(৮৯০) পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স

Tuesday, April 26, 2011 Unknown
পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স: ২০১০ সালের জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের ২৫ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী ৩০ মে সকাল ১১টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।

এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট আগামী ৯ মে। এ তারিখ পর্যন্ত যেসব বিনিয়োগকারীর কাছে এ কোম্পানির শেয়ার থাকবে তারাই লভ্যাংশ পাবেন।

সমাপ্ত অর্থবছরে পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৫৮ টাকা ৮২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬০ টাকা।

(৪৮৯) আইপিডিসি: ২০১০ সালের জন্য

Tuesday, April 26, 2011 Unknown
 ২০১০ সালের জন্য কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী ১৪ জুন সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর পুরনো এয়ারপোর্ট রোডের ট্রাস্ট মিলনায়তনে এ কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে।

এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৫ মে। এ তারিখ পর্যন্ত যেসব বিনিয়োগকারীর কাছে এ কোম্পানির শেয়ার থাকবে তারাই লভ্যাংশ পাবেন।

সমাপ্ত অর্থবছরে আইপিডিসির কর পরিশোধের পর নিট মুনাফা হয়েছে ১৩ কোটি ২৯ লাখ টাকা। এছাড়া শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৫ টাকা ৪১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ২২৯ টাকা ৫০ পয়সা।

(৪৮৮) গ্রামীণফোনঃ ৮ হাজার কোটি টাকার শেয়ারের মালিক নেই

Tuesday, April 26, 2011 Unknown
গ্রামীণফোনের আট হাজার কোটি টাকার শেয়ারের মালিক গ্রামীণ টেলিকম। তবে প্রতিষ্ঠানটির কোনো শেয়ারহোল্ডার নেই। ফলে এই বিপুল পরিমাণ সম্পদের যে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও সদ্ব্যবহার হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। গতকাল সোমবার অর্থমন্ত্রীর কাছে জমা দেওয়া রিভিউ কমিটির প্রতিবেদনে এ উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। গ্রামীণফোনের ওই শেয়ার প্লেসমেন্ট আকারে গ্রামীণ টেলিকমকে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, 'গ্রামীণফোনের ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতি শেয়ারের বাজারমূল্য গত ৩ এপ্রিল ছিল ১৭০ টাকা ৪০ পয়সা। গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃক গ্রামীণফোনের ধারণকৃত ৪৬ দশমিক ১৮ কোটি টাকার শেয়ারের বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। গ্রামীণ টেলিকম একটি গ্যারান্টি দ্বারা সীমাবদ্ধ কম্পানি, যার
কোনো শেয়ারধারক নেই। ফলে গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃক ধারণকৃত বিপুল পরিমাণ সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও সদ্ব্যবহারের নিশ্চয়তা পাওয়া যায় না।'
বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে কমিটির প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, 'গ্রামীণ টেলিকম কর্তৃক ধারণকৃত বিপুল পরিমাণ সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা ও সদ্ব্যবহারের লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানকে শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ কম্পানিতে রূপান্তর করে এর ইকুইটিতে গ্রামীণ ব্যাংকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এতে গ্রামীণ ব্যাংক গ্রামীণ টেলিকমের মালিকানা পাবে এবং গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্যরা সরাসরি গ্রামীণ টেলিকম থেকে প্রাপ্ত সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।'
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসই গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। প্রতিষ্ঠানটির আট পরিচালকের মধ্যে পাঁচজনই গ্রামীণ ব্যাংকের কর্মকর্তা। গ্রামীণ টেলিকমের ৫৩ কোটি ২৬ লাখ টাকা মূলধন তহবিল দিয়েছে গ্রামীণ কল্যাণ। গ্রামীণ কল্যাণের মূলধনও জোগান দিয়েছিল গ্রামীণ ব্যাংক।
গ্রামীণ টেলিকম সৃষ্টি করা হয়েছিল আইসিটি কার্যক্রম, গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং জীবনধারণের মান উন্নতকরণের উদ্দেশ্যে। তবে প্রতিষ্ঠানটি শুধু আইসিটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।





monetary measures to tame inflation suggested→ Mazharul Anwar khan The country’s overall inflation has reached a double-digit level in March this year due to hike of commodity prices in the local market and turmoil in the Middle East .

The overall point-to-point inflation has moved higher to 10.49 percent in the month compared to the same period of the previous year, according to the latest Consumer Price Index (CPI) report prepared by the Bangladesh Bureau of Statistics (BBS). The general food inflation in march 2011 increased to 13.87 percent. Earlier, the country experienced a double-digit inflation in July 2008, November and December in 1998 and July in 1995.

