(২০০৫) BB step pushes Dhaka stocks up
Dhaka stocks closed higher Monday amid violent streets protest, as investors went for late hour buying spree.
The investors went for buying spree following the Bangladesh Bank's (BB) official announcement of allowing merchant banks one more year time to adjust their single-borrower exposure limit.
During the trading
hour, the central bank officially announced that the merchant banks
will get one more year time until December 31, 2012 to adjust their
single-borrower exposure limit.
"The central bank's specific time frame has made investors positive during the trading hour and they went for buying spree, which helped the market to close higher," commented a stock broker.
Earlier,
the BB set December 31, 2011 deadline for banks to bring down such
exposure to 15 per cent of their paid-up capital and the merchant
bankers were under tremendous pressure to trim the single-borrower
exposure limit by December