Stocks return to red

Saturday, May 05, 2012 Unknown
Both the country’s two bourses witnessed fall in indices on Thursday.

The DSE general index shed 37 points to stand at 5,161 at the close on the last trading day of the week.

The volume of transactions also slightly tumbled to Tk 4,359 million from Wednesday’s Tk 4,991 million. Trade deals stood at 105,688 against the previous day’s 108,782.

Of the issues traded, 77 advanced, 178 declined and 13 remained unchanged.

LANKABAFIN topped the turnover list with shares worth Tk 453 million having changed hands.

The other turnover leaders were JAMUNAOIL, GP, MPETROLEUM, BEXIMCO, SQURPHARMA, RNSPIN, TITASGAS, LAFSURCEML and GPHISPAT.

Chittagong stocks also followed the suit, with the CSE Selective Categories Index climbing down to 9,757 by dropping over 111 points.

Out of the issues traded, 34 gained, 140 declined and 13 remained unchanged.

Dividend of 8 company within 1 week

Saturday, May 05, 2012 Unknown
গত সপ্তাহ জুড়ে পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ৩১ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১১ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিগুলোর পরিচালনা পর্ষদ এ সুপারিশ করে।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্স: এশিয়া ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ট ও ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এশিয়া ইন্সুরেন্স কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৪৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ২৮ টাকা।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স: অগ্রণী ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৩৬ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৫৮ টাকা।

বিডি ওয়েল্ডিং: বিডি ওয়েল্ডিং কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে ৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০ দশমিক ৪৩ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু ৮০ কোটি ৫৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

অন্যদিকে, ২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল ১ দশমিক ১৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু ৫৭ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

আরামিট সিমেন্ট: আরামিট সিমেন্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এছাড়া কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়াতে এবং ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে শেয়ারহোল্ডারদের ১:১ রাইট শেয়ার দেওয়ার সুপারিশ করেছে। অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি রাইট শেয়ার পাবে।

৫ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল ধরা হয়েছে ১৫ টাকা। তবে রাইট শেয়ার দেওয়ার বিষয়টি শেয়ারহোল্ডার এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি) কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

২০১১ সালে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির কর পরবর্তী আয় হয়েছে ৫ কোটি ৭ লাখ ৭০ হাজার, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ দশমিক ৩০ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ৭৯ টাকা।

আরামিট: আরামিট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ৫০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে আরামিট কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ দশমিক ২৬ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৮৮ দশমিক ৮৬ টাকা।

বেক্সসিনথ: বেক্সসিনথ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে বেক্সসিনথ কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৫৮ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৯৮ টাকা।

শাহিন পুকুর সিরামিকস: শাহিন পুকুর সিরামিকস কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

শাহিন পুকুর সিরামিকস কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৫২ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৪৯ টাকা।

বেক্সিমকো লি.: বেক্সিমকো লি. কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ২৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে বেক্সিমকো লি. কোম্পানির  শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ দশমিক ৭৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১১৮ দশমিক ৭১ টাকা।

বেক্সিমকো ফার্মা: বেক্সিমকো ফার্মা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ২১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে বেক্সিমকো ফার্মা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ দশমিক ৭৬ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৬৮ দশমিক ০৩ টাকা।

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স: ইস্টার্ন ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে ইস্টানং ইন্সুরেন্স কোম্পানির কর পরবর্তী নিট লাভ হয়েছে ৭ কোটি ৫৬ লাখ ১০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৩২ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৯৯ টাকা।

কনফিডেন্স সিমেন্ট: কনফিডেন্স সিমেন্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ার হোল্ডারদের জন্য ২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ট দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কনফিডেন্স সিমেন্ট কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ দশমিক ২৯ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৯৯ দশমিক ৬০ টাকা।

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স: সোনার বাংলা ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে সোনার বাংলা ইন্সুরেন্স কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৭৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৯৫ টাকা।

প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স: প্যারামাউন্ট ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ০ দশমিক ৮২ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৩ দশমিক ১৯ টাকা দাঁড়িয়েছে।

স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স: স্টান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১ দশমিক ৯৬ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৪ দশমিক ৫৭ টাকা দাঁড়িয়েছে।

মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্স: মার্কেন্টাইল ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ১ দশমিক ৫৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু (এনএভি) ১৫ দশমিক ৯৮ টাকা দাঁড়িয়েছে।

রেনেটা: রেনেটা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৬০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড এবং ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ (স্টক ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এছাড়া কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ বন্ড ভায়া প্লেসমেন্টের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করার সিদ্ধন্ত নিয়েছে।

