কাল ইজিএম- EGM TOMORROW IN DSE
আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে স্থগিত হয়ে যাওয়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে। ডিএসইর পরিচালনা পর্ষদের সভায় গতকাল বৃহস্পতিবার এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে ডিএসইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে স্থগিত ইজিএমটি অনুষ্ঠিত হবে। সভার আলোচ্যসূচিতে কোনো ধরনের পরিবর্তন হবে না বলেও ডিএসই জানিয়েছে। অর্থাৎ, এই ইজিএমে স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক্করণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) অনুমোদিত কর্মসূচি, সংশোধিত সংঘস্মারক ও সংঘবিধি এবং প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকা বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হবে। ডিএসই গত ২৯ অক্টোবর ইজিএমের আয়োজন করেছিল। তাতে ডিমিউচুয়ালাইজেশন বাস্তবায়নের বড় ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে শেষ মুহূর্তে এসে ইজিএমটি স্থগিত হয়ে যায়। ডিএসইর সাবেক সভাপতি আহমেদ ইকবাল হাসানের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ইজিএমের ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। এরপর ৩০ অক্টোবর আবেদনকারী নিজেই নিষেধাজ্ঞার আবেদনটি প্রত্যাহার করে নেন। নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাহারের ফলে নতুন করে ইজিএমের তারিখ নির্ধারণ করে ডিএসই। এদিকে ডিএসই-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শেষ মুহূর্তে এসে ২৯ অক্টোবরের ইজিএমটি স্থগিত হলেও এ জন্য প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। ক্ষতির এই দায় মেনে নিয়ে আবারও একই স্থানে নতুন করে ইজিএমের আয়োজন করা হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি: সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে গতকাল দেশের দুই স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যসূচক বাড়লেও লেনদেন আগের দিনের চেয়ে কমেছে। এদিন লেনদেন হওয়া বেশির ভাগ শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের দাম কমলেও মৌলভিত্তিসম্পন্ন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধিই মূল্যসূচককে ঊর্ধ্বমুখী রেখেছে। প্রধান শেয়ারবাজার ডিএসইর সাধারণ সূচক এদিন ২২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে। ডিএসইতে এদিন ২৮৪টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে আগের দিনের তুলনায় দাম কমেছে ১৭২টির, বেড়েছে ৮৮টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২৪টির। দিন শেষে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩৫২ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৩২ কোটি টাকা কম। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ২৪৫ পয়েন্ট। সিএসইতে এদিন ২০৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। এর মধ্যে আগের দিনের চেয়ে দাম বেড়েছে ৯৩টির, কমেছে ৯২টির আর অপরিবর্তিত ছিল ২০টির। দিন শেষে চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩১ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে পাঁচ কোটি টাকা কম।
নতুন ইজিএম ডিএসই-তে - DSE is planning to stard new EGM
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) ওপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে করা আবেদনটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল বুধবার আবেদনকারী নিজেই সেটি প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে ইজিএম অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা রইল না। আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে গত মঙ্গলবার সব আয়োজন সম্পন্ন হওয়ার পরও ইজিএমটি বাতিল হয়। ওই ইজিএমে স্টক এক্সচেঞ্জের মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথক্করণের (ডিমিউচুয়ালাইজেশন) অনুমোদিত কর্মসূচি বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণের কথা ছিল। এর পরদিনই আদালতে করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন ডিএসইর সাবেক সভাপতি আহমেদ ইকবাল হাসান। জানতে চাইলে আহমেদ ইকবাল হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি মোটেই ডিমিউচুয়ালাইজেশনের বিরুদ্ধে নই। আমিও চাই সুচারুভাবে এটি সম্পন্ন হোক। আদালতে আমি যে আবেদন করেছিলাম, সেটি ডিমিউচুয়ালাইজেশনের বিরুদ্ধে ছিল না। কোম্পানি আইনের কিছু অসংগতি তুলে ধরে আমি এই আবেদন করেছিলাম। এর মাধ্যমে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পরিপূর্ণ সুশাসন নিশ্চিত করায় ছিল আমার প্রত্যাশা। ডিমিউচুয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া যাতে বাধাগ্রস্ত না হয়, সে জন্য এবং ডিএসইর এক পরিচালকের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত আমি আবেদনটি প্রত্যাহার করেছি।’ যোগাযোগ করা হলে আবেদনকারীর আইনজীবী আহসানুল করিম প্রথম আলোকে বলেন নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাহারের বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেলের অফিসকে অবহিত করা হয়েছে। এটি প্রত্যাহারের ফলে এখন ইজিএম অনুষ্ঠানে আর কোনো বাধা নেই। এদিকে আদালতের নিষেধাজ্ঞাসংক্রান্ত আবেদনটি প্রত্যাহার হওয়ায় এখন দ্রুততম সময়ে আবারও নতুন করে ইজিএম অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ডিএসই। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএসইর সভাপতি আহসানুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাহারের পর এখন আইনজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নতুন করে ইজিএম অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ডিএসইর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞার আবেদন প্রত্যাহারসংক্রান্ত কোনো চিঠি এখনো তাঁদের হাতে পৌঁছায়নি। এই অবস্থায় ইজিএমের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণের জন্য আজ বৃহস্পতিবার পরিচালনা পর্ষদের এক সভা আহ্বান করা হয়েছে। সভায় ইজিএমের পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হতে পারে। আইন অনুযায়ী, ডিমিউচুয়ালাইজেশন কর্মসূচি অনুমোদনপ্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে ইজিএম অনুষ্ঠানের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ের মধ্যে প্রাথমিক শেয়ারধারীদের মধ্যে ৪০ শতাংশ শেয়ার বণ্টন, ব্লক হিসাবে ৬০ শতাংশ শেয়ার সংরক্ষণ এবং স্টক এক্সচেঞ্জের বর্তমান সদস্যদের মধ্যে লেনদেনের নিবন্ধন সনদ বা ট্রেক বণ্টন করতে হবে। ডিএসই জানিয়েছে, আইনে নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা গতকাল শেষ হয়েছে। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এই ইজিএম সম্পন্ন করা গেল না। প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি: মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলের বলরুমে ইজিএমের আয়োজন করেছিল ডিএসই। ইজিএম শেষে সদস্যদের নিয়ে আলাদা একটি সম্মেলনও হওয়ার কথা ছিল। ওই সম্মেলনে সদস্যদের মধ্যে লেনদেনের নিবন্ধন সনদ, শেয়ারের বরাদ্দপত্র এবং ৬০ শতাংশ শেয়ার ব্লক হিসেবে সংরক্ষণের বিষয়ে প্রত্যেক সদস্যকে একটি করে নিশ্চয়তাপত্রও দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এ লক্ষ্যে সব আয়োজন চূড়ান্তও করা হয়। সেই সঙ্গে সদস্যদের রাতের খাবারেরও আয়োজন করা হয়। ডিএসইর সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, এই পুরো আয়োজনে প্রায় ২৫ লাখ টাকা খরচ হয়। ডিএসইর তহবিল থেকেই এই অর্থের সংস্থান করা হয়েছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ইজিএম অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এই অর্থের বড় অংশই ‘অপব্যবহার’ হলো।
জেনে নিতে পারবেন আপনার প্রেম টিকবে কি না...