Economists opined that the rate of inflation has gone beyond control due to rise in prices of essential commodities, especially the food items and the fear of jump in fuel oil prices globally.

At the same time, disparity between monetary and revenue policies, price hike of fuel in international market and adverse impact of low remittance inflows increased the inflation rate, they opined. According to the BBS data, the country-wide point-to-point food inflation rate in March this year reached to 13.87 percent while the non-food inflation was 4.32 percentage points.

The inflation in the rural area has reached to 11.33 percent during the same month, 14.84 percentage points food inflation and 4.39 percentage points of non-food inflation.

The urban area has experienced 8.40 percentage points inflation in point-to-point basis, with 11.66 percentage food inflation and 4.13 percentage non-food inflation.

The BBS prepares inflation the statistics on monthly basis in line with the consumer price index (CPI), as the CPI is calculated for five hundred fixed commodities and services.

The CPI has been prepared considering 1995-96 as the base year.

In Bangladesh, some important commodities, especially the prices of rice play an important role in rising inflation rate.

Economics observe that income of middle and lower income people did not increase to keep pace with the higher inflation rate, which has resulted to economic hardship for them.

At the same time, the country failed to generate new employment opportunities to meet the growing demand for jobs, which has also lowered the purchasing capacity of the common people.

The high inflation rate has widened the discrimination between the rich and the poor, they opined.

Taking to daily sun, Dr Zaid Bakht, research director of BIDS said that the inflation rate has been showing a rising trend since last few months. The double-digit inflation is a matter of anxiety for the country’s economy, he said.

He, however, said that the inflation rate might come down after the boro harvesting.

The economy of the country has experienced double-digit inflation of 10.8 percentage points in July, 2008, 11.04 percentage points during November and 12.7 percentage points in December, 1998 and 11.4 percentage points in July, 1995.

The country-wide point-to-point inflation in February this year reached to 9.79 percent, with 12.77 percentage food inflation and 4.36 percentage points non-food inflation.

During the month, the rural inflation reached to 10.47 percentage points and urban inflation 8.09 percentage points. The overall inflation of January, however, was 9.04 percent points.

Taking to daily sun, World Bank senior economist Dr Zahid Hossain said that government should take some effective monetary measures to control money supply.

Dr Zahid said that stable international market, winter harvesting and proper management would help overcome the situation.

(৪৮৭) বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক

Tuesday, April 26, 2011 Unknown
বিশ্বব্যাংক ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণদান নীতির কড়া সমালোচনা করে ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ঋণদাতা সংস্থাগুলো কঠিন শর্ত আর উচ্চ সুদের বেড়াজালে অর্থনৈতিক শোষণ চালাচ্ছে। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, সংস্থা দুটি ঋণদানে শর্তের বেড়াজালে ফেলে বাংলাদেশের অর্থনীতির গতিকেও থমকে দিয়েছে।
গতকাল সোমবার বেসরকারি খাতের উন্নয়নে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ও কিস্টোন বিজনেস সাপোর্ট কম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় ব্যবসায়ীরা এ কথা বলেন। পরামর্শ সভায় ব্যবসায়ীরা ঋণদাতা সংস্থার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য জ্বালানি সংকট দূর করা, বাণিজ্য সহায়ক রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি ও সরকারি নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করাসহ বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষিত সুবিধাগুলো সহজেই দেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। সুদের হার কমানোর পাশাপাশি সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার জন্য এডিবির প্রতি আহ্বান জানিয়ে বক্তারা বলেন, এডিবি যখন কোনো প্রকল্প চালু করে তখন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি আমলাদের বাছাই করে ওই প্রকল্পের দায়িত্ব দেয়। ফলে প্রকল্পগুলোর আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আর শেষ হয় না। বিশ্বব্যাংক, এডিবি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগ করে না। তাদের সুদের বেড়াজালে পড়ে দেশের উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দেশের যোগাযোগ খাতের উন্নয়নে এদের তেমন কোনো ভূমিকা নেই। অবশ্য এডিবির কর্মকর্তারা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আলোচনায় বক্তারা কৃষিখাতের উন্নয়নের জন্য এডিবিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাড়ানোর সমালোচনা করে ডিসিসিআইয়ের সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেন, দেশের সব ব্যবসায়ী ঋণ খেলাপি নন। ব্যবসায়ীরা নতুন ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে চাইলেও উচ্চ সুদের কারণে তা বাধাগ্রস্ত হয়। ডিসিসিআই সভাপতি চায়না প্লাস ওয়ান স্ট্রাটেজি বাস্তবায়নের জন্য দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশ্বব্যাংকের ঋণদান নীতিমালার সমালোচনা করে নাসিরউদ্দিন ফেরদৌস এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সুদের হার কমিয়ে সহজ শর্তে ঋণ দেওয়ার আহ্বান জানান। এডিবির অর্থায়নে বেসরকারি খাতের মূল্যায়ন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে কিস্টোন বিজনেস সাপোর্ট। কিস্টোন লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. এম ফয়জুল কবির খান বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। মুক্ত আলোচনায় ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর, পরিচালক এম আবু হোরায়রা, সাবেক পরিচালক আর আই খান, এম এস সিদ্দিকী, শোয়েব চৌধুরী, উইমেন চেম্বারের সহসভাপতি সেলিনা কাদের, ড. হাকিম, ড. মোস্তাফিজুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

