কারসাজির তথ্য ধ্বংস করে ফেলার আশঙ্কা

Friday, February 04, 2011 Unknown
ইলেকট্রনিক শেয়ার সংরক্ষণকারী একমাত্র কম্পানি সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অব বাংলাদেশ লিমিটেডে (সিডিবিএল) ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় বুধবার এবং গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তিতে (সেটেলমেন্ট) বড় ধরনের সমস্যা দেখা দেয় রাজধানীর পল্টন এলাকায় ঝুলন্ত তার অপসারণ কার্যক্রম চলাকালে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এদিকে সমস্যা দূর করার আগেই বৃহস্পতিবার সিডিবিএলের রাজধানীর তোপখানায় অবস্থিত মূল সংরক্ষণাগারে (ডিজাস্টার রিকভারি) সমস্যা সৃষ্টি হয় দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর দুপুর ২টার দিকে এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়েছে দুদিনের ঘটনায় শেয়ারবাজারে কারসাজির তথ্য ধ্বংস করে ফেলার আশঙ্কা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা
কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অটুমেটিক্যালি খবরগুলু পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে YES  করুন

স্বাভাবিক অবস্থায় শেয়ারবাজারের লেনদেন শেষ হওয়ার পর ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা নিষ্পত্তি করা হতো ইন্টারনেট সংযোগ না থাকায় বুধবার টেলিফোন ডায়াল আপ লাইনের মাধ্যমে কিছু কিছু ব্রোকারেজ হাউসের লেনদেন নিষ্পত্তি সম্ভব হয় কিন্তু অধিকাংশ হাউসই প্রক্রিয়ায় নিষ্পত্তির কাজ শেষ করতে পারেনি একপর্যায়ে দুই শতাধিক ব্রোকারেজ হাউসের প্রতিনিধিকে তাদের প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটার নিয়ে সরাসরি সিডিবিএলে আসতে হয় ওইদিন রাত ৮টায় সিডিবিএলের একটি সংযোগ টেলনেট চালু হয় বুধবার রাত ১১টায় সবকটি (চারটি) সংযোগ চালু হয় কিন্তু গতকাল সকালে আবারও সংযোগগুলো নষ্ট হয়ে যায় সময় সিডিবিএলের মূল সংরক্ষণাগারেও (ডিজাস্টার রিকভারি) সমস্যা সৃষ্টি হয় অবশ্য দুপুর ২টার দিকে টেলিনেটের সংযোগ পুনরায় চালু করা সম্ভব হয় সময়ের মধ্যে মূল সংরক্ষণাগারের সমস্যাও সমাধান করা হয় তবে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত বাকি থাকা তিনটি ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়নি বর্তমানে শেয়ারবাজারে লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়ায় লেনদেন নিষ্পত্তি করা সম্ভব হচ্ছে ইন্টারনেট সমস্যা সমাধানের আগেই লেনদেন বৃদ্ধি পেলে লেনদেন নিষ্পত্তিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে এতে দেশের শেয়ারবাজার বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়বে বলে খোদ সিডিবিএল কর্তৃপক্ষ মনে করছে
বিষয়ে সিডিবিএলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) শুভ্র কান্তি চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কারণে লেনদেন নিষ্পত্তিতে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে তবে লেনদেনের পরিমাণ কম হওয়ায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে অবশ্য আগামী দুদিন (শুক্র শনিবার) লেনদেন বন্ধ থাকায় বড় কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই এরই মধ্যে ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন
এদিকে ইন্টারনেট সমস্যার সুযোগ নিয়ে প্রযুক্তিগত বিপর্যয় ঘটিয়ে কারসাজির প্রমাণ ধ্বংস করা হতে পারে অনেকে আশঙ্কা করছেন শেয়ারবাজারে কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত হিসেবে বিনিয়োগকারীদের কাছে ব্যাপকভাবে আলোচিত একাধিক ব্যক্তি সিডিবিএলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হওয়ায় তাঁদের পক্ষে ধরনের বিপর্যয় ঘটনো অসম্ভব নয় বলে কোনো কোনো বাজারবিশ্লেষকরাও মনে করছেন ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বিকল্প পন্থায় লেনদেন নিষ্পত্তি করতে গিয়ে সিডিবিএলের তথ্যভাণ্ডার বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে বলে মনে করছেন তথ্য-প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন হাউস থেকে নিয়ে আসা কম্পিউটারের কোনো একটিতে ক্ষতিকর ভাইরাস থাকলে তা সিডিবিএলে সংরক্ষিত তথ্য ধ্বংস করে দিতে পারে এতে শেয়ারবাজারে কারসাজির প্রমাণ ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি লাখ লাখ বিনিয়োগকারীর বিও হিসাবের সব তথ্য নষ্ট হয়ে বড় ধরনের জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে
তবে ধরনের আশঙ্কাকে সম্পূর্ণ অমূলক আখ্যায়িত করে সিডিবিএলের প্রধান অর্থ কর্মকর্তা শুভ্র কান্তি চৌধুরী বলেন, 'সিডিবিএলে সংরক্ষিত কোনো তথ্য কারো পক্ষে ধ্বংস করা সম্ভব নয় সম্পূর্ণ গুজবের ওপর ভিত্তি করে কেউ কেউ ধরনের কথা বলে থাকতে পারেন'