ফেসবুকে এবার দারুণ এক প্রযুক্তি যোগ করতে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এখানে বসে আপনি কার সাথে প্রেম করছেন তার পরিচয় ঠিক ঠিক জানিয়ে দেবে এমন একটি ফেসবুক অ্যালগরিদম তৈরি করেছেন তারা। শুধু তাই নয়, আপনাদের দুজনের সম্পর্কে ভাঙনের লক্ষণ দেখা দিলেও এই প্রযুক্তির কল্যাণে তাও জানতে পারবেন আপনি। কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রফেসরের সঙ্গে ফেসবুকের এক প্রকৌশলী জোট বেঁধে নতুন ধরনের মেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এই অ্যালগরিদম পদ্ধিতিটি গঠন করেছেন। এটি ফেসবুক ফ্রেন্ডদের এবং সবার বন্ধুদের তালিকার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে উপাত্ত সংগ্রহ করে। তারা ইতিমধ্যে ১ দশমিক ৩ মিলিয়ন ফেসবুক ব্যবহারকারীদের মধ্য থেকে বড় সংখ্যার তথ্য সংগ্রহ করে পরীক্ষা চালিয়েছেন। দেখা গেছে, ৬০ ভাগ ব্যবহারকারীরা কার সাথে ডেটিং করছেন তার সঠিক হদিস বের করতে পেরেছে এই প্রযুক্তি। দীর্ঘ সম্পর্কের ক্ষেত্রে লগারিদমের বিক্ষেপণ সাম্যাবস্থায় ছিল। আবার প্রায় ৫০ শতাংশ জুটির সম্পর্ক পরবর্তি দু'মাসের মধ্যে ভেঙে গেছে। এরা যে ডেটিং করছেন তা ধরাই পড়েনি অ্যালগরিদমে। এ দুই গবেষক জানান, একজনের সাথে অপরজনের মধ্যে এ বন্ধুত্ব নিরুপণ করা হয়েছে মূলত একে অপরের প্রোফাইল কতোবার দেখেছেন, একই ইভেন্টে একযোগে অংশ নিয়েছেন এবং মেসেজ পাঠিয়েছেন ইত্যাদির ওপর ভিত্তি করে। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/info-tech/2013/10/30/16561#sthash.q1nJCYMF.dpuf
তরুণী ম্যাডোনার নগ্ন ছবি- Naked Medona
এবার নিলামে উঠতে যাচ্ছে তরুণী ম্যাডোনার নগ্ন ছবি। সেই ১৯৭৭ সালে এই হলিউড তারকার কিছু ছবি তোলা হয়েছিল যেখানে ম্যাডোনাকে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়। ওই বছরই তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছিলেন নিজের ক্যারিয়ার গড়তে। গোটা কয়েক এমন ছবি আগামী ৮ নভেম্বর অনলাইনে নিলামে উঠবে বলে জানায় দ্য ডেইলি স্টার অনলাইন। মোটা অঙ্কে এই ছবিগুলো বিক্রি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ম্যাডোনা তখনো তারকা খ্যাতি পাননি। পেন্টহাউজ ম্যাগাজিনের প্রতিষ্ঠাতা বব গুচিয়নি এ ছবিগুলো তুলেছিলেন। ১৯৮৭-তে এ ছবিগুলো ম্যাগাজিনে প্রকাশও করা হয়েছিল। ওই ফটোসেশনে প্রতি ঘণ্টায় ম্যাডোনার উপার্জন ছিল মাত্র ১০ ডলার। গুচিয়নির মৃত্যুর পর উত্তরসূরী জেরেমি ফ্রোমার এ ছবিগুলো তার সংগ্রহে রেখেছিলেন।
আপনার বয় ফ্রেন্ড এই কথাগুলো গোপন রাখবে-What things Boy Friend dont tell you
মেয়েদের কিছু টিপস দেওয়া যাক। প্রেমিক বা স্বামীর সঙ্গে আপনার সম্পর্কের গভীরতা বাধাহীন। দুজন দুজনকে চেনেন নিজের হাতের তালুর মতো। জীবনের যাবতীয় বিষয়ে কারো কোনো রাখঢাক নেই। তবুও জেনে রাখুন, মনোবিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছেন, ৫টি বিষয়ে আপনার জীবনসঙ্গী টু-শব্দটি পর্যন্ত উচ্চারণ করবেন না। অথচ এসব নিয়ে তার মনে প্রাণে ঝড় বয়ে যাবে। তাই আপনার নিজেকেই এগুলো বুঝে নিতে হবে। ১. বন্ধুদের পছন্দ করা যাবে, কিন্তু ভালবাসা যাবে না: একটি মেয়ে তার বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করছে- এমনটা তার প্রেমিক মেনে নিতে পারেন। তাই বলে আপনি সারাদিন তাদের নিয়েই মেতে আছেন তা কিন্তু তিনি মেনে নেবেন না কখনো। একইসাথে এই অপছন্দের কথাটিও আপনাকে জানতে দেবেন না। কাজেই নিজের চর্কায় তেল দিয়ে বুঝে নিন। ২. তার