(৪৮৬) সব ব্যবসায়ীই ঋণখেলাপি নন

Tuesday, April 26, 2011 Unknown
পরের সংবাদ»
ঢাকা চেম্বারের সভাপতি আসিফ ইব্রাহীম বলেছেন, বাংলাদেশের সব ব্যবসায়ীই ঋণখেলাপি নন, যাঁরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে নিয়মিত পরিশোধ করেন। কিন্তু ব্যাংক ঋণের উচ্চ সুদের কারণেই অনেকে পুনর্বিনিয়োগ করতে পারছেন না।
আসিফ ইব্রাহীম বাংলাদেশের ৬০-৭০টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করে তাদের ৬-৭ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতি আহ্বান জানান। ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়নের স্বার্থে এ মুহূর্তে ব্যাংক ঋণের সুদের হার বাড়ানো যৌক্তিক হবে না বলে মন্তব্য করেন।
গতকাল সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং কিস্টোন বিজনেস সাপোর্ট কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে ‘বেসরকারি খাতের মূল্যায়ন সমীক্ষা’ শীর্ষক এক আলোচনায় ঢাকা চেম্বারের সভাপতি এসব কথা বলেন।
ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে আয়োজিত এ আলোচনায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক এম ফওজুল কবির খান। মুক্ত আলোচনায় ঢাকা চেম্বারের পরিচালক এম আবু হোরায়রা, সাবেক পরিচালক আর আই খান, এফসিএ, এম এস সিদ্দিকী, শোয়েব চৌধুরী, উইমেন চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিনা কাদের, মোস্তাফিজুর রহমান ও শহীদুল হাসান অংশ নেন।
মূল প্রবন্ধে এম ফওজুল কবির খান বলেন, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) দক্ষতার সঙ্গে কাজ করতে পারছে না। তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে পিপিপিকে সক্রিয় করার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
এডিবির সিনিয়র ফিনানশিয়াল সেক্টর অফিসার এম এম জিল্লুর রহমান বলেন, বেসরকারি খাত এবং বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে এডিবি।
ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহসভাপতি টি আই এম নূরুল কবীর বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষতা উন্নয়নে পিপিপির আওতায় এডিবিকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
আলোচনায় বক্তারা ঋণের সুদের হার ও কৃষি খাতের উন্নয়নের জন্য এডিবিকে এগিয়ে আসার এবং বিনিয়োগ-সহায়ক নীতিমালা প্রণয়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

(৪৮৫) আগামী বৃহস্পতিবার ঃঃঃ বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন

Monday, April 25, 2011 Unknown
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ ফান্ড গঠন হচ্ছে। এরমধ্যেই এই ফান্ড গঠনের সকল প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার সম্পন্ন হচ্ছে বাংলাদেশ ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া।

পুঁজিবাজারকে চাঙ্গা করার লক্ষ্যে ৫ হাজার কোটি টাকার বাংলাদেশ ফান্ডের দলিল ঢাকার সাব রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পূন্ন করবে।

আগামী বৃহস্পতিবার নিবন্ধনের কাগজপত্রসহ ওইদিনই সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (এসইসি) নির্ধারিত ১০ কোটি টাকা ফি জমা দেওয়া হবে।

ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশসহ (আইসিবি) উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে যৌথভাবে এ নিবন্ধন করা হবে।