Investors failed to regain their confidence in the country’s stock market that remained on a tailspin, belying all the rescue measures, as both the bourses saw fresh falls in price indices Thursday.

The general index of Dhaka Stock Exchange dived 183.81 points or 2.51 percent down to stand at 7125.33.

Out of 257 issues traded on the day, 231 declined and 22 gained and four remained unchanged. A total of 1,27,285 shares were traded throughout the day.

The market capitalization shrank by Tk 4,893 crore to Tk 314,617 crore for the steepest downturn after the recent crash that had beggared many small investors.

Chittagong stocks also marked a sharp fall Sunday, with the CSE Selective Categories Index climbing down to 13139.3 by shedding 320.38 points. Out of 195 issues traded on the day, 183 declined, 5 gained and seven remained unchanged.
 

আশার বাণী

Friday, February 04, 2011 Unknown
চট্টগ্রাম পুঁজিবাজারে গতকালও দরপতনের ধারা অব্যাহত ছিল সপ্তাহের অন্যদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারের নেতিবাচক চরিত্র আরো বেশি চোখে পড়েছে মাত্র পাঁচটি কম্পানির দরবৃদ্ধির বিপরীতে দরপতন হয়েছে ১৮৩টি কম্পানির শেয়ারের, যা মোট লেনদেনের ৯৪ শতাংশ শেয়ারবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতা এবং তারল্য সংকটের কারণেই পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়ানোর পরিবর্তে দিন দিন আরো তলানিতে ঠেকছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা
তবে পুঁজিবাজার বিশেষজ্ঞরা আগামী সপ্তাহে বাজারের তারল্য সংকট কিছুটা হলেও কাটবে বলে আশার বাণী শোনাচ্ছেন বিশেষ করে গত সপ্তাহে মবিল যমুনা লুব্রিকেন্টের (এমজেএল) ড্র হয়ে যাওয়ায় লটারিবঞ্চিতদের টাকা এই সপ্তাহের মধ্যে ফেরত আসবে টাকার এক-তৃতীয়াংশ আবারও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ হবে বলে আশা করছেন আইল্যান্ড সিকিউরিটিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ মহিউদ্দিন গতকাল কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, 'এমজেএল লটারি সম্পন্ন হওয়ায় সেখান থেকে প্রায় ১৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগকারীরা ফেরত পাবেন আগামী দুই সপ্তাহে এই টাকার অন্তত ৫০০ কোটি টাকাও যদি শেয়ারবাজারে আসে, তাহলে বাজার কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াবে একইভাবে এমআই সিমেন্টের ড্র দ্রুত নিষ্পন্ন করলে সেখান থেকেও প্রায় এক হাজার কোটি টাকা বঞ্চিত বিনিয়োগকারীরা ফিরে পাবেন তাই আগামী কিছুদিনের মধ্যে তারল্য সংকট কিছুটা হলেও কমবে বলে মনে হচ্ছে'এদিকে শেয়ারবাজার সম্পর্কে বিনিয়োগকারীদের নেতিবাচক মনোভাবের কারণেই সরকারের একাধিক সিদ্ধান্তের পরও বাজার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে না বলে মনে করছেন একাধিক পুঁজিবাজার বিশ্লেষক ইনভেস্টরস ফোরাম অব চিটাগংয়ের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান বলেন, 'ব্যাংকগুলো এবার ভালো ডিভিডেন্ট কিংবা রাইট শেয়ার দেবে না_এমন একটি কথা বাজারে বেশ প্রচার পেয়েছে এতে ব্যাংক খাতের মতো ভালো মৌলভিত্তির শেয়ার কিনতেও ভয় পাচ্ছেন বিনিয়োগকারীরা' তিনি বলেন, 'এত কিছুর পরও যেভাবে বাজার পড়ছে তাতে মনে হয় এক সময় বাজারে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী আর থাকবেই না এটা শেয়ারবাজারের জন্য কোনোভাবেই ভালো হবে না' গতকাল সিএসইতে ৯১ কোটি ৭৬ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত সপ্তাহের সর্বনিম্ন লেনদেন সময় সার্বিক সূচক কমেছে ৫১১ পয়েন্ট