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সমাপ্ত অর্থবছরে কর পরবর্তী লাভ হয়েছে ১০৯ কোটি ৬ লাখ ৩০ হাজার, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪৮ দশমিক ১৪ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭৫ দশমিক ২১ টাকা।

রংপুর ফাউন্ড্রি: রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ২১ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী রংপুর ফাউন্ড্রি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৬০ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৭ দশমিক ৮৮ টাকা।

জি কিউ বলপেন: জি কিউ বলপেন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী জি কিউ বলপেন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৯ দশমিক ৯৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১২১ দশমিক ৮৮ টাকা।

রেকিট বেনকিজার: সমাপ্ত অর্থবছরে রেকিট বেনকিজার কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৮০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এর আগে ২০১১ সালে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের অন্তর্বর্তী ১২০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে। সুতরাং কোম্পানি সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের মোট ২০০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দিয়েছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ দশমিক ৩৭ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৫৯ দশমিক ৬১ টাকা।

বিজিআইসি: বিজিআইসি কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ নগদ এবং ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে বিজিআইসি কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৮১ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২১ দশমিক ২৬ টাকা।

ঢাকা ইন্স্যুরেন্স: ঢাকা ইন্স্যুরেন্স পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ২৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে ঢাকা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪ দশমিক ৩২ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৮ দশমিক ৯৮ টাকা।

সালভো কেমিক্যাল: সালভো কেমিক্যাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে সালভো কেমিক্যাল কোম্পানির কর পরবর্তী লাভ হয়েছে ২ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ০ দশমিক ৭৭ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৪২ টাকা।

আইএফআইসি ব্যাংক: আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড ও ২৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

এছাড়া কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের ৩:৪ রাইট শেয়ার দিয়ে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। অর্থাৎ শেয়ারহোল্ডাররা প্রতি ৪টি শেয়ারের পরিবর্তে ৩টি করে রাইট শেয়ার পাবেন। ১০ টাকা প্রিমিয়ামসহ প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ধরা হয়েছে ২০ টাকা। তবে এ প্রস্তাবটি শেয়ারহোল্ডার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসি কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে।

সমাপ্ত অর্থবছরে আইএফআইসি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২৪ দশমিক ১৫ টাকা।

মুন্নু স্টাফলারস: মুন্নু স্টাফলারস কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে মুন্নু স্টাফলারস কোম্পানির কর পরবর্তী লাভ হয়েছে ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ দশমিক ৬৮ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭১ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

সিএমসি কামাল: সিএমসি কামাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে সাড়ে ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে ঢাকা ইন্সুরেন্স কোম্পানির কর পরবর্তী আয় হয়েছে ৬ কোটি ৯ লাখ টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৪৮ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ২১ টাকা।

ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স: ফেডারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফেডারেল ইন্সুরেন্স কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ০৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১২ দশমিক ১৮ টাকা।

প্রভাতি ইন্স্যুরেন্স: প্রভাতি ইন্সুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১২ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রভাতি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ দশমিক ৬৩ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ১৫ দশমিক ৭৫ টাকা।

গোল্ডেন সন: সমাপ্ত অর্থবছরে গোল্ডেন সন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৬ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

সমাপ্ত অর্থবছরে গোল্ডেন সন কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ দশমিক ৮৬ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৩৪ টাকা।

এমবি ফার্মা: এমবি ফার্মা কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ৩০ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ড দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

সমাপ্ত অর্থবছরে এমবি ফার্মা কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ দশমিক ৮১ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২১ টাকা।

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স: ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য সমাপ্ত অর্থবছরে ১৫ শতাংশ ক্যাশ ডিভিডেন্ট এবং ৫ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছে।

সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ফিনিক্স ইন্সুরেন্স কোম্পানির কর পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ১০ কোটি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা, শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ দশমিক ২৭ টাকা এবং নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ৪০ টাকা।

আজিজ পাইপ: আজিজ পাইপ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে  শেয়ারহোল্ডারদের জন্য কোনও লভ্যাংশ (ডিভিডেন্ড) দেওয়ার সুপারিশ করেনি।

আজিজ পাইপস কোম্পানির সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী শেয়ারপ্রতি লোকসান (ইপিএস) হয়েছে ০ দশমিক ৯৯ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি নিট অ্যাসেট ভ্যালু দাঁড়িয়েছে মাইনাস ৪০ দশমিক ৮৮ টাকা।

