয়।’
ছেলেরা মেয়েদের ব্যপারে যে ৬ টি ভুল করে থাকে - 6 Mistakes Boys makes with girl
সুদর্শন সুপুরুষ ছেলেটিকে দেখে প্রশংসাসূচক দৃষ্টি নিয়ে তাকিয়ে থাকে যেকোনো মেয়ে। কাজেই ছেলেটি নিজের বিষয়ে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়াতে গিয়ে প্রায়ই হোঁচট খেতে হয় তাকে। এর কারণ অনুসন্ধান করে গবেষকরা বের করেছেন যে, এর মূলে রয়েছে ছেলেদের বড় মাপের ছয়টি ভুল। যার খেসারত দিতে হয় সম্পর্কটি অঙ্কুরে বিনষ্ট করে। মূলত ছেলেদের এসব ভুলের কারণে যেকোনো মেয়ে তার থেকে এক শ হাত দূরে ছিটকে যায়। ১. সহজে বেজায় খুশি: সম্পর্কের শুরুতে বেশি খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে আগ্রহী হয়ে ওঠা ছেলেদের একটি বড় ভুল। হাস্যকর না হলেও মেয়েটির কৌতুকে অযথা হেসে কুটিকুটি হওয়া বা সে যা বলে তা করতে সদাপ্রস্তুত থাকা- এমন ছেলেদের নিয়ে মেয়েরা বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। ইতিবাচক মন্তব্য মেয়েরা পছন্দ করলেও তাদের খুশি করার মাত্রাতিরিক্ত প্রচেষ্টায় রীতিমতো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে তারা। ২. খুব শিগগিরই বেশি অধিকার খাটানো: আপনার সম্পর্ক অল্প কিছু দিনের। প্রেমিকা তার বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে গেছে এবং আসতে একটু দেরিই হচ্ছে। ব্যস, আপনি পাগল হয়ে গেলেন। বারবার ফোন, ম্যাসেজ আর ফেসবুকে খুঁজতে খুঁজতে প্রেয়সীকে অস্থির করে তুললেন। এই ধরনের আচরণে মেয়েটি বিরক্তবোধ করবে। ৩. আপনি জানেন বিষয়টি কেমন: ধরুন, আপনার প্রেমিকা তার অন্য বন্ধু বা ছেলে কলিগদের সাথে দু'ঘণ্টা ধরে আড্ডা দিচ্ছে। এতো সময় পেরিয়ে গেলেও আপনি তার কোনো খোঁজ করলেন না। বরং হিংসাভারাক্রান্ত মন নিয়ে বাসায় বসে ভিডিওগেম খেলা শুরু করলেন। দুর্ভাগ্যক্রমে আপনার প্রেমিকা এ বিষয়টিকে মোটেও ভাল চোখে দেখবে না। হিংসার পথে না গিয়ে তাকে বোঝান যে, সে তার খুশিমতো চলতে ফিরতে স্বাধীন। আর যদি তা করতে পারেন, দেখবে উল্টো মেয়েটিই আপনার সাথে সময় কাটাতে চাইছে। ৪. যেকোনো খরচে মানিব্যাগটি বের করে ফেলেন: রেস্টুরেন্টে একসাথে খেতে গেলেই আপনি দামি খাবার ছাড়া অর্ডার দেন না। খরচের মুহূর্তে নিজের পকেট থেকে মানিব্যাগটা সব সময়ই বের করেন। এ ধরনের স্বভাব বেশ অস্বস্তিকর মেয়েদের জন্য। বরং অন্য কোনো সাধারণ খাবার খেতে যান তাকে সাথে করে। আবার সে বিল দিতে চাইলে তাকে দিতে দিন। এতে মেয়েটির ভাল লাগবে। অন্যদিকে, প্রতিবার বিলের ঝক্কি প্রেমিকার ঘাড়ে চাপানোও ভালো নয়। এতে আপনার সাথে মেয়েটি কোনো ভবিষ্যৎ দেখতে পাবে না। ৫. অতীত প্রেম নিয়ে টানাটানি: আপনার জীবনে সাবেক প্রেম থাকতে পারে। এ ঘটনা জানতেও পারে নতুন প্রেমিকা। এ জন্য তার কাছে প্রায়ই আগের প্রেমিকার দোষ তুলে ধরা বা তার সঙ্গে অশান্তির জীবনের বয়ান দেওয়া বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। আপনাকে অবধারিতভাবেই সে জঞ্জাল বলে মনে করবে। তা ছাড়া এ ধরনের গল্পে