এখানে ক্লিক করে আপনার খবর দিন >> http://www.khoborvalo.com/p/blog-page_15.html
✔ বস্ত্র ও ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের চাহিদাই বেশি ✍ সংবাদদাতা ☞ নিজস্ব প্রতিবেদক of bonibarta
শেয়ারবাজারের লেনদেনে বস্ত্র ও ব্যাংকিং খাতের প্রাধান্য অব্যাহত রয়েছে। গতকালও এ দুটি খাতের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ শেয়ার লেনদেন হয়। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মোট লেনদেনের প্রায় ৪২ শতাংশ সম্পন্ন হয় এ দুটি খাতে। তবে এদিন বস্ত্র খাতের শেয়ারের দর সংশোধন হয়। ব্যাংকিং ও জ্বালানি খাতের শেয়ারের দর বাড়ায় উভয় বাজারের সব ধরনের সূচক বাড়ে।
ডিএসইতে গতকাল অধিকাংশ শেয়ারের দর বৃদ্ধিতে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের কার্যদিবসের চেয়ে ২৮ দশমিক ৮১ পয়েন্ট বেড়ে ৪২৪১ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ৩ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১৪৪৬ দশমিক ৯৮ পয়েন্টে দাঁড়ায়। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আগের দিনের চেয়ে ৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৩১৪৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা তৈরি হয়। অধিকাংশ শেয়ারের দর বাড়ায় দুপুর সাড়ে ১২টায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক প্রায় ৬৬ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বস্ত্র ও বীমা খাতের শেয়ারে বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রভাবে সূচক কিছুটা সমন্বয় হয়। তবে শেষ পর্যন্ত ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়।
এদিকে বিভিন্ন কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা ও প্রান্তিকের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের প্রভাবে শেয়ারবাজারে ধারাবাহিকভাবে লেনদেন বাড়ছে। গতকাল ডিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৪৫ কোটি ২১ লাখ টাকা বেশি। গত ২৩ সেপ্টেম্বরের পর এটিই ডিএসইর সর্বোচ্চ লেনদেন। অন্যদিকে সিএসইতে কেনাবেচা হয় ৫২ কোটি ১০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড, যা আগের দিনের চেয়ে ৭০ লাখ টাকা বেশি।
লেনদেন পর্যালোচনায় দেখা যায়, মূলত তিনটি খাতের শেয়ারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বেশি রয়েছে। গতকাল বস্ত্র, ব্যাংকিং ও জ্বালানি খাতের শেয়ারে ডিএসইর মোট লেনদেনের ৫২ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। ডিএসইর মোট লেনদেনের ২২ শতাংশ ছিল বস্ত্র খাতের। এছাড়া লেনদেনের ২০ শতাংশ ছিল ব্যাংকিং খাতের। গতকালও একক কোম্পানি হিসেবে বস্ত্র খাতের জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনসের সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়। এদিন কোম্পানিটির ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ারে লেনদেন হয়।
যদিও বিনিয়োগকারীদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতায় গতকাল বস্ত্র খাত গড়ে দশমিক ৭৩ শতাংশ দর হারায়। এছাড়া বীমা খাত ১ শতাংশের বেশি দর হারায়। বিপরীত দিকে ব্যাংকিং খাতের শেয়ারের দর বাড়ে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ। আর জ্বালানি খাতের সরকারি মালিকানাধীন কয়েকটি কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে পুরো খাতে। খাতটির শেয়ারের দর গড়ে ১ দশমিক ৪৩ শতাংশ বাড়ে।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেন হওয়া ২৮৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বাড়ে ১৪২টির, কমে ১২৩টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ২৪টির। সিএসইতে লেনদেন হওয়া ২১৯টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বাড়ে ১০৬টির, কমে ৯৪টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১৯টির শেয়ারের দর।
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস গতকাল বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) প্রধান ১০টি কোম্পানি হলো— জেনারেশন নেক্সট, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বেঙ্গল উইন্ডসর, আরএন স্পিনিং, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, মালেক স্পিনিং, সামিট পূর্বাঞ্চল, তাল্লু স্পিনিং, ওয়ান ব্যাংক ও ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ।
দর বাড়ার তালিকার শীর্ষে থাকা ১০টি কোম্পানি হলো— বিডি বিল্ডিং, হাক্কানী পাল্প, মুন্নু সিরামিক, দেশ গার্মেন্টস, বিডি অটোকারস, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক, কোহিনূর কেমিক্যালস, সোনালী আঁশ, পপুলার লাইফ ও কেয়া কসমেটিকস।
অন্যদিকে দর কমার তালিকার শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো— ন্যাশনাল পলিমার, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স, স্টাইল ক্র্যাফট, ফু-ওয়াং সিরামিকস, অ্যারামিট লিমিটেড, এএমসিএল (প্রাণ), আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, সায়হাম টেক্সটাইল, অলটেক্স ও ডেল্টা লাইফ।
