আপনার বয় ফ্রেন্ডকে এই কথাগুলো বলেছেন কি ? Did you say your boy friend this thing yet?

Monday, October 28, 2013 Other

নারী-পুরুষ সম্পর্কের সবচেয়ে বাজে বিষয়টি কী জানেন? যেকোনো বিষয়ে মেয়েটির মৌনতা। ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে সঠিক কথা বলাটা সময় ও বিষয়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক এবং শৈল্পিক হওয়া চাই। এটি মেয়েদের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গবেষকরা। এখানে মেয়েদের ১৬টি কথা বা বাক্যের একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছে। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে একটি ছেলেকে এই কথাগুলো বলা বাঞ্ছনীয়। বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদেরও পরামর্শ দিয়েছেন, তারা যেনো তাদের মেয়েকে এ সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। ১. থামো: বেশিরভাগ সম্পর্কে সেক্সুয়াল বিষয়ে 'থামো' শব্দটা মেয়েদের অহরহ বলতে হয়। এসব পরিস্থিতিতে প্রেমিককে সরাসরি না বলার সাধ্যই বলে দেয়, তার সাথে আপনি একাজ করতে বাধ্য নন বা এ কাজের সময় এখনো হয়নি বলে আপনি মনে করেন। আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দৈহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি জড়াতে চান কি-না। ২. প্রতিজ্ঞা করো: সন্দেহজনক, অঙ্গীকারবদ্ধ নয় অথবা সুসময়ের বন্ধুর মতো কারো সাথে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছানোর আগে অবশ্যই তাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে নিন। প্রেমিকের শপথ বা অঙ্গীকার ছাড়া তার সাথে জড়িয়ে মূলত আপনি নিজেই নিজের বড় শত্রু বনে গেলেন। ৩. আমি এখন চলে যাব: আপনাকে স্পর্শ করার অনুমতি প্রেমিককে এখনও আপনি দেননি। অথবা তার সাথে এখন আপনি সেক্স করতে আগ্রহী নন। ডেটিংয়ের সময় ছেলেটি তা করতে চাইলে তাকে পরিষ্কারভাবে বলুন, এমন করলে আপনি এখনই চলে যাবেন। সে আপনার হাতে-পায়ে ধরলেও আপনাকে স্পষ্টবাদী থাকতে হবে। শিখতে হবে এসব মুহূর্তে কিভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় এবং কোনো আপোষে না গিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হয়। ৪. তুমি আমার অনুভূতিতে আঘাত করেছ: তার আচরণে কষ্ট পেলে বা হতাশ হলে তা প্রকাশ করে দিন। এরকম ছোটখাট বোঝাপড়ায় খোলামেলা যোগাযোগের সাথে সাথে সুস্থ-সবল সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একে অপরের দ্বারা আঘাত পেতেই পারেন। এ সম্পর্কে তাকে সতর্ক করে দেয়া ভাল, নয়তো সীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা রয়েছে। ৫. আমি এভাবেই চিন্তা করি: আমাদের সবার জীবনেই নানা বিষয়ে নানা কষ্ট রয়েছে। আপন মানুষটির কাছ থেকে যেন আবার যন্ত্রণা পোহাতে না হয়, সেজন্য তার সাথে এগুলো ভাগাভাগি করে নিন। জীবনে কোন কষ্টগুলো আপনি তার কাছ থেকে আশা করেন না, তা স্পষ্ট করুন। জীবনে তাকে ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে দিন এবং তার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করুন। ৬. না: ছেলেটি চায় আপনাকে নিয়ে তার বাসায় যেতে। সে যখন-তখন আপনার শরীরের হাত দেয়। বন্ধুদের মাঝে আপনাকে নিয়ে বোকার মতো কৌতুক করে বসে। এসব ঘটামাত্রই তাকে 'না' বলতে শিখুন। নিজের জন্যে তাকে রুখে দিন। তাকে ক্ষমা করবেন না এবং চুপও থাকবেন না। ৭. আমি এটা চাই: সে নিশ্চয় আপনার মনের গোপন কথাটি পড়তে পারবেন না। কাজেই তার কাছ থেকে কী আশা করেন, তা