Another downward week

Saturday, May 05, 2012 Unknown
ঢাকা : দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) গত সপ্তাহে নিম্নমুখী প্রবণতা দিয়ে পার করেছে। গত সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের দাম, মূল্যসূচক ও লেনদেন কমেছে।

গত সপ্তাহে মোট ৪ কার্যদিবস লেনদেন হয়। ১ মে মহান মে দিবস উপলক্ষে পুঁজিবাজারে লেনদেন হয়নি। সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর ২৭৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লেনদেন হয় ২৭৩টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৮টি, কমেছে ১৩৫টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ১০টির দাম। কোনো লেনদেন হয়নি ৫টি প্রতিষ্ঠানের।

এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছিল ৪৭টির, কমেছে ২২৭টির, অপরিবর্তিত ছিল ১টির এবং কোনো লেনদেন হয়নি ৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।

অন্যদিকে গত সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ সূচকও কমেছে সামান্য। প্রথম কার্যদিবস রোববার সাধারণ সূচক ছিল ৫ হাজার ১৬৩ পয়েন্টে। সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার সূচক কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ১৬১ পয়েন্টে। অর্থাৎ সপ্তাহ ব্যবধানে সূচক কমেছে মাত্র ২ দশমিক ২১ পয়েন্ট। সপ্তাহের সর্বোচ্চ সূচক ছিল তৃতীয় কার্যদিবস বুধবার ৫ হাজার ১৯৮ পয়েন্ট।

অন্যদিকে, গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন কমেছে ৫৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ। মোট লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৮১৪ কোটি ২৯ লাখ ৬১ হাজার ৩২৫ টাকা। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল ৩ হাজার ৮০৭ কোটি ৮৭ লাখ ৯৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহে ডিএসইর লেনদেন কমেছে ৫২ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে গত সপ্তাহে দৈনিক গড় লেনদেনও কমেছে। গত সপ্তাহে দৈনিক গড় দাঁড়ায় ৪৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৪০ হাজার ৩৩১ টাকা; যেখানে এর আগের সপ্তাহে গড় ছিল এক হাজার ৭৬১ কোটি ৫৭ লাখ ৫৯ হাজার ১০৮ টাকা। অর্থাৎ গত সপ্তাহে এর আগের সপ্তাহের চেয়ে গড় লেনদেন কমেছে ৪০ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

এছাড়া গত সপ্তাহে শেয়ার হাতবদলের পরিমাণও কমেছে। শেয়ার হাতবদলের পরিমাণ কমেছে ৪৫ দশমিক ৮৫ শতাংশ। গত সপ্তাহে মোট ৩০ কোটি ২৮ লাখ ৬২ হাজার ৩৫২টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। এর আগের সপ্তাহে যার পরিমাণ ছিল ৫৫ কোটি ৯৩ লাখ ১৪ হাজার ৭৩৭টি।

সাপ্তাহিক দাম বাড়ার ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- নর্দান জেনারেল ইন্স্যুরেন্স (৩০ দশমিক ৯১ শতাংশ দাম বৃদ্ধি), আরামিট (১১ দশমিক ২৭ শতাংশ), রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স (১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ), গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স (১০ দশমিক ১২ শতাংশ), সপ্তম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড (১০ শতাংশ), কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স (৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ), ওরিয়ন ইনফিউশন (৯ শতাংশ ৫১ শতাংশ), রূপালী ইন্স্যুরেন্স (৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ), গ্লাক্সো স্মিথক্লাইন (৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ) এবং কে অ্যান্ড কিউ (৮ দশমিক ৫১ শতাংশ)।

অন্যদিকে সপ্তাহ শেষে দাম কমার ভিত্তিতে ডিএসইর শীর্ষ কোম্পানিগুলো হলো, উত্তরা ফিন্যান্স (৩০ দশমিক ৬৪ শতাংশ দাম হ্রাস), পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স (২৬ দশমিক ৫৪ শতাংশ), রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড (২০ দশমিক ৮২ শতাংশ), যমুনা ব্যাংক (১৯ দশমিক ৭৪ শতাংশ), আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক (১৭ দশমিক ৯৩ শতাংশ), মবিল যমুনা বাংলাদেশ (১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ), স্কয়ার টেক্সটাইল (১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ), সাফকো স্পিনিং (১৩ দশমিক ১৭ শতাংশ), বিডি ফিন্যান্স (১১ দশমিক ৬৪ শতাংশ) এবং সালভো ক্যামিকেল (১১ দশমিক ১৫ শতাংশ)।