নতুনজন নিজেকে আপনার অনেক দূরের একজন বলে ভাবতে শুরু করবে। ৬. শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনে পীড়াপীড়ি করা: মেয়েরা সাধারণত ভালবেসে দীর্ঘ সম্পর্কে আবদ্ধ হতে চায়। প্রায়ই দেখা যায়, এ কারণে ছেলেরা প্রেমিকার সাথে দৈহিক সম্পর্ক করতে পীড়াপীড়ি করে। আসলে এমন করার প্রয়োজন নেই। সে নিজেই আপনাকে বুঝিয়ে দিবে যে কখন সে প্রস্তুত। আর ধারণার অনেক আগেই হয়তো মেয়েটি আপনার সাথে এমন সম্পর্কে জড়াতে চাইবে। কাজেই তাকে সময় দিন।
শ্বাশুড়ি আর পুত্রবধূর মধ্যে শত্রু শত্রু ভাব দূর ১০টি উপায় - How to please Mother in Law
নিজের শ্বাশুড়িকে খুশি করতে আপনি কতো কিছুই না করেন। তাছাড়া শ্বাশুড়ি আর পুত্রবধূর মধ্যে শত্রু শত্রু ভাব দূর করে সুসম্পর্ক তৈরি করতে আপনাকে ১০টি উপায় বাতলে দেয়া হলো। এগুলো যত্নের সাথে পালন করুন। আশা করি আপনি শ্বাশুড়ির রক্তরাঙা চোখে আদর আর ভালবাসা দেখতে পাবেন।
১. ঘরের কাজ করুন: হাজবেন্ডের কাছ থেকে জেনে নিন যে, আপনার শ্বাশুড়ি কী কী বিষয় পছন্দ করেন। নতুন এ পরিবারের চাল-চলন বা নিয়ম-কানুন সম্পর্কে আপনার ধারণা নাও থাকতে পারে। কাজেই এসব ব্যাপারে না জেনেই মতামত দেয়া শুরু করবেন না। নতুন মায়ের সাথে তার পছন্দ বা অপছন্দ নিয়ে আলাপ করুন।
২. উপহার দিন: আপনার বাড়িতে কেউ একটি উপহার নিয়ে এসে আপনার হাতে তুলে দিল, আপনার কি ভাল লাগবে না? তেমনি বাইরে থেকে বাড়ি ফিরে শ্বাশুড়ির হাতে একটি উপহার দিলেন। তার মনটি আনন্দে ভরে উঠবে। মাঝে-মধ্যে এ কাজটি করতে পারেন।
৩. ভাল পোশাকে থাকুন: শ্বশুরালয়ে রুচিশীল পোশাক পরে চুল আঁচড়ে একেবারে পরিপাটি হয়ে চলুন। সুন্দরভাবে যারা চলেন তাদের এমনিতেই ভাল লাগে। বেশি রঙচঙে পোশাক এবং অতিরিক্ত সাজসজ্জা না করাই ভাল।
৪. প্রতিযোগীতায় যাবেন না: শ্বাশুড়ি তার ছেলের প্রতি একটু বেশি অধিকার খাটাবেন। এ বাস্তবতা মেনে নিন। কাজেই আপনার স্বামীর জন্যে কী কী খাবার করতে হবে তার উপদেশ দিতে যাবেন না। আপনার হাতের রান্না তার বেশি পছন্দ হলেও এ কথা ভুলেও শ্বাশুড়ির কাছে প্রকাশ করবেন না। বরং সমসময় তার রান্নার প্রশংসা করুন এবং রেসিপি নিন।
৫. নম্র-ভদ্র থাকুন: আচার-আচরণে তার সাথে নম্র থাকুন। তার ভুল ধরিয়ে দিতে যাবেন না। অযথা বিতর্কে জড়ানো থেকে বিরত থাকুন।
৬. ঘন ঘন দেখা করুন: বাড়িতে থাকলে একটু পর পরই তাকে সম্বোধন করে ডাকুন। তিনি আপনাকে ডাকার আগেই যেনো তার সামনে আপনাকে দেখা যায়। আর দূরে থাকলে দিনে কয়েকবার ফোন দিয়ে খোঁজ নিলে তিনি আপনার ওপর অনেক খুশি থাকবেন।
৭. উপদেশ চান: নিজের সিদ্ধান্তে চলতে চান বা না চান, শ্বাশুড়ির কাছে উপদেশ চান। আপনার ওপর তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে চিন্তা করে তিনি তৃপ্ত থাকবেন।
৮. সমস্যা গোপন রাখুন: শ্বশুড়ালয়ের গৃহকর্তীর সাথে কোনো ঝামেলা থাকলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করা ঠিক হবে না। যেকোনো পারিবারিক আলোচনা বা সমস্যা চলাকালীন শ্বাশুড়ির দোষ তুলে ধরা খুব বাজে কাজ।