জানিয়ে দিন। আপনার কোন জিনিসটি কিভাবে চান, সে সম্পর্কে তার ধারণা থাকা জরুরি। ৮. আমি তোমার সাথে জীবন কাটাতে চাই: ভালবেসে তাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পেতে চাইছেন- মনের এ ভাব ছেলেটির কাছে উন্মুক্ত করুন। ৯. যা প্রয়োজন তোমার তা আছে: আপনার সঙ্গী তার সবকিছু দিয়ে সংগ্রাম করছেন জীবনে কিছু করার জন্য। কোনো স্বপ্ন পূরণে বা পেশাগত জীবনে ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে তাকে নানা কটুক্তি শুনতে হতে পারে। তার যন্ত্রণাক্লিষ্ট চোখে চোখ রেখে বলুন, সফল হতে যা প্রয়োজন তা তোমার আছে। আর তার ওপর আপনার পুরোপুরি বিশ্বাস রয়েছে। ১০. এটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ: যেকোনো বিষয় হতে পারে, আপনার ক্যারিয়ার বা বিশ্বাস বা সন্তান ইত্যাদি। প্রিয় মানুষটিকে জানাতে হবে যে, আপনার কাছে কোন ব্যাপারটি মূল্যবান। অথবা আপনার কী বা কেমন, লুকোচুরির কিছু নেই। আপনি আসলে যা, তা মেনে নিয়েই যে সম্পর্ক গড়ে উঠবে তার চেয়ে চমৎকার সম্পর্ক অন্য কিছুতে আসতে পারে না। ১১. আমার সাথে যোগাযোগ করো না: আপনাকে ভীতি নিয়ে জীবন কাটাতে হবে না। অথবা তার পরের মেসেজটি নিয়ে আবার অশান্তিতে ভুগতে হবে না। কাজেই বলে দিন, সে যেনো আর যোগাযোগ না করে। অন্তত কিছু সময় আপনি শান্তিতে শ্বাস নিতে চান, মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে চান। ১২. এ ব্যবহার সহ্য করা যায় না: আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানবোধের মাত্রা ঠিক করুন। ঝগড়া-বিবাদ হতে পার। ঘটতে পারে সম্পর্কের চরম অবনতি। কিন্তু যতো বাজে পরিস্থিতিই আসুক, পরস্পরের প্রতি সম্মানহানির পর্যায়টি যেনো সীমা অতিক্রম না করে। তার কোন ব্যবহার আপনার ধৈর্য ও সহ্যের বাইরে তা বুঝিয়ে দিন। ১৩. এ ছবিটি আমি পাঠাতে চাই না: আপনার বা আপনাদের কোনো একটি ছবি সে তার মোবাইলে পাঠিয়ে দিতে বললো। কিন্তু আপনি তা চান না। এমনকি সে এজন্য আপনার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়ার হুমকি দিলেও বুঝতে হবে, উল্টো তার গালে চপেটাঘাতের সময় হয়েছে আপনার। সোজা না করে দিন, প্রয়োজনে তার মোবাইল নম্বরটি মুছে ফেলুন, হালকা বোধ করবেন। ১৪. তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাস?: আপনি যেমন মেয়ে, আপনার জন্যে আরো অনেক ভাল ছেলে অপেক্ষা করতে পারেন। কাজেই প্রেমিকার ভালবাসায় আপনি নিজেকে খুঁজে পান কিনা তা ছেলেটিকে বুঝতে দিন, আপনি নিজেও বোঝার চেষ্টা করুন। তাহলে ছেলেটির বাষ্পীয় ভালবাসা আপনার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারবে না। ১৫. তোমাকে ঘিরেই আমার জীবন কাটে না: সকাল ১০টা বাজতেই আপনার মোবাইলে মেসেজ এলো 'কোথায় তুমি?' একটু দেরিতে দেখা হওয়া মাত্রই তার বাজে ব্যবহার। আবার চলে যাওয়ার পর একটা অপমানজনক মেসেজ। তাকে বোঝান আপনারও কাজ থাকতে পারে। তাকে নিয়েই আপনার সারা দিন কাটে না। বরং একটা পরিকল্পনা করুন, দেখা করার ক্ষেত্রে দেরি হলে কিভাবে কী করবেন। ১৬. আমি মুখোমুখি শুনতে চাই: মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে বা ফেসবুকে চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে তর্ক, গালাগালি, আজেবাজে কথা বা হুমকি ইত্যাদি দেয়া সোজাসাপ্টা ব্যাপার। এসব মুহূর্তে তাকে সরাসরি বলে দিন, আপনি তার সাথে মুখোমুখি কথা বলতে চান। সত্যিকার ব্যক্তিত্ববান ছেলেরা আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2013/10/27/15614#sthash.i6utp1O8.dpuf