প্রতি তুমি অতিমাত্রায় আসক্ত: সালমানের মোহনীয় ফিগার দেখে বা টম ক্রুজ হাসিতে বিমোহিত হয়ে পড়েন আপনি। কারো ফ্যান হতেই পারেন। কিন্তু এসব নিয়ে মাত্রাতিরিক্ত এবং দৃষ্টিকটু মাতামাতি আপনার সঙ্গীর মোটেই ভাল লাগবে না। ঠিক যেমন হাজবেন্ড বা বয়ফ্রেন্ড ক্যাটরিনা কায়েফ বা অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ম্যাগাজিন কাভারের দিকে মুগ্ধ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকলে আপনার গায়ে জ্বালা ধরে যাবে। ৩. আরো ভাল কাউকে খুঁজে পেয়েছ কি?: মনের এ ভাব আপনার কাছে কখনোই প্রকাশ করবেন না তিনি। কিন্তু তার মনে এমন শঙ্কা সবসময় থাকবে যে, আপনি তার চেয়ে ভাল এবং যোগ্য কাউকে হয়তো খুঁজে পেয়েছেন। এ দুশ্চিন্তা আপনার মধ্যেও কাজ করবে। ৪. আলিঙ্গনে যৌন অনুভূতি নাও থাকতে পারে: শুধু মেয়েরাই তার ভালবাসার মানুষের আলিঙ্গনে থাকতে পছন্দ করেন না, ছেলেরাও তার প্রেমিকা বা সঙ্গিনীকে জড়িয়ে ধরে একটু প্রশান্তি খুঁজে নিতে ভালবাসেন। আপনাকে আবেগে জড়িয়ে ধরা মানে এই নয় যে, সে আপনাকে বিছানায় পেতে চাইছে। আবার তার অন্তরে যে কোনো দুষ্টুমি নেই এমনও নয়। এসব বিষয়ে কিছু ভিন্ন ও বৈচিত্রময় চাহিদা থাকতেই পারে যা প্রকাশযোগ্য নয়। ৫. জানতে চেয়ো না আমরা বন্ধুরা কী করি: আপনার প্রাণের সঙ্গীটি তার বন্ধুদের সাথে কী করেন বা কোথায় যান তার বিস্তারিত বর্ণনা আপনাকে দেবেন, তা ভুলেও আশা করবেন না। জিজ্ঞাসা করলেও তিনি এড়িয়ে যাবেন। কাজেই এসব মেনে নেওয়াই ভাল। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2013/10/29/16241#sthash.x1xOsCmp.dpuf
আপনার বয় ফ্রেন্ডকে এই কথাগুলো বলেছেন কি ? Did you say your boy friend this thing yet?
নারী-পুরুষ সম্পর্কের সবচেয়ে বাজে বিষয়টি কী জানেন? যেকোনো বিষয়ে মেয়েটির মৌনতা। ভালবাসার মানুষটির সঙ্গে সঠিক কথা বলাটা সময় ও বিষয়ের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক এবং শৈল্পিক হওয়া চাই। এটি মেয়েদের জন্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন গবেষকরা। এখানে মেয়েদের ১৬টি কথা বা বাক্যের একটি তালিকা দেওয়া হচ্ছে। কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে একটি ছেলেকে এই কথাগুলো বলা বাঞ্ছনীয়। বিশেষজ্ঞরা অভিভাবকদেরও পরামর্শ দিয়েছেন, তারা যেনো তাদের মেয়েকে এ সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। ১. থামো: বেশিরভাগ সম্পর্কে সেক্সুয়াল বিষয়ে 'থামো' শব্দটা মেয়েদের অহরহ বলতে হয়। এসব পরিস্থিতিতে প্রেমিককে সরাসরি না বলার সাধ্যই বলে দেয়, তার সাথে আপনি একাজ করতে বাধ্য নন বা এ কাজের সময় এখনো হয়নি বলে আপনি মনে করেন। আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, দৈহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি জড়াতে চান কি-না। ২. প্রতিজ্ঞা করো: সন্দেহজনক, অঙ্গীকারবদ্ধ নয় অথবা সুসময়ের বন্ধুর মতো কারো সাথে যেকোনো বিষয়ে ঐক্যমতে পৌছানোর আগে অবশ্যই তাকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ করিয়ে নিন। প্রেমিকের শপথ বা অঙ্গীকার ছাড়া তার সাথে জড়িয়ে মূলত আপনি নিজেই নিজের বড় শত্রু বনে গেলেন। ৩. আমি এখন চলে যাব: আপনাকে স্পর্শ করার অনুমতি প্রেমিককে এখনও আপনি দেননি। অথবা তার সাথে এখন আপনি সেক্স করতে আগ্রহী নন। ডেটিংয়ের সময় ছেলেটি তা করতে চাইলে তাকে পরিষ্কারভাবে বলুন, এমন করলে আপনি এখনই চলে যাবেন। সে আপনার হাতে-পায়ে ধরলেও আপনাকে স্পষ্টবাদী থাকতে