Frequent changes of policies and non-professional handlings by the regulators have created the recent 'havoc' on the stockmarket, said a leading chamber yesterday.
Metropolitan Chamber of Commerce and Industry (MCCI) also said the debacle has tarnished the image of the government to some extent.
"The recent drop in the stockmarket index needs to be evaluated and analysed judiciously," said the oldest trade body in a submission at a meeting with Prime Minister Sheikh Hasina at her office.
The prime minister called upon the MCCI leaders to take initiatives to increase the purchasing capacity of the people for expanding local markets of their commodities.
"People of the country will not be able to buy commodities manufactured by the local industries if their purchasing power is not increased," Hasina said.
MCCI also demanded punishment to the responsible persons for the recent stock debacle, after a proper investigation.
The MCCI said: "Bangladesh should focus on improving governance and developing advanced market products."
The trade body's observation came at a time when the stockmarket is trying to recover from the last month's collapse, depending on the government stimulus measures.
The plunge made many small investors bankrupt.
MCCI referred to the 1996 stock crash and said this year's incident also tarnished the image of the government to some extent.
The trade body also praised some government initiatives, including construction of 33 power plants of 2,941 MW and upgrading of Dhaka Chittagong Highway into four-lane to establish regional connectivity.
"Bangladesh can become an Asian commercial hub through better land, air and sea connectivity. However, creating public opinion is needed for effective implementation of the agreements," it said.
MCCI, however, said: "The government cannot alone do this job, it needs cooperation from all other political parties and civil society."
"Once dubbed as a bottomless basket, Bangladesh is now poised to become a middle-income country by 2021," said MCCI but added that GDP would need to grow at an annual rate of at least 8 percent in the next 10 years.
The chamber urged the government to build public opinion for implementations of agreements for improved regional cooperation and connectivity, signing of Free Trade Agreements (FTA) with India, China and ASEAN, settle issues like market access with India.
The delegation, led by its newly elected President Amjad Khan Chowdhury, also wanted upgradation of capacity of standards institutions, appointment of bureaucrats in ministries with their specific field of specialisation, improvement in law and order situation, expansion of Open Market Sales points.
MCCI suggested the government avoid gas-based power plants due to their low conversion efficiency, and introduce cyclindered gas for households to reduce wastage.
The trade body urged the government to finalise the draft coal policy soon so that coal can be used to generate power.
"Relying on imported coal for our power generation will make our energy security dependent on foreign supply and the cost will be prohibitive," it said.
The MCCI praised the government initiative to build Padma Bridge but said a clear timeline for execution of different stages of this project is needed. To ensure effective utilisation of the bridge, it also suggested development of the Mongla Port.
The chamber said the public private partnership (PPP) model has a high potential to draw substantial investments.
It also called for a comprehensive PPP act.
"In our view, the complexity of the PPP mechanism demands that it be governed by a law rather than by executive guidelines," it added.

Blog Archive