শেয়ারবাজারে হঠাত্ করে ঘুরে দাঁড়ানোয় - Share Market was very good today

Sunday, October 27, 2013 Other
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাজার হঠাত্ করে ঘুরে দাঁড়ানোয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। কেননা গত বৃহস্পতিবার বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। বাজারের এমন আচরণকে অনেকে অস্বাভাবিক বলেও মনে করছেন। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও বড় কিছু প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় হওয়ায় অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। তাদের মতে, এখন দেখার বিষয় তারা কত দিন সক্রিয় থাকে। তারা যদি পুনরায় নিষ্কিয় হয় তাহলে বাজারের অবনতি হবে। এদিকে, আজ রোববার সপ্তাহের এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৬০ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিনে প্রধান দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে সূচক বৃদ্ধির চাঙাভাবের মধ্যে। ডিএসইতে সূচক বেড়েছে প্রায় ১১০ পয়েন্ট ও সিএসইতে প্রায় ২৩৫ পয়েন্ট। সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধিতে দিন শেষে উভয় প্রায় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। সার্বিক লেনদেনে মন্দাভাব অব্যাহত রয়েছে। যদিও গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে আজ লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে হরতালের কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি অনেকটা কমে গেছে। প্রধান বাজার ডিএসইতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার একই বাজারে লেনদেন হয়েছিল ২৩০ কোটি টাকা। ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটায় ডিএসইএক্স সূচক ১০৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯০৯ দশমিক ১৪ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল ১১টায় সূচক ৩৭ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৩৬ দশমিক ৯৫ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় সূচক ৭৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৭২ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে এবং বেলা ১টায় সূচক ৮১ দশমিক শুন্য ১ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৮০ দশমিক ২৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। বেলা ২টায় সূচক ১০৯ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯০৮ দশমিক ৯১ পয়েন্টে গিয়ে পৌছায়। আজ ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ২৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ডিবেঞ্চার। এদের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৭টির, কমেছে ৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৯ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বেশি। শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ড বিক্রি হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬ হাজার ৫২০টি।বেলা শেষে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে-জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, এনভয় টেক্সটাইল, আর্গন ডেনিমস, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্রামীণফোন, মালেক স্পিনিং, অ্যাক্টিভফাইন কেমিক্যালস, গোল্ডেন সন, ডেল্টালাইফ ইন্সুরেন্স ও ন্যাশনাল ব্যাংক। এদিকে, দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই)ও সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধির মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। বেলা আড়াইটায় সিএসসিএক্স সূচক ২৩৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৬৭৭ দশমিক ২০ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল ১১টায় সূচক ৭২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫১৫ দশমিক শুন্য ২ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় সূচক ১৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫৮৯ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে এবং বেলা ১টায় সূচক ১৪৫ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫৮৮ দশমিক ২৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। বেলা ২টায় সূচক ২০৫ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৬৪৮ দশমিক ৩০ পয়েন্টে গিয়ে পৌছায়। আজ সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭১টির, কমেছে ২৯টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৩১ লাখ ৯১ হাজার ৯৬৩ টাকা,যা আগের দিনের চেয়ে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি। হাতবদল হওয়া শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ডের পরিমাণ ৯৪ লাখ ২৭ হাজার ৯২৩টি।দিনের শেষে সিএসই’র লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো-জেনারেশ নেক্সট ফ্যাশন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, আর.এন স্পিনিং, গ্রামীণফোন, এনভয় টেক্সটাইল, ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনাইটেড এয়ার, ওয়ান ব্যাংক ও লিগ্যাসি ফুটওয়ার। - See more at: http://bonikbarta.com/sharemarket/2013/10/27/20376#sthash.E3Uzgrmk.dpuf