হবে। শিখতে হবে এসব মুহূর্তে কিভাবে নিজের ব্যক্তিত্ব ধরে রাখতে হয় এবং কোনো আপোষে না গিয়ে সেখান থেকে বের হয়ে আসতে হয়। ৪. তুমি আমার অনুভূতিতে আঘাত করেছ: তার আচরণে কষ্ট পেলে বা হতাশ হলে তা প্রকাশ করে দিন। এরকম ছোটখাট বোঝাপড়ায় খোলামেলা যোগাযোগের সাথে সাথে সুস্থ-সবল সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একে অপরের দ্বারা আঘাত পেতেই পারেন। এ সম্পর্কে তাকে সতর্ক করে দেয়া ভাল, নয়তো সীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা রয়েছে। ৫. আমি এভাবেই চিন্তা করি: আমাদের সবার জীবনেই নানা বিষয়ে নানা কষ্ট রয়েছে। আপন মানুষটির কাছ থেকে যেন আবার যন্ত্রণা পোহাতে না হয়, সেজন্য তার সাথে এগুলো ভাগাভাগি করে নিন। জীবনে কোন কষ্টগুলো আপনি তার কাছ থেকে আশা করেন না, তা স্পষ্ট করুন। জীবনে তাকে ধীরে ধীরে প্রবেশ করতে দিন এবং তার ওপর বিশ্বাস স্থাপন করুন। ৬. না: ছেলেটি চায় আপনাকে নিয়ে তার বাসায় যেতে। সে যখন-তখন আপনার শরীরের হাত দেয়। বন্ধুদের মাঝে আপনাকে নিয়ে বোকার মতো কৌতুক করে বসে। এসব ঘটামাত্রই তাকে 'না' বলতে শিখুন। নিজের জন্যে তাকে রুখে দিন। তাকে ক্ষমা করবেন না এবং চুপও থাকবেন না। ৭. আমি এটা চাই: সে নিশ্চয় আপনার মনের গোপন কথাটি পড়তে পারবেন না। কাজেই তার কাছ থেকে কী আশা করেন, তা জানিয়ে দিন। আপনার কোন জিনিসটি কিভাবে চান, সে সম্পর্কে তার ধারণা থাকা জরুরি। ৮. আমি তোমার সাথে জীবন কাটাতে চাই: ভালবেসে তাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পেতে চাইছেন- মনের এ ভাব ছেলেটির কাছে উন্মুক্ত করুন। ৯. যা প্রয়োজন তোমার তা আছে: আপনার সঙ্গী তার সবকিছু দিয়ে সংগ্রাম করছেন জীবনে কিছু করার জন্য। কোনো স্বপ্ন পূরণে বা পেশাগত জীবনে ব্যর্থতার দায়ভার নিয়ে তাকে নানা কটুক্তি শুনতে হতে পারে। তার যন্ত্রণাক্লিষ্ট চোখে চোখ রেখে বলুন, সফল হতে যা প্রয়োজন তা তোমার আছে। আর তার ওপর আপনার পুরোপুরি বিশ্বাস রয়েছে। ১০. এটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ: যেকোনো বিষয় হতে পারে, আপনার ক্যারিয়ার বা বিশ্বাস বা সন্তান ইত্যাদি। প্রিয় মানুষটিকে জানাতে হবে যে, আপনার কাছে কোন ব্যাপারটি মূল্যবান। অথবা আপনার কী বা কেমন, লুকোচুরির কিছু নেই। আপনি আসলে যা, তা মেনে নিয়েই যে সম্পর্ক গড়ে উঠবে তার চেয়ে চমৎকার সম্পর্ক অন্য কিছুতে আসতে পারে না। ১১. আমার সাথে যোগাযোগ করো না: আপনাকে ভীতি নিয়ে জীবন কাটাতে হবে না। অথবা তার পরের মেসেজটি নিয়ে আবার অশান্তিতে ভুগতে হবে না। কাজেই বলে দিন, সে যেনো আর যোগাযোগ না করে। অন্তত কিছু সময় আপনি শান্তিতে শ্বাস নিতে চান, মনের শান্তি ফিরিয়ে আনতে চান। ১২. এ ব্যবহার সহ্য করা যায় না: আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানবোধের মাত্রা ঠিক করুন। ঝগড়া-বিবাদ হতে পার। ঘটতে পারে সম্পর্কের চরম অবনতি। কিন্তু যতো বাজে পরিস্থিতিই আসুক, পরস্পরের প্রতি সম্মানহানির পর্যায়টি যেনো সীমা অতিক্রম না করে। তার কোন ব্যবহার আপনার ধৈর্য ও সহ্যের বাইরে তা বুঝিয়ে দিন। ১৩. এ ছবিটি আমি পাঠাতে চাই না: আপনার বা আপনাদের কোনো একটি ছবি সে তার মোবাইলে পাঠিয়ে দিতে বললো। কিন্তু আপনি তা চান না। এমনকি সে এজন্য আপনার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়ার হুমকি দিলেও বুঝতে হবে, উল্টো তার গালে চপেটাঘাতের সময় হয়েছে আপনার। সোজা না করে দিন, প্রয়োজনে তার মোবাইল নম্বরটি মুছে ফেলুন, হালকা বোধ করবেন। ১৪. তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাস?: আপনি যেমন মেয়ে, আপনার জন্যে আরো অনেক ভাল ছেলে অপেক্ষা করতে পারেন। কাজেই প্রেমিকার ভালবাসায় আপনি নিজেকে খুঁজে পান কিনা তা ছেলেটিকে বুঝতে দিন, আপনি নিজেও বোঝার চেষ্টা করুন। তাহলে ছেলেটির বাষ্পীয় ভালবাসা আপনার আত্মবিশ্বাসে চিড় ধরাতে পারবে না। ১৫. তোমাকে ঘিরেই আমার জীবন কাটে না: সকাল ১০টা বাজতেই আপনার মোবাইলে মেসেজ এলো 'কোথায় তুমি?' একটু দেরিতে দেখা হওয়া মাত্রই তার বাজে ব্যবহার। আবার চলে যাওয়ার পর একটা অপমানজনক মেসেজ। তাকে বোঝান আপনারও কাজ থাকতে পারে। তাকে নিয়েই আপনার সারা দিন কাটে না। বরং একটা পরিকল্পনা করুন, দেখা করার ক্ষেত্রে দেরি হলে কিভাবে কী করবেন। ১৬. আমি মুখোমুখি শুনতে চাই: মোবাইলে মেসেজ পাঠিয়ে বা ফেসবুকে চ্যাটিংয়ের মাধ্যমে তর্ক, গালাগালি, আজেবাজে কথা বা হুমকি ইত্যাদি দেয়া সোজাসাপ্টা ব্যাপার। এসব মুহূর্তে তাকে সরাসরি বলে দিন, আপনি তার সাথে মুখোমুখি কথা বলতে চান। সত্যিকার ব্যক্তিত্ববান ছেলেরা আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলবেন। - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/lifestyle/2013/10/27/15614#sthash.i6utp1O8.dpuf
শেয়ারবাজারে হঠাত্ করে ঘুরে দাঁড়ানোয় - Share Market was very good today
দেশের শেয়ারবাজারে সূচকের উল্লম্ফন ঘটেছে। বাজার হঠাত্ করে ঘুরে দাঁড়ানোয় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। কেননা গত বৃহস্পতিবার বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। বাজারের এমন আচরণকে অনেকে অস্বাভাবিক বলেও মনে করছেন। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও বড় কিছু প্রতিষ্ঠান বাজারে সক্রিয় হওয়ায় অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। তাদের মতে, এখন দেখার বিষয় তারা কত দিন সক্রিয় থাকে। তারা যদি পুনরায় নিষ্কিয় হয় তাহলে বাজারের অবনতি হবে।
এদিকে, আজ রোববার সপ্তাহের এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন ১৮ দলীয় জোটের ডাকা ৬০ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিনে প্রধান দুই শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ(ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই) লেনদেন শেষ হয়েছে সূচক বৃদ্ধির চাঙাভাবের মধ্যে। ডিএসইতে সূচক বেড়েছে প্রায় ১১০ পয়েন্ট ও সিএসইতে প্রায় ২৩৫ পয়েন্ট। সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধিতে দিন শেষে উভয় প্রায় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে। সার্বিক লেনদেনে মন্দাভাব অব্যাহত রয়েছে। যদিও গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে আজ লেনদেন কিছুটা বেড়েছে। তবে হরতালের কারণে বাজারে বিনিয়োগকারীর উপস্থিতি অনেকটা কমে গেছে। প্রধান বাজার ডিএসইতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার একই বাজারে লেনদেন হয়েছিল ২৩০ কোটি টাকা।
ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, বেলা আড়াইটায় ডিএসইএক্স সূচক ১০৯ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯০৯ দশমিক ১৪ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল ১১টায় সূচক ৩৭ দশমিক ৬৭ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৩৬ দশমিক ৯৫ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় সূচক ৭৩ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৭২ দশমিক ৬৭ পয়েন্টে এবং বেলা ১টায় সূচক ৮১ দশমিক শুন্য ১ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৮৮০ দশমিক ২৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। বেলা ২টায় সূচক ১০৯ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট বেড়ে ৩ হাজার ৯০৮ দশমিক ৯১ পয়েন্টে গিয়ে পৌছায়।