সংঘ স্মারক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) অনুমোদিত সংঘ স্মারক বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) জমা দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে সংঘ স্মারক বিএসইসিতে পৌঁছে বলে ডিএসই সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ২ নভেম্বর ডিএসইর ইজিএম অনুষ্ঠিত হয়। এতে সংঘ স্মারক অনুমোদন দেওয়া হয়।
ডিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্বপন কুমার বালা স্বাক্ষরিত সংশ্লিষ্ট চিঠিতে বলা হয়, দ্য ডিমিউচুয়ালাইজেশন অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অ্যাক্ট-২০১৩-এর ৯ ধারা অনুযায়ী বিশেষ সাধারণ সভায় অনুমোদিত তথ্যাদি কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী সভায় গৃহীত সংঘ স্মারক ও সংঘবিধির একটি অনুলিপি; সংঘ স্মারক ও সংঘবিধি পরিবর্তন-সংক্রান্ত বিশেষ সিদ্ধান্তের অনুলিপি; প্রথম পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকদের বিবরণ; শেয়ার বরাদ্দ-সংক্রান্ত প্রতিবেদনের অনুলিপি; প্রাথমিক শেয়ার হোল্ডারের অনুকূলে অজড় অবস্থায় বরাদ্দ করা শেয়ার নিরীক্ষক কর্তৃক ইস্যুকৃত প্রত্যয়নপত্র; প্রাথমিক শেয়ার হোল্ডারের অনুকূলে বরাদ্দ করা শেয়ারের অন্যূন ৬০ শতাংশ ব্লকড হিসেবে জমা করা হয়েছে এবং ডিপোজিটরির প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।
তবে খালেদা জিয়ার বাসায় বিশেষ একধরনের পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে
লেনদেনের টাকার পরিমান বেড়ে আকাশ ছুল-৫০০ কোটি-Total transaction gone up
টানা সাত কর্মদিবস সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার পর আজ সোমবার নিম্নমুখী প্রবণতায় শেষ হয়েছে দেশের শেয়ারবাজারের লেনদেন। দিনের লেনদেন শেষে দুই বাজারে সূচক কমলেও বেড়েছে লেনদেন। আর প্রায় দেড় মাস পর ডিএসইর লেনদেন ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, টানা সাত কর্মদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর আজ অনেকে মুনাফা তুলে নেওয়ায় স্বাভাবিক মূল্য সংশোধন হয়েছে বাজারে। বিশেষ করে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে আজ মূল্য সংশোধন বেশি হয়েছে। কেননা, অব্যাহতভাবে এই দুটি খাতের কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ছিল। এই দুই খাতের অনেক বিনিয়োগকারী আজ মুনাফা তুলে নেওয়ায় কোম্পানিগুলোয় মূল্য সংশোধন হয়, যা সূচক পতনে অন্যতম ভূমিকা রাখে। আজ ব্যাংকিং খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৮টি দর হারিয়েছে। অন্যদিকে অব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের কোম্পানিগুলোয়ও মিশ্র প্রবণতা দেখা যায়। ডিএসইর সূচক কমেছে ৪৬ পয়েন্ট এদিকে সাম্প্রতিক হরতাল চলাকালে বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও আজ সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইর ডিএসইএক্স সূচক ৪৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে চার হাজার ১৯৮ পয়েন্টে। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। ২০ মিনিটের মাথায় সূচক ৬২ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক বাড়ার হার কমতে শুরু করে। বেলা পৌনে একটার পর সূচক নিম্নমুখী হয়, যা লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল। ডিএসইতে আজ ২৯২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১৪৮টির, কমেছে ১২৪টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টির। ৫০০ কোটির ঘরে লেনদেন আজ ডিএসইতে ৫০৪ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে ছয় কোটি টাকা বেশি। গতকাল এই বাজারে ৪৯৮ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল। এ দিকে প্রায় দেড় মাস পর আজ ডিএসইতে ৫০০ কোটি টাকার ওপরে লেনদেন হয়েছে। এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৫২১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছিল। সিএসইতে কমেছে ৪৯ পয়েন্ট ডিএসইর পাশাপাশি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক কমেছে। দিনের লেনদেন শেষে সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক ৪৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ১২ হাজার ৯৯২ পয়েন্টে। সিএসইতে আজ ২১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড হাতবদল হয়েছে। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৬টির, কমেছে ৯০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির। সিএসইতে আজ ৬১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড লেনদেন হয়েছে, যা গতকালের চেয়ে আট কোটি টাকা বেশি। গতকাল এই বাজারে ৫৩ কোটি টাকা লেনদেন হয়। এদিকে ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে ছিল বস্ত্র খাতের কোম্পানি আরএন স্পিনিং। আজ এই প্রতিষ্ঠানের ১৮ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। এ ছাড়া ইউসিবিএল, ওয়ান ব্যাংক, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, এনবিএল, ইউনাইটেড এয়ার, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, আরগন ডেনিমস, সিটি ব্যাংক প্রভৃতি লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে।
শেয়ারধারীদের জন্য নগদ ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা - PowerGrid 15% Dividend
Blog Archive
- ► 2011 (2088)