সিএসইর সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ সিদ্ধান্ত- CSE-EGM

Sunday, October 27, 2013 Other

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথককরণ বা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের স্কিম সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে সিএসইর সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সাজিদ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে জানান, ইজিএমে স্কিম গ্রহণ ছাড়া সংঘ স্মারক ও সংঘবিধির পরিবর্তন এবং প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকা বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। সিএসইর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিএসইর সভাপতি আল মারুফ খান ইজিএম পরিচালনা করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম কে এম মহিউদ্দিন, এ এস এম শহিদুল্লাহসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শেয়ার মুল্যবৃদ্ধির গুজব নাকি এটাই সত্যি - SEC has ask to stop facebook spaming for share price

Saturday, October 26, 2013 Other
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) কোনো ধরনের আপ্যায়ন বা উপহারসামগ্রী বিতরণ না করতে আবারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিএসইসি জানিয়েছে, এর আগে ২০০০ সালের অক্টোবরে এ বিষয়ে বিএসইসি একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। তাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় উপহারসামগ্রী বিতরণ ও আপ্যায়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তার পরও কিছু কিছু কোম্পানি তাদের বার্ষিক সভায় নানা ধরনের আপ্যায়নের নানা আয়োজন অব্যাহত রেখেছে। বিএসইসি বলছে, আপ্যায়ন-ব্যবস্থার কারণে প্রায়ই এ নিয়ে এজিএম চলাকালে সভাস্থলে হট্টগোল তৈরি হয়। এতে এজিএমের মূল কার্যক্রম বা আলোচনার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। তাই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যেন আপ্যায়ন বা উপহারসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যথাযথভাবে অনুসরণ করে, সে জন্য পুনরায় নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি। এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তাসহ (এসএমএস) নানাভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গুজব রটনাকারীদের সতর্ক করেছে বিএসইসি। ২১ অক্টোবর সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফেসবুক, খুদে বার্তা বা অন্য কোনোভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গুজব ছড়ানো বিদ্যমান সিকিউরিটিজ আইনের বিরোধী। যাঁরা আইন ভেঙে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোনো গুজবের ওপর ভিত্তি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ না করার জন্যও বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। বিএসইসি বলছে, গুজবের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা হলে বিনিয়োগকারীদের ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। গুজবের পরিবর্তে কোম্পানির মৌল ভিত্তি দেখে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে বিএসইসি। বাজার-পরিস্থিতি: গতকাল শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ঘটেছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২ শতাংশ বা ২৫১ পয়েন্ট কমেছে। সেই সঙ্গে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনেও কমেছে। ডিএসইতে ২৩০ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৬ কোটি টাকা কম। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ছয় কোটি টাকা কম।
,

CITYBANK-EGM of the Company will be held on November 28, 2013

Monday, October 21, 2013 Other
Trading Code:CITYBANK
News:The Company has further informed that the EGM of the Company will be held on November 28, 2013 for getting shareholders' approval to issue Tier-II Subordinated Debt (Bond) worth Tk. 300.00 crore, Tenor: 6 years; to meet capital requirement under Basel II. Record date for EGM: 29.10.2013. Venue of the EGM will be notified later.
Post Date:2013-10-20
Expire Date:2013-10-20
,