আজ ডিএসই’তে লেনদেন হয়েছে ২৮৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ডিবেঞ্চার। এদের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪৭টির, কমেছে ৩৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ২৪৯ কোটি ৯০ লাখ ৫ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বেশি। শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ড বিক্রি হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৬ হাজার ৫২০টি।বেলা শেষে ডিএসইর লেনদেনের শীর্ষ দশে রয়েছে-জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশন, এনভয় টেক্সটাইল, আর্গন ডেনিমস, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, গ্রামীণফোন, মালেক স্পিনিং, অ্যাক্টিভফাইন কেমিক্যালস, গোল্ডেন সন, ডেল্টালাইফ ইন্সুরেন্স ও ন্যাশনাল ব্যাংক।
এদিকে, দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে(সিএসই)ও সূচকের ব্যাপক বৃদ্ধির মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে। বেলা আড়াইটায় সিএসসিএক্স সূচক ২৩৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৬৭৭ দশমিক ২০ পয়েন্টে গিয়ে পৌছেছে। এর আগে সকাল ১১টায় সূচক ৭২ দশমিক ৬৯ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫১৫ দশমিক শুন্য ২ পয়েন্টে, দুপুর ১২টায় সূচক ১৪৭ দশমিক ১০ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫৮৯ দশমিক ৪৩ পয়েন্টে এবং বেলা ১টায় সূচক ১৪৫ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৫৮৮ দশমিক ২৯ পয়েন্টে গিয়ে দাঁড়ায়। বেলা ২টায় সূচক ২০৫ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট বেড়ে ৭ হাজার ৬৪৮ দশমিক ৩০ পয়েন্টে গিয়ে পৌছায়।
আজ সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে মোট ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১৭১টির, কমেছে ২৯টির ও অপরিবর্তিত রয়েছে ৬ কোম্পানির শেয়ারের দাম। টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৩১ লাখ ৯১ হাজার ৯৬৩ টাকা,যা আগের দিনের চেয়ে ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা বেশি। হাতবদল হওয়া শেয়ার, ডিবেঞ্চার ও মিচ্যুয়াল ফান্ডের পরিমাণ ৯৪ লাখ ২৭ হাজার ৯২৩টি।দিনের শেষে সিএসই’র লেনদেনের শীর্ষ দশ কোম্পানি হলো-জেনারেশ নেক্সট ফ্যাশন, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, আর.এন স্পিনিং, গ্রামীণফোন, এনভয় টেক্সটাইল, ইস্টার্ন হাউজিং, ইউনাইটেড এয়ার, ওয়ান ব্যাংক ও লিগ্যাসি ফুটওয়ার।
- See more at: http://bonikbarta.com/sharemarket/2013/10/27/20376#sthash.E3Uzgrmk.dpuf
সিএসইর সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ সিদ্ধান্ত- CSE-EGM