৩০ দশমিক ৯১ শতাংশ দাম বেড়ে নর্দান জেনারেল ইন্স্যুরেন্স রয়েছে শীর্ষ অবস্থানে। অন্যদিকে ৩০ দশমিক ৬৪ শতাংশ দাম কমে দাম কমার শীর্ষে রয়েছে উত্তরা ফিন্যান্স কোম্পানির শেয়ার।

Bay Leasing AGM on saturday

Saturday, May 05, 2012 Unknown
পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বে লিজিং অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের  বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

বে লিজিং কোম্পানির এজিএম শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় বসুন্ধরা কনভেনশন সেন্টার-২, ব্লক-সি, উম্মে কুলসুম রোড,বসুন্ধরা আর/এ বারিধারা, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।

কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে এর শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ এবং ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার সুপারিশ করেছে। এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ছিল গত ১১ এপ্রিল।

২০০৯ সালে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির কোম্পানিটির শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা ও মার্কেট লট ৫০০টিতে। এর মোট শেয়ারের মধ্যে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদে ৪১দশমিক ৯ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ২৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ, প্রবাসী বিনিয়োগকারীদের শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার।

OTC Market of DSE is only 1.5 crores

Saturday, May 05, 2012 Unknown
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওভার দ্য কাউন্টার (ওটিসি) মার্কেটে অচালাবস্থা কাটতে শুরু করেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) ওটিসি মার্কেটে লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ২৬ হাজার টাকা।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ওটিসি মার্কেটে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ৬৭০টি শেয়ার হাতবদল হয়ে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৬ হাজার ৫৮০ টাকা, ফেব্রুয়ারিতে ১৮ হাজার ২৮০ টি শেয়ার থেকে ৯৩ হাজার ৭৬০ টাকা, মার্চে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৬০০টি শেয়ার থেকে ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৬০০ টাকা এবং এপ্রিলে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৯২৫ টি শেয়ার থেকে ২০ লাখ ৬ হাজার টাকা লেনদেন হয়েছে।

অন্যদিকে ওটিসি মার্কেট নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এসইসির কমিটি গঠন করাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে যেসব কোম্পানির কোনো অস্তিত্ব নেই সেগুলোর ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার পাশাপাশি কাগজে শেয়ারগুলোকে ডিমেট করতে হবে। তাহলেই ওটিসি মার্কেটে ছন্দ ফিরে আসবে।

এ ব্যাপারে ডিএসইর প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, ‘প্রত্যেক কোম্পানি বাজারে থাকতে চায়। এতে বিনিয়োগকারীসহ কোম্পানি লাভবান হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমি আশা করবো প্রত্যেক কোম্পানি ডিমেট সম্পন্ন করে মূল মার্কেটে ফিরে আসুক। এমন কিছু করা উচিত হবে না যাতে বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হন। একটি কোম্পানি যখন বাজারে আসে, সবাই ভালো কোম্পানি মনে করে সেখানে বিনিয়োগ করে। তাই প্রত্যেক কোম্পানির উচিত ডিমেট প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মূল মার্কেটে ফিরে আসা।’

উল্লেখ, ২০০৯ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ডিএসইতে ওটিসি নামের বিকল্প মার্কেট চালু করা হয়। দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানিগুলোর স্থান হয় এ মার্কেটে। পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ৪ অক্টোবর এসইসি প্রথমে ‘জেড’ শ্রেণীভুক্ত ৫১টি কোম্পানিকে মূল বাজার থেকে তালিকাচ্যুত করে ওটিসি মার্কেটে পাঠায়। এরপর ২০১০ সালে দুই দফায় মোট ২৯ কোম্পানিকে ওটিসিতে পাঠানো হয়।

সব মিলিয়ে ওটিসিতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৮০টি। পরবর্তীতে বেসরকারি খাতের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (ইউসিবিএল) মামলা-সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ দেওয়ায় সেটি মূল বাজারে ফিরে আসে। এতে ওটিসি বাজারে কোম্পানির সংখ্যা দাঁড়ায় ৭৯টি। পরে আরও ১১ কোম্পানিকে মূল বাজারে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় এসইসি।

Bicon Farma :: PE Ration is 65

Saturday, May 05, 2012 Unknown
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ফার্মাসিটিক্যাল খাতের প্রতিষ্ঠান বিকন ফার্মার মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ৬৫। এমন অবস্থায় যে কোনো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিনিয়োগকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছেন পুঁজিবাজার বিশ্লেষকেরা।