FINEFOODS-stock dividend @ 2% for the year ended on June 30

Monday, October 21, 2013 Other
Trading Code:FINEFOODS
News:The Board of Directors has recommended stock dividend @ 2% for the year ended on June 30, 2013. Date of AGM: 04.12.2013, Time: 11:45 AM, Venue: Project-1 Mondolvog, Manikkhali, Katiadi, Kishoreganj. Record Date: 03.11.2013. The Company has also reported EPS of Tk. 0.046, NAV per share of Tk. 10.63 and NOCFPS of Tk. 0.24 for the year ended on June 30, 2013.
Post Date:2013-10-20
Expire Date:2013-10-20

স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ - Demutualization Under Condition

Monday, October 21, 2013 Other
শর্তসাপেক্ষে বিন্যস্তকৃত (ডিমিউচুয়ালাইজড) এক্সচেঞ্জের অন্তর্বর্তী পর্ষদ বা প্রথম পরিচালনা পর্ষদ হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদকে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান প্রেসিডেন্ট অন্তর্বর্তী পর্ষদের চেয়ারম্যান হতে পারবেন না। স্বতন্ত্র পরিচালকদের মধ্য থেকে অন্তর্বর্তী পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবে। ১৩ অক্টোবর অর্থ মন্ত্রণালয় এ পরামর্শ দেয়। ডিমিউচুয়ালাইজেশন (বিন্যস্তকরণ) স্কিম অনুমোদনের পর বিন্যস্তকৃত এক্সচেঞ্জের প্রথম পরিচালনা পর্ষদ বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জের মতবিরোধ তৈরি হয়। প্রথম পরিচালনা পর্ষদ হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব খারিজ হলেও অনুমোদিত স্কিমে আলাদাভাবে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। আলাদা নির্দেশনা না থাকায় দুই স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সভায় কমিশনে খারিজ হওয়া পুরনো প্রস্তাবটিই গ্রহণ করা হয়। এ পরিস্থিতিতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পরামর্শ চায় কমিশন। ১৩ অক্টোবর মন্ত্রণালয়ের নির্দেশক্রমে উপপরিচালক নাসিরউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ পরামর্শ পেল কমিশন, যা সেদিন বিকালেই দুই স্টক এক্সচেঞ্জে ফ্যাক্সযোগে প্রেরণ করা হয়। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক (বিএসইসি) অনুমোদিত স্কিমের আদলেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে বর্তমান পর্ষদকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হলেও অন্তর্বর্তী পর্ষদের আকার কি হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট করা হয়নি। তবে অন্তর্বর্তী পর্ষদে সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালক হবেন স্বতন্ত্র। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র পরিচালকদের মধ্য থেকে অন্তর্বর্তী পর্ষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। এ পর্ষদ বিন্যস্তকৃত এক্সচেঞ্জের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের প্রথম সভা অনুষ্ঠানের আগ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রসঙ্গত, বিন্যস্তকৃত এক্সচেঞ্জের প্রথম পরিচালনা পর্ষদ বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের প্রস্তাব খারিজ হওয়ায় অনুমোদিত ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিমের আদলে অন্তর্বর্তী পর্ষদ বা প্রথম পরিচালনা পর্ষদ গঠনের পক্ষে কমিশনের একাধিক সদস্য মত দিয়েছিলেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের দেয়া পরামর্শে প্রতিফলিত হয়েছে বলে মনে করেন কমিশন সদস্যরা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এ পরামর্শের কারণে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে তাদের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে হবে। তবে অন্তর্বর্তী পর্ষদের পরিচালক হতে তাদের কোনো বাধা নেই। ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও ২৯ অক্টোবর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে অনুমোদিত স্কিম, সংঘস্মারক ও সংঘবিধি পরিবর্তন এবং বিন্যস্তকৃত এক্সচেঞ্জের প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকা বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। গত ২৯ জুলাই এক্সচেঞ্জের মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণে ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম জমা দেয় দুই স্টক এক্সচেঞ্জ। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ গত ২৬ সেপ্টেম্বর ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম অনুমোদন দেয় কমিশন। তবে অনুমোদিত স্কিমে প্রথম পরিচালনা পর্ষদ হিসেবে স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব খারিজ করা হলেও আলাদাভাবে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি। এতে জটিলতা তৈরি হয়। অনুমোদিত স্কিমে এ বিষয়ে আলাদা নির্দেশনা না থাকায় আসন্ন বিশেষ সাধারণ সভায় গ্রহণের জন্য দুই স্টক এক্সচেঞ্জের বোর্ড সভায় কমিশনে খারিজ হওয়া পুরনো প্রস্তাবটিই গ্রহণ করা হয়। এতে কমিশনে অসন্তোষ দেখা দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন থেকে প্রথম পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের নামের তালিকায় ‘কমিশনের নির্দেশক্রমে পরিবর্তন করা হতে পারে’ কথাটি যুক্ত করার মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়। গত ২৬ সেপ্টেম্বর অনুমোদিত ডিমিউচুয়ালাইজেশন স্কিম অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদ হবে ১৩ সদস্যের। স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানসহ সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য স্বতন্ত্র পরিচালক হবেন। অনুমোদিত স্কিম অনুযায়ী পরিচালনা পর্ষদে স্বতন্ত্র পরিচালক সাতজন ও স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারসহ (কৌশলগত বিনিয়োগকারী) শেয়ারহোল্ডার পাঁচজন থাকবেন। তবে যত দিন পর্যন্ত স্ট্র্যাটেজিক শেয়ারহোল্ডার নির্বাচিত না হবে তত দিন পর্যন্ত এ পদ শূন্য থাকবে - See more at: http://bonikbarta.com/sharemarket/2013/10/21/19702#sthash.uSRWqcao.dpuf
,