৯. শ্বাশুড়ির সামনে তার ছেলের প্রশংসা করুন: নিজের ছেলের প্রশংসা শুনতে সবার ভাল লাগে। কাজেই এ পদ্ধতি প্রয়োগ করুন। তার ভাল লাগবে।
১০. সহজ স্বাভাবিক থাকুন: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, শ্বাশুড়ির সামনে স্নায়ুচাপে থাকবেন না। সবসময় ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে চলুন এবং ভুলে যান। এই সাধারণ নিয়মটি শ্বাশুড়ির সাথে আপনার সম্পর্ককে অনেক সহজ ও স্বাবলীল করবে। সূত্র: ইন্টারনেট
নারী, মাদক, সফটওয়্যার - গোপন একটি প্রকল্প নিয়ে আবারও আলোচনায় ম্যাকাফি - Macaffe is making a secrate project
রহস্যময় বর্ণিল এক মানুষ জন ম্যাকাফি। কিন্তু কে আসল ম্যাকাফি? কুখ্যাত মাফিয়া, মাদক আর নারী কেলেঙ্কারির মতো অভিযোগ মাথায় নিয়ে বেড়ানো ব্যক্তিটি, নাকি বিশ্বের বিখ্যাত অ্যান্টিভাইরাস নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির প্রতিষ্ঠাতা? সম্প্রতি বিবিসি অনলাইন জন ম্যাকাফিকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যাতে উঠে এসেছে ম্যাকাফির জীবনের নানা অধ্যায়। গোপন একটি প্রকল্প নিয়ে আবারও আলোচনায় ম্যাকাফি। কয়েক বছর ধরেই তিনি গোপনে একটি যন্ত্র নির্মাণ করে যাচ্ছেন। ম্যাকাফির দাবি, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের নজরদারি থেকে আড়াল করতে পারবেন তিনি। মার্কিন গোয়েন্দারা সবার ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করছেন এমন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছিলেন সিআইএর সাবেক কর্মী অ্যাডওয়ার্ড স্নোডেন। এ তথ্য ফাঁস করার পর বিশ্বব্যাপী ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারির বিষয়টি নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। গোয়েন্দারা যাতে ব্যক্তিগত তথ্যে নজরদারি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে ১০০ মার্কিন ডলার দামের একটি প্রযুক্তিপণ্য তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন ম্যাকাফি। যন্ত্রটির নাম ‘ডি-সেন্ট্রাল’। যন্ত্রটি মুঠোফোন ও অন্যান্য পণ্যের নিরাপত্তাব্যবস্থা হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। যন্ত্রটি নিজস্ব ব্যক্তিগত নেটওয়ার্ক ব্যবস্থা তৈরি করতে সক্ষম হবে, যাতে ব্যবহারকারী ছাড়া আর কারও পক্ষে নজরদারি সম্ভব হবে না বলেই দাবি করেন ম্যাকাফি। ডি-সেন্ট্রাল তৈরির কথা জানানোর আগে থেকেই প্রযুক্তি বিশ্বে ‘কিংবদন্তি’ হিসেবে খ্যাতি জুটেছে তাঁর। কিন্তু ম্যাকাফির ‘গোপন’ জীবনের ঘটনার সঙ্গে মানুষের পরিচয় ঘটে ২০১২ সালে। এ সময় তাঁকে নতুন করে আবিষ্কার করে মানুষ। চুলে রং করা, বাঁধানো দাঁত আর ছদ্মবেশী এক মার্কিন নাগরিক হিসেবে তাঁকে পাওয়া যায়। এর আগে তাঁর জীবনে ঘটে যায় এক ঝড় তোলা ঘটনা। ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজের বাসিন্দা থাকাকালে ম্যাকাফির এক পড়শি খুন হলেন। পুলিশের চোখে ম্যাকাফি হয়ে ওঠেন সন্দেহভাজন। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি পুলিশের চোখ এড়িয়ে, ছদ্মবেশে ঢুকে পড়েন প্রতিবেশী দেশ গুয়াতেমালায়। রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েও পাননি; বরং কারাগারে যেতে হয়েছিল তাঁকে। সেখান থেকে তিনি ফেরেন যুক্তরাষ্ট্রে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে অল্পবয়সী বান্ধবীদের সঙ্গে ম্যাকাফির খালি গায়ে তোলা ছবি আবারও নানা আলোচনার জন্ম দেয়। যুক্তরাষ্ট্রে ‘বিপজ্জনক’ ব্যক্তি হিসেবে সন্দেহের তালিকায় এখন ম্যাকাফি। বিবিসিকে অবশ্য ম্যাকাফি বলেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে যত অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর সত্যতা নেই। ম্যাকাফির সাক্ষাত্কার নেওয়া এক সাংবাদিক সব সময় তাঁকে ‘খামখেয়ালি’ বলে সম্বোধন করেন। ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে সিলিকন ভ্যালির সবচেয়ে বাজে লোকের তকমার কথা স্বীকারও করেন। তবে এর বাইরেও ম্যাকাফি নিজেকে পরিচয় দেন একজন উদ্যোক্তা হিসেবে। ম্যাকাফি নিজের সম্পর্কে বলেন, ‘আমি কৌতূহলী এবং সমস্যা সমাধান করতে ভালোবাসি। তবে আমি নিজের নামে তৈরি কোনো পণ্য ব্যবহার করি না। নিজেকে নিরাপদ রাখতে সব সময় নিরাপদ কম্পিউটিং করি। পর্নো সাইটে যাই না, ভাইরাস থাকতে পারে, এমন লিংকে যাই না।’ ম্যাকাফি বলেন, আমরা যখন রাস্তা খুঁজে নিয়ে চলতে শুরু করি, খোলস ছেড়ে বের হই, তখনই কেবল আমরা নির্ভয়ে সে পথে যেতে পারি এবং এতে সাফল্য আসে এবং সত্যিকারের সৌন্দর্যের খোঁজ পাওয়া যায়। জন ম্যাকাফি সম্পর্কে তাঁর বেলিজের এক নারী সঙ্গী জানিয়েছেন, অসাধারণ একজন মানুষ আর রোমাঞ্চপিয়াসী তিনি। তাঁর ঘনিষ্ঠজনেরা বলেন, খামখেয়ালি এই মানুষটাকে আসলে বোঝা খুব শক্ত। বয়স্ক একজন মানুষ কমবয়সী অনেকগুলো মেয়ে নিয়ে আনন্দ করছেন আবার কাজের ক্ষেত্রে দারুণ মনোযোগী। কে আসল জন ম্যাকাফি, সেটাই বোঝা কঠিন। প্রযুক্তির ইতিহাসে বর্ণিল, রহস্যময় একজন মানুষ জন ম্যাকাফি। একদিকে নতুন নতুন উদ্ভাবন, অন্যদিকে মাদক তৈরিসহ বিশ্বের ভয়ংকর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আছে বলে সন্দেহ করা হয়। জন ম্যাকাফির সঙ্গে বর্তমানে ম্যাকাফি অ্যান্টিভাইরাস প্রতিষ্ঠানটির কোনো সম্পর্ক নেই। ১৯৯০ সালের শুরুর দিকে তিনি ম্যাকাফি বিক্রি করে দেন। ২০০৮ সাল থেকে তিনি বেলিজে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। রোমাঞ্চপ্রত্যাশী জন ম্যাকাফি ছোটবেলা থেকেই নতুন নতুন উদ্ভাবন নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসতেন। নব্বইয়ের দশকের পর তাঁর আচরণে খামখেয়ালিপনা দেখা দেয়। বিক্রি করে দেন ম্যাকাফি। তারপর প্রযুক্তি জগত্ থেকে দূরে সরে যেতে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলে যান বেলিজে। সেখানে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে এ অঞ্চলের বিখ্যাত মাদক চোরাচালানকারী আর সন্ত্রাসীদের সঙ্গে। এ সময় তিনি ভয়ংকর মাদক