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) মালিকানা থেকে ব্যবস্থাপনা পৃথককরণ বা ডিমিউচুয়ালাইজেশনের স্কিম সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে সিএসইর সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সিএসইর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সাজিদ হোসেন প্রথম আলো ডটকমকে জানান, ইজিএমে স্কিম গ্রহণ ছাড়া সংঘ স্মারক ও সংঘবিধির পরিবর্তন এবং প্রথম পরিচালনা পর্ষদের তালিকা বিশেষ সিদ্ধান্ত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। সিএসইর এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিএসইর সভাপতি আল মারুফ খান ইজিএম পরিচালনা করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম কে এম মহিউদ্দিন, এ এস এম শহিদুল্লাহসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
শেয়ার মুল্যবৃদ্ধির গুজব নাকি এটাই সত্যি - SEC has ask to stop facebook spaming for share price
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) কোনো ধরনের আপ্যায়ন বা উপহারসামগ্রী বিতরণ না করতে আবারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিএসইসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিএসইসি জানিয়েছে, এর আগে ২০০০ সালের অক্টোবরে এ বিষয়ে বিএসইসি একটি নির্দেশনা জারি করেছিল। তাতে তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভায় উপহারসামগ্রী বিতরণ ও আপ্যায়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল। তার পরও কিছু কিছু কোম্পানি তাদের বার্ষিক সভায় নানা ধরনের আপ্যায়নের নানা আয়োজন অব্যাহত রেখেছে।
বিএসইসি বলছে, আপ্যায়ন-ব্যবস্থার কারণে প্রায়ই এ নিয়ে এজিএম চলাকালে সভাস্থলে হট্টগোল তৈরি হয়। এতে এজিএমের মূল কার্যক্রম বা আলোচনার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়। তাই তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলো যেন আপ্যায়ন বা উপহারসামগ্রী বিতরণের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি যথাযথভাবে অনুসরণ করে, সে জন্য পুনরায় নির্দেশনা দিয়েছে বিএসইসি।
এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুক এবং মুঠোফোনে খুদে বার্তাসহ (এসএমএস) নানাভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গুজব রটনাকারীদের সতর্ক করেছে বিএসইসি। ২১ অক্টোবর সংস্থাটি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সতর্কবার্তা দিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ফেসবুক, খুদে বার্তা বা অন্য কোনোভাবে শেয়ারবাজার নিয়ে গুজব ছড়ানো বিদ্যমান সিকিউরিটিজ আইনের বিরোধী। যাঁরা আইন ভেঙে এ ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি কোনো গুজবের ওপর ভিত্তি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ না করার জন্যও বিনিয়োগকারীদের পরামর্শ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
বিএসইসি বলছে, গুজবের ভিত্তিতে বিনিয়োগ করা হলে বিনিয়োগকারীদের ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। গুজবের পরিবর্তে কোম্পানির মৌল ভিত্তি দেখে বিনিয়োগের পরামর্শ দিয়েছে বিএসইসি।
বাজার-পরিস্থিতি: গতকাল শেয়ারবাজারে বড় দরপতন ঘটেছে। প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় ২ দশমিক ১৮ শতাংশ বা ৮৫ পয়েন্ট কমেছে। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ২ শতাংশ বা ২৫১ পয়েন্ট কমেছে। সেই সঙ্গে উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনেও কমেছে। ডিএসইতে ২৩০ কোটি টাকার লেনদেন হয়, যা আগের দিনের চেয়ে ৬৬ কোটি টাকা কম। সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৮ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ছয় কোটি টাকা কম।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Blog Archive
- ► 2011 (2088)