এসব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলে উদ্যোক্তা অংশের দেড় হাজার কোটি টাকা নিয়ে বিনিয়োগ কার্যক্রম শুরু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ ফান্ডের প্রধান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান বলেন, ‘ফান্ড নিবন্ধনের জন্য এরইমধ্যে সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আগামী বৃহস্পতিবার আইসিবিতে উদ্যোক্তাদের উপস্থিতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। ওইদিনই নিবন্ধন ফিসহ সকল কাগজপত্র এসইসিতে জমা দেওয়া হবে। এসইসির কাছ থেকে নিবন্ধনের চূড়ান্ত সনদ পাওয়ার পরই পুঁজিবাজারে ফান্ডে কার্যক্রম শুরু হবে।’

গত ১৮ এপ্রিল এসইসি বাংলাদেশ ফান্ড নামে ৫ হাজার কোটি টাকার মেয়াদহীন মিউচ্যুয়াল ফান্ড অনুমোদন করে। তবে কমিশন সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন বিলম্বিত হওয়ায় গত সপ্তাহে লিখিত অনুমোদন পায়নি আইসিবি।

তবে গত রোববার এসইসির পক্ষ থেকে কোনো বিশেষ সুবিধা ছাড়া ফান্ড অনুমোদনের কথা জানানো হয়। বিশেষ সুবিধা না দেওয়ায় ফান্ডের প্রস্তাবটি সংশোধন করে পুনরায় এসইসিতে জমা দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। রোববারই আইসিবির পক্ষ থেকে সংশোধিত প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়।

এসইসির পক্ষ থেকে ফান্ডের ট্রাস্টি ও কাস্টডিয়ান হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড এবং সম্পদ ব্যবস্থাপক হিসেবে আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের অনুমোদনের বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ফলে ফান্ডের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে আর কোনো বাধা নেই।

সূত্র জানায়, আইসিবির পক্ষ থেকে এরইমধ্যে ঢাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে যোগাযোগ করে আগামী বৃহস্পতিবার ফান্ড নিবন্ধনের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। আইসিবিতে অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে সকল উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত থাকবেন।

next button

Monday, April 25, 2011 Unknown

(৪৮৪) বিজ্ঞপ্তি

Monday, April 25, 2011 Unknown

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের ৭৫০০০ শেয়ার বিক্রি হবে

ইউনাইটেড এয়ারওয়েজের একজন উদ্যোক্তা শাহিনুর আলম জানিয়েছেন, তাঁর কাছে থাকা প্রতিষ্ঠানটির ১৫ লাখ ৭৫ হাজার শেয়ারের মধ্য থেকে ৭৫ হাজার শেয়ার আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিক্রি করতে ইচ্ছুক।

ইমাম বাটনের ১৩০০০ শেয়ার বিক্রি হবে

ইমাম বাটনের একজন উদ্যোক্তা আলী ইমাম জানিয়েছেন, তাঁর কাছে থাকা প্রতিষ্ঠানটির ১৬ হাজার ৫০০ শেয়ারের মধ্য থেকে ১৩ হাজার শেয়ার আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে বিক্রি করতে ইচ্ছুক।
 
 
 Investors again took to the street and staged a demonstration at business-district Motijheel Monday in a protest against a recurrent freefall of share prices that pulled down the Dhaka Stock Exchange general index over 212 points.

At the close of day’s trading, DSE General Index, the benchmark of the country’s premier bourse, plunged by 212 points or 3.49 percent to 5863.

Of the traded issues, 237 declined, 11 advanced and three remained unchanged.

The angry investors went berserk at about 12:30pm as the General Price Index of DSE climbed down 138 points. 

“They also chanted anti-government slogans,” says a spot report of the melee in the country’s business heartland.

The agitation disrupted traffic through the capital’s main transport route, but the law enforcers dispersed them at 12:45pm.

Chittagong stocks also marked a sharp fall Monday, with the CSE Selective Categories Index climbing down to 10576 by dropping 403 points, or 3.67 percent.

Out of the issues traded on the day, 190 declined, six gained and one remained unchanged.

Both the bourses started witnessing significant falls further after a pause following the recent market crash.