বিশ্লেষকদের মতে, ১০ থেকে ২০ পিই রেশিও’র কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগকে অনেকটা ঝুঁকিমুক্ত। আর এর ওপরে গেলে ওই সকল প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে বিনিয়োগ করা ঝুঁকিমুক্ত নয়।

বিকন ফার্মার আর্থিক অবস্থা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ৫২ সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার ২০.৩০ টাকা থেকে ৪৯.৩০ টাকার মধ্যে উঠা-নামা করেছে। আর বর্তমান বাজারে শেয়ারটির দর ২৩.৫০ টাকায় অবস্থান করছে।

প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধন ২৩১ কোটি টাকা। আর অনুমোদিত মূলধন ২৫০ কোটি টাকা। আর ১০ টাকা অভিহিত মূলের ৫০০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট।

গত বছর প্রতিষ্ঠানটি ৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের। আর প্রতিষ্ঠানটির রিজার্ভ ফান্ডে রয়েছে ৩৭ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।

প্রাপ্ত সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে ২০০৭ ও ২০০৮ সালে ক্ষতিতে থাকার পর প্রতিষ্ঠানটি ২০০৯, ২০১০ ও ১১ সালে মুনাফা দেখিয়েছে। আর শেয়াপ্রতি আয় দশমিক ৫১ টাকা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ১২ দশমিক ২২ টাকা।

বি ক্যাটাগরির এ প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ২৭ দশমিক ২৭ শতাংশ শেয়ার। প্রতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ১৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ আর সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৫৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার।

ACI Limited share 388 crores in reserve Fund

Saturday, May 05, 2012 Unknown
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যাদের পরিশোধিত মূলধন কিংবা অনুমোদিত মূলধনের তুলনায় রিজার্ভ ফান্ডে থাকা অর্থের পরিমাণ বেশি। তেমনি এক প্রতিষ্ঠান এসিআই লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ’র (ডিএসই) তালিকাভুক্ত শীর্ষ-২০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকা এ প্রতিষ্ঠানটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা। আর রিজার্ভ ফান্ডে রয়েছে ৩৮৮ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

সাধারণ বিনিয়োগকারী ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মতে, এ ধরনের রিজার্ভ থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। এতে করে প্রতিষ্ঠানও কোনোভাবে লাভবান হচ্ছে না। সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও লাভবান হচ্ছে না। বছরের পর বছর কোম্পানির লাভের টাকা সাধারণ বিনিয়োগকারীদের না দিয়ে তা দিয়ে টাকার পাহাড় গড়া হচ্ছে। এর কোনো মানে নেই।

এ বিষয়ে সাউথ ইস্ট কেপিটাল সার্ভিসেস লিমিটেডের এভিপি আলমগীর হোসেন বাংলানিউজক বলেন, ‘প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের যে কোনো ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য রিজার্ভ মানি বা সম্পদ থাকা প্রয়োজন। কোম্পানির নিজের যে পরিমাণ সম্পদ বা পরিশোধিত মূলধন রয়েছে তার বেশি রিজার্ভ ফান্ডে রাখার কোনো প্রয়োজন নেই। মূলত কোনো ধরনের আইন না থাকার কারণে এ ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। দিনশেষে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা কাঙ্খিত লভ্যাংশ পাচ্ছেন না।

প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসিআই লিমিটেডের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৫০টি শেয়ারে একটি মার্কেট লট। গত ৫২ সপ্তাহে প্রতিষ্ঠানটির শেয়ার উঠা-নামা করেছে ১৫৮.৭০ টাকা থেকে ৩১৩ টাকার মধ্যে। সর্বশেষ কার্যদিবসে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৪৪.৩০ টাকা থেকে ২৪৮.৮০ টাকার মধ্যে।

২০১০ সালে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দেখানো হয়েছে ২২৩.০৪ টাকা। আর মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) দেখানো হচ্ছে ৫১২.২৯।

১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ‘এ’ ক্যাটাগরির এ প্রতিষ্ঠানটির মোট শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে ৩২.০৬ শতাংশ শেয়ার। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে ৩১.১৮ শতাংশ। আর প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা-পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৩৬.৭৬ শতাংশ শেয়ার।

১৯৯৭ সালে এসিআই লিমিটেডের একটি শেয়ারের বিপরীতে একটি অধিকার শেয়ার বা রাইট শেয়ার প্রদান করে প্রতিষ্ঠানটি।

Blog Archive