তৈরির চেষ্টা করছিলেন। কম্পিউটার জগত্ থেকে অনেকদিন ধরেই বিচ্ছিন্ন পড়েছিলেন ম্যাকাফি। ক্রমাগত বাড়ছিল তার খামখেয়ালি আচরণ। ম্যাকাফির পুরোনো সহকর্মী এবং বন্ধুদের অনেকেই জানিয়েছেন, নারীদের মধ্যে যৌন উদ্দীপনা বাড়াতে পারে এমন মাদকের প্রতি অনেক দিন ধরেই কৌতূহল ছিল ম্যাকাফির। ম্যাকাফি বলেন, মাদকের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অনেক পুরোনো। পরিবার থেকে লুকিয়ে তিনি মাদক নিতেন। মাদক গ্রহণের জন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর চাকরি চলে গিয়েছিল। তবে এ ঘটনাটি ঘটেছিল আশির দশকে। ওই সময় প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কারণে মাদক নেওয়া শুরু করেছিলেন। ১৯৮০ থেকে ’৮৪ সাল—এ চারটি বছর মাদক তাঁর জীবনের সবচেয়ে সর্বনাশ করেছে বলে উল্লেখ করেন ম্যাকাফি। তিনি জানান, তাঁকে নিয়ে এখনো মানুষ ভুল ধারণা করে। তাঁর গায়ে আশির দশকে আঁকা উলকি দেখে এখনো অনেক কিছু ভেবে বসে। তিনি ১৯৮৪ সালে মাদক ছেড়ে দিয়ে চিকিত্সকের কাছেও গিয়েছিলেন বলে দাবি করেন। ম্যাকাফি বলেন, ‘সব সময় দুই ধরনের মানুষ আমরা দেখতে পাই। কেউ আমাকে প্রশংসা করে এবং কেউ নিন্দা। কারও চোখে আমি নায়ক, আবার কারও চোখে ভিলেন।’
৮ বন্ধুকে ত্যগ করুন - Avoide this 8 types of Friend
বন্ধু ছাড়া জীবন- ভাবলেই স্পষ্ট হয় জীবনের অপূর্ণতা। একজন বিপদে পড়া বন্ধুকে হাত ধরে টেনে তুলতে পারে আরেকজন বন্ধুই। সুতরাং আপনার উচিৎ জীবনের জন্যই আপনার বন্ধুদের সঙ্গ নেওয়া, তাদের এঁটে ধরে রাখা। কিন্তু সেইসঙ্গে আপনার উচিৎ কয়েক রকম বন্ধুর সঙ্গ ত্যাগ করা। জেনে নিন যে আট রকম বন্ধুকে আপনি ত্যাগ করবেন:
১। যে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী:
সফলতার চূড়ায় পৌঁছাতে কে না চায়। কিন্তু সবাই কি পারে সেখানে যেতে? প্রতিযোগিতায় অন্যদের পেছনে ফেলে তবেই সেখানে পৌঁছানো যায়। আপনার কোন বন্ধুই হয়তো দিন-রাত পরিশ্রম করছে এ জন্য, হয়তো আপনিই পেছনে পড়ছেন এতে- ক্ষতি নেই। কিন্তু অসুস্থ প্রতিযোগিতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সুতরাং এমন প্রতিযোগী বন্ধুকে আজই বলে দিন 'বিদায়'।
২। যে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ঘটনায় অনুপস্থিত:
যে আপনার জন্ম দিনে শুভেচ্ছা জানায় না। কিংবা সহমর্মিতা প্রকাশ করে না আপনার কোন নিকটজনের মৃত্যুতেও। যে প্রায় সব সময় ব্যস্ত থাকে নিজের কাজে। আজ আপনি হয়তো তাকে কল দিলেন, উত্তরে মেসেজ আসলো সপ্তাহখানেক পরে। আপনি হয়তো তাকে নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করলেন অথচ শেষ মুহূর্তে 'না' বললো সে- তাহলে আপনিই তাকে 'না' বলুন- কেননা সে তার জীবনে আপনার অস্তিত্বকে শ্রদ্ধা করে না।
৩। কথার ফুলঝুরিওয়ালা:
প্রকৃত বন্ধু সে-ই হয়, যাকে বিশ্বাস করা যায়। বিশ্বাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ; কথা আর কাজের সামঞ্জস্যতা। যে আপনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়- আর অনবরত দিতে থাকে অসংখ্য প্রতিশ্রুতি- এমন বন্ধুর সঙ্গ ছাড়ুন। কেননা, খুব শিগগির এতে আপনার আত্মসম্মানের ক্ষতি হবে। এর চেয়ে ভালো হয় যদি আপনি আপনার সময় ও শক্তি দুটোই জমা রাখেন তার জন্য- যে আপনার সঙ্গেই থাকতে চায় এবং আপনার পরীক্ষিত।
৪। বিরক্তিকর চটজলদি বন্ধু:
অহেতুক উদ্বিগ্ন অথবা যে আপনার অহেতুক দোষ খোঁজে- যে আপনার কাপড়, চুল, গাড়ি কিংবা যেকোনো বিষয়ে নাক গলায়- এমন খুঁতখুঁতে বন্ধুর সঙ্গে সম্পর্ক রাখার কোন মানে হয় না। সত্যিকার বন্ধুরা এসব করে না। সুতরাং এমন বন্ধুদের প্রশ্রয় দেবেন না।
৫। গোমড়া-মুখো বন্ধু:
মানুষ মাত্রই পরিচয় তার মননে- চিন্তায়, চিন্তার গভীরতায়। পরিচয় বহন করে তার যুক্তির তীক্ষ্ণ চর্চায়। তবে এসবই তাকে প্রকাশ করতে হয়। মনের ভাব নিষিদ্ধ কোনো বস্তু নয়। তাকে প্রকাশ করতে হয়। সেই সঙ্গে মেনে নিতে হয় যুক্তির হার। এসবের ভেতর দিয়েই মানুষ একে অন্যের পরিপূরক হয়। আপনি যদি আপনার বন্ধুর মধ্যে এই অবশ্যম্ভাবি উপাদানের অনুপস্থিতি দেখেন তবে আপনার উচিৎ হবে তার সঙ্গ ত্যাগ করা।
৬। সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত বন্ধু:
সামাজিক কর্মকাণ্ড- নিঃসন্দেহে মহৎ কাজ একটি। এটা আপনার জীবনের সঙ্গে অবশ্যই থাকবে। কেননা আপনি শুধু আপনার নন, আপনি সমাজেরও। তবে এ জন্য মানুষ চিনতে হবে। আপনাকে জানতে হবে আপনার সমাজ কর্মী বন্ধু আসলেই এমন কাজের সঙ্গে যুক্ত কী-না। কেননা এ ধরনের দোহাই দিয়ে অনেকেই চায় আপনার সহানুভূতি পেতে। যদি সত্যিকার বন্ধু রেখে এমন বন্ধুদের বেশি সময় দেন, তবে বুঝবেন- আপনি হাতের মুঠোয় সমস্যাকে তুলে আনলেন।
৭। অফিসের সহকর্মী বন্ধু:
বন্ধু সব জায়গায়ই থাকতে পারে। এমন কি অফিসেও। কিন্তু সমস্যা হলো, বাইরের কোন বন্ধুকে 'না' বলা যতটা আপনার জন্য সহজ, অফিসের বেলায় তা প্রায়ই কঠিন হয়। এতে আপনার ক্যারিয়ারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে। তাই ভালো হয় অফিসের সহকর্মীকে ভালো সহকর্মী হিসেবেই গ্রহণ করা। আর যদি থেকেই থাকে কোন সত্যিকারের বন্ধু, তারপরও আপনার একটি সীমানা থাকা উচিৎ অন্তত অফিসে- যদি আপনি আপনার চাকরি ও বন্ধু দুটোই হারাতে না চান।
৮। পরচর্চা বা গুজব রটানো বন্ধু:
এমন অনেক বন্ধুই আছে যারা নানা গুজবের জন্ম দিতে উৎসাহী। আর গুজব রটনাকারীরা কথাও বলে বেশি। তার একই নিয়মিত কাজ হলো আপনার কানভারী করা। এ জন্য সার্বক্ষণিক কারণে-অকারণে আপনার ডেস্কের চারপাশে ঘুরঘুর করবে। আপনি এমন গুজব কারবারীর কিছু ব্যাপার ক্ষমা করতে চান কিংবা সহ্য করতে চান কিছু অত্যাচার- ঠিক আছে। কিন্তু সে কি ছোট্ট খুকিটি নাকি যে সর্বদাই আপনার ডেস্কে অকারণ বকবকানি করতে থাকবে। তা ছাড়া আপনি চান না আপনার বস বা অন্য কেউ আড়ি পাতুক আপনার দিকে। চান কি? এটি অহেতুক আপনার ওপর সন্দেহের সৃষ্টি করবে।
পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন - Garment Owners are worried about October-25