বিকৃতযৌনলোভী, মিথ্যুক একজন মানুষ- Steve was sex sick, liar and mad of sex

Monday, October 21, 2013 Other

তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে নামী ব্র্যান্ড অ্যাপলের জনক। সিলিকন ভ্যালির মুকুটধারী সম্রাট। তার প্রজন্মের ঈর্ষণীয় প্রধান নির্বাহী, তরুণ প্রজন্মের অনুপ্রেরণা। সেই স্টিভ জবসের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এবার মুখ খুললেন তার সাবেক প্রেমিকা ক্রিসান ব্রেনান। তার আত্মজীবনীতে এমন এক স্টিভ জবসকে পাওয়া যাবে, যে কথা কারো ধারণাতেও ছিল না। তাতে তিনি লিখেছেন, দরজার আড়ালে জবস ছিলেন যৌনপীড়ক, ওপরে ফিটফাট হলেও ভেতরে ফাঁপা এবং বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী। সত্তরের দশকে ক্রিসান ও জবসের সম্পর্ক ছিল অম্ল-মধুর। জবসের প্রথম সন্তানের জননীও ক্রিসান। তার বর্ণনায় জবস ছিলেন, খারাপ বাল্যকালের আবেগী ঘূর্ণাবর্তে বন্দী। ২০১১ সালে ৫৬ বছর বয়সে ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান জবস।
সাবেক প্রেমিকার বই ‘দি বাইট ইন দ্য অ্যাপল’-এ তাকে ভুল কাজের জন্য বারবার আক্রান্ত হতে হয়েছে। ক্রিসান ব্রেনানের বইটি এ মাসেই প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এতে বলা হয়েছে, অ্যামেরিকার কর্পোরেট জগতের সবচেয়ে গোছানো ক্যাপ্টেন ব্যক্তিগত জীবনে কীভাবে বখাটের মতো আচরণ করতেন। ব্রেনানের বইটি জবসের পরিবারের সঙ্গে তার সম্পর্ক আবার উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। স্টানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে জবসের ওপর কথা বলার কথা ছিল তার। কিন্তু রোলিংস্টোন ম্যাগাজিনকে জবস ও তার সম্পর্ক বিষয়ে তথ্য বলার কারণে সে আমন্ত্রণ প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। 'দি বাইট ইন দ্য অ্যাপলে'র সাবটাইটেল দেয়া হয়েছে ‘স্টিভ জবসের সঙ্গে আমার জীবনের স্মৃতিকথা’। বইয়ে ব্রেনান লিখেছেন, ক্যালিফোর্নিয়ার মোনটেরেতে বসবাসরত তরুণ পেইন্টার ও গ্রাফিক ডিজাইনার জবস ছিলেন ‘বেমানান মেধাবী’। তিনি মনে করতেন তরুণ বয়সেই মারা যাবেন। সময় যাচ্ছিল এবং তিনিও ইতিবাচক স্বৈরাচারি হয়ে উঠছিলেন। অ্যাপল যখন বেড়ে ওঠে তখন জবসের মধ্যে নিজের নাম জাহির করার প্রবণতাও বেড়ে ওঠে। সত্তর দশকের শুরুতে আটারি কম্পিউটার্সে কাজ করার সময় কলিগরা বলেছিল, তারা জবসের সঙ্গে কাজ করবে না। কারণ তার গা থেকে দুর্গন্ধ বের হয়। ব্রেনানের মতে, এটা সত্য ছিল না। আমি শুনেছিলাম, জবস রাতের শিফটে চলে গিয়েছিলেন কারণ কলিগরা মনে করতো তিনি নেতিবাচক ও ক্ষতিকর। ব্রেনান ও জবস ক্যালিফোর্নিয়ার কাপার্টিনোর হোমস্টেড হাইস্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন। ওই শহরেই অ্যাপলের হেডকোয়ার্টার তৈরি হয়েছিল। এখনও আছে। জবস ও তার এক বন্ধু একটি গ্যারেজ থেকে অ্যাপল শুরু করার সময় তারা দুজন লিভটুগেদার শুরু করেন। ৫ বছর পর যখন তাদের ছাড়াছাড়ি হয় তখন ব্রেনান গর্ভবতী। ১৯৭৮ সালে ব্রেনানের যে সন্তান হয় তাকে নিজের সন্তান বলে স্বীকৃতি দিতে চাননি জবস। পরে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে জবস ছিলেন ভুল অবস্থানে।