Incidentally, the downturn of the share market came at a time when the scam and the disclosure of the names mentioned in the probe report remained hot talk of the town

(৪৮৩) বাজার আবার এমন হবার একটি কারন

Monday, April 25, 2011 Unknown
খন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করার পর বাজার আবার স্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু ইব্রাহিম খালেদ যখন অর্থমন্ত্রীকে তার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলেন। তখনই দেখা দিল বিপত্তি।

অর্থমন্ত্রীর তদন্ত রিপোর্ট কাটছাঁট করে প্রকাশ করার কথা, কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে তদন্ত রিপোর্টের অভিযুক্তদের নাম প্রকাশ করা, পাঁচ হাজার কোটি টাকা ফান্ড গঠনের অনুমোদনসহ নানা ইস্যুতে সম্প্রতি অস্থির হতে থাকে পুঁজিবাজার।


 Investors again took to the street and staged a demonstration at business-district Motijheel Monday in a protest against a recurrent freefall of share prices that pulled down the Dhaka Stock Exchange general index over 212 points.

At the close of day’s trading, DSE General Index, the benchmark of the country’s premier bourse, plunged by 212 points or 3.49 percent to 5863.

Of the traded issues, 237 declined, 11 advanced and three remained unchanged.

The angry investors went berserk at about 12:30pm as the General Price Index of DSE climbed down 138 points. 

“They also chanted anti-government slogans,” says a spot report of the melee in the country’s business heartland.

The agitation disrupted traffic through the capital’s main transport route, but the law enforcers dispersed them at 12:45pm.

Chittagong stocks also marked a sharp fall Monday, with the CSE Selective Categories Index climbing down to 10576 by dropping 403 points, or 3.67 percent.

Out of the issues traded on the day, 190 declined, six gained and one remained unchanged.

Both the bourses started witnessing significant falls further after a pause following the recent market crash.

Incidentally, the downturn of the share market came at a time when the scam and the disclosure of the names mentioned in the probe report remained hot talk of the town.        

(৪৮২) আহাজারি -২ :: মাননিয় প্রধানমন্ত্রী আপনি কি শুনতে পান?

Monday, April 25, 2011 Unknown
সিআইএফ সিকিউরিটিজের বিনিয়োগকারী মফিজুর রহমান রিপন বলেন,  ‘দুই বছর আগে ২০০৯ সালে ১৬ লাখ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করি। গত নভেম্বরে ওই টাকা আমার ৫১ লাখ টাকায় গিয়ে দাঁড়ায়। এরপর বাজারে ধস নামলে পুঁজিতেও ধস নামে। বর্তমানে আমার পোর্টফোলিওতে মাত্র ৩ লাখ টাকা রয়েছে। এ অবস্থা দীর্ঘমেয়াদী হলে একসময় পুঁজিবাজারকে জাতীয় যাদুঘরে দেখতে যেতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়বে বেকারের সংখ্যা।’

সরকারই পারে এ বাজারে হস্তক্ষেপ করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনতে। তিনি বলেন, এ বাজার থেকে প্রায় দশ লাখ বিনিয়োগকারী মুনাফা নিয়ে সংসার চালান। যদি বাজারে এ অবস্থা থাকে তবে এ পরিবারগুলোর কী অবস্থা হবে!

অ্যারেনা সিকিউরিটিজের আবুল কাশেম, ইবিএল সিকি. হুমায়ুন ফরিদসহ আরো অনেকের একই অবস্থা।

প্রসঙ্গত, খন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করার পর বাজার আবার স্থিতিশীলতার দিকে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছিল। কিন্তু ইব্রাহিম খালেদ যখন অর্থমন্ত্রীকে তার তদন্ত রিপোর্ট জমা দিলেন। তখনই দেখা দিল বিপত্তি।

Investors again took to the street and staged a demonstration at business-district Motijheel Monday in a protest against a recurrent freefall of share prices that pulled down the Dhaka Stock Exchange general index over 212 points.

At the close of day’s trading, DSE General Index, the benchmark of the country’s premier bourse, plunged by 212 points or 3.49 percent to 5863.

Of the traded issues, 237 declined, 11 advanced and three remained unchanged.

The angry investors went berserk at about 12:30pm as the General Price Index of DSE climbed down 138 points. 

“They also chanted anti-government slogans,” says a spot report of the melee in the country’s business heartland.

The agitation disrupted traffic through the capital’s main transport route, but the law enforcers dispersed them at 12:45pm.

Chittagong stocks also marked a sharp fall Monday, with the CSE Selective Categories Index climbing down to 10576 by dropping 403 points, or 3.67 percent.

Out of the issues traded on the day, 190 declined, six gained and one remained unchanged.

Both the bourses started witnessing significant falls further after a pause following the recent market crash.

Incidentally, the downturn of the share market came at a time when the scam and the disclosure of the names mentioned in the probe report remained hot talk of the town.        

Blog Archive