২৫ অক্টোবর ঘিরে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। তাঁরা দাবি করেছেন, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশে ক্রয় আদেশ দিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।
তবে প্রধান বিরোধী দল বিএনপির পক্ষ থেকে বিদেশি ক্রেতাদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর এমন কিছু করবে না বিএনপি—এমন আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শনিবার বাটেক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠানে পোশাকশিল্পের মালিকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করলে বিএনপির নেতারা এসব আশ্বাস দেন। রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাটেক্সপোর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ ছাড়া বক্তব্য দেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির নেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ওসমান ফারুক, তৈরি পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি এস এম মান্নান, শহীদুল্লাহ আজিম প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আতিকুল ইসলাম।
বিজিএমএইর নেতারা তাঁদের বক্তব্যে রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘২৫ অক্টোবরের পর কী হবে, তা নিয়ে আমরা চিন্তিত। বিদেশি ক্রেতারা আমাদের জিজ্ঞাসা করেন, কী হতে যাচ্ছে।’ তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিরোধী দলের নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আশা করি, আপনারা একটি দিকনির্দেশনা দেবেন।’
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে এস এম মান্নান জানতে চান, ২৫ অক্টোবরের পর দেশের রাজনীতিতে কী হবে? বিদেশি ক্রেতারা তাঁদের ক্রয় আদেশ ফিরিয়ে নিচ্ছেন বলে তিনি জানান।
এরপর প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘২৫ অক্টোবর রাজধানীতে বিএনপির একটি পূর্বনির্ধারিত সমাবেশের কর্মসূচি রয়েছে। এখন সরকারি দল বলছে, সেদিন তারাও সমাবেশ করবে। পাল্টা কর্মসূচি দিয়ে সরকারই বরং ক্রেতাদের ভয় পাইয়ে দিচ্ছে।’ তবে তিনি বলেন, বিএনপি কখনো অর্থনীতির ক্ষতি হয় এমন কিছু করবে না। তবে ২৫ অক্টোবর বিএনপি নতুন কর্মসূচি দেবে।
ওসমান ফারুক বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে যে ভয়াবহ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট তৈরি হয়েছে, তা উত্তরণে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট দরকার। ভবিষ্যৎ আশঙ্কার কারণে এই অনুষ্ঠান অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে বলে তিনি মনে করেন।
আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘গণতন্ত্র ধ্বংস হয়ে গেলে অর্থনীতি এগিয়ে যেতে পারবে না। বিরোধীদলীয় নেত্রী যে গণতন্ত্রের ডাক, ভোট রক্ষার ডাক দিয়েছেন, তাতে আপনাদের (ব্যবসায়ী) এগিয়ে আসতে হবে।’ তিনি অভিযোগ করেন, মালিক ও শ্রমিকদের মাধ্যমে সমাধানযোগ্য সমস্যায় এখন সরকারের মন্ত্রীরা হস্তক্ষেপ করছেন। এই খাতকে তিনি রাজনীতির বাইরে রাখার পরামর্শ দেন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সহসভাপতি রিয়াজ বিন মাহমুদ, বাটেক্সপোর প্রধান সমন্বয়কারী আবু মোহাম্মদ খান, সাবেক সভাপতি সালাম মুর্শেদী, ফজলুল হক, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু, যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা প্রমুখ।
বউ পিটিয়ে জামিন পেল আরেফিন রুমি - Arefin Rumi Got Bail on assaulting Wife
সংগীতশিল্পী আরেফিন রুমি আজ রোববার বেলা তিনটার দিকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে মহানগর হাকিম আনোয়ার সাদাত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে আরেফিন রুমির আইনজীবী জামিনের জন্য আবেদন করেন। যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও মতের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিয়ের অভিযোগে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় প্রথম স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় গতকাল রোববার রুমিকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল হক প্রথম আলো ডটকমকে জানান, যৌতুকসহ বিভিন্ন অজুহাতে দীর্ঘদিন ধরে প্রথম স্ত্রী অনন্যাকে নির্যাতন করে আসছিলেন রুমি। মাঝেমধ্যে তিনি কোনো কারণ ছাড়াই স্ত্রীকে পিটিয়ে বাসা থেকে বের করে দিতেন। এ ছাড়া প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই আরেকটি বিয়ে করেন তিনি। এর প্রতিবাদ করায় গতকাল শুক্রবার রাতেও অনন্যাকে বেধড়ক পেটান রুমি। এসব অভিযোগে অনন্যা বাদী হয়ে গতকাল রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মোহাম্মদপুর থানায় রুমির বিরুদ্ধে মামলা করেন। গত বছরের অক্টোবরে নিউইয়র্কপ্রবাসী কামরুন নেসার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দেন রুমি। নিউইয়র্ক থেকে ২৪ অক্টোবর রাতে ঢাকায় আসেন কামরুন নেসা। ওই রাতেই রাজধানীর পুরান ঢাকার গুলবদন দরবার শরিফে (রুমির দাদার বাড়ি) দ্বিতীয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন রুমি। বিয়ের অনুষ্ঠানে রুমির প্রথম স্ত্রী অনন্যা, মা, বড় ভাইসহ উভয় পরিবারের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন উপস্থিত ছিলেন। বিয়ের পর দুই স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে তোলা ছবি ফেসবুকে দিয়ে ব্যাপক সমালোচিত হন এই শিল্পী। রুমির প্রথম স্ত্রী অনন্যার ঘরে আরিয়ান নামের আড়াই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুন নেসার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান রুমি। সেখানে তিনি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। প্রবাসী বাঙালিদের আয়োজনে ফ্লোরিডার একটি অনুষ্ঠানে হিন্দি গান গাওয়ার জন্য সমালোচিত হন রুমি। এরপর উপস্থিত বাঙালি দর্শকদের কাছে ক্ষমা চান তিনি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Blog Archive
- ► 2011 (2088)