উলটাপালটা দৌড়ালে খবর আছে !! - How to walk properly

Monday, October 21, 2013 Other
শরীর সুস্থ রাখতে দৌড় দারুণ এক উপকারী ব্যায়াম। কিন্তু শুধু দৌড়ালে তো হবে না, এর জন্য কিছু নিয়ম-কানুন মানাও জরুরি। এতে করে একদিকে যেমন নিজেকে ইনজুরি থেকে মুক্ত রাখা যাবে, তেমনি তুলনামূলক বেশি উপকারও পাওয়া যাবে। হাত : দুই হাতকে শরীরের কাছে রেখে সামনে ও পেছনে চলমান রেখে দৌড়াতে হবে। কনুইয়ের ভাঁজটা এমনভাবে করতে হবে, যেন সেখানে ৯০ ডিগ্রি কোণ উৎপন্ন হয়। হাত দুটি স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করতে হবে। গোড়ালি ও পায়ের পাতা : দৌড়ানোর সময় পায়ের গোড়ালি কখনো শক্ত করে রাখা যাবে না। দৌড়ের সময় সরাসরি গোড়ালি মাটিতে রাখা যাবে না। গোড়ালি ও পায়ের মাঝখানের মাঝামাঝি অংশ মাটিতে রাখতে হবে। শুরুতে এটা করতে একটু সমস্যা হতে পারে, তবে একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে কোনো রকম অতিরিক্ত চেষ্টা ছাড়াই এটা সহজে করা যাবে। এটা সহজে করার জন্য দৌড়ের সময় একজন সহযোগী নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া দৌড়ের একটি ভিডিও করা যেতে পারে। এতে করে নিজের ভুলগুলো নিজের কাছেই ধরা পড়বে। মাথা ও কাঁধ : দৌড়ের সময় কখনো নিচের দিকে এমনকি নিজের পায়ের দিকে নজর রাখা ঠিক নয়। বরং সামনের দিকে মনোযোগী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এতে করে দৌড়ের সময় মাথা, ঘাড় ও স্পাইনের সঠিক অবস্থান নিশ্চিত হয়। ধীরগতি : দৌড়ের শুরুতে দ্রুতগতিতে দৌড়ানো উচিত নয়, বরং শুরুতে ধীরে ধীরে দৌড়ানো উচিত। এতে করে স্টামিনা বাড়বে। দৌড়ের গতি এমন হওয়া উচিত, যেন দৌড়ানোর সময় আপনি স্বাভাবিকভাবে কথোপকথন চালিয়ে যেতে পারেন। লম্বা দৌড় : দীর্ঘ দূরত্বের পথ সপ্তাহে এক দিন দৌড়ানো ভালো। সাধারণত দীর্ঘ দূরত্বের দৌড় ছুটির দিনে দৌড়ানো উচিত। এতে করে ওয়ার্মআপ, স্ট্রেচ ও কুল ডাউনের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়। দ্রুতগতিতে দৌড় : শুরুতেই দ্রুতগতিতে দৌড়ানো উচিত নয়। সপ্তাহে তিন দিন দৌড়ানোয় যখন অভ্যস্ত হয়ে উঠবেন, তখন দ্রুতগতিতে দৌড়ানোর পরিকল্পনা নিতে পারেন। শুরুতে অল্প দূরত্ব দ্রুতগতিতে দৌড়ানো উচিত।
,

মাত্র ১২ টাকায় খুন করা হয়- Murdered only for 12 taka

Monday, October 21, 2013 Other


শেরপুর সদর উপজেলার তিলকান্দি মধ্যপাড়া গ্রামে গতকাল শনিবার রাতে মাত্র ১২ টাকা পাওনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলায় একজন নিহত হয়েছেন। এ সময় তাঁর তিন ভাই আহত হন। নিহত ব্যক্তির নাম সোবাহান আলী (৩৪)। তিনি তিলকান্দি মধ্যপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ, হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিলকান্দি মধ্যপাড়া গ্রামের সোবাহান আলীর ছোট ভাই আবদুস সালাম কয়েক দিন আগে প্রতিবেশী মুদি দোকানি গোলাপ হোসেনের কাছ থেকে ১২ টাকা বাকিতে কোমল পানীয় কেনেন। দোকানদার গতকাল রাত ১০টার দিকে সালামের কাছে পাওনা টাকা চাইলে তাঁদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে গোলাপ তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সালামের ওপর হামলা চালান। খবর পেয়ে তাঁর তিন ভাই সোবহান (৩৪), হালিম (৪০) ও শাহ জামাল (৩৫) দোকানের সামনে যান। এ সময় তাঁদের ওপরও ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়। হামলায় ফলাবিদ্ধ হয়ে সোবাহান আলী ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত তিন ভাইকে গতকাল রাত ১২টার দিকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই হাসপাতালে সোবাহানের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এ ঘটনায় সোবাহান আলীর ভাই মুদি দোকানি গোলাপ হোসেনকে প্রধান আসামি করে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ওই গ্রামের মোজাফফর আলী, রহিমা বেগম, রুমা বেগম ও স্বপ্না বেগম নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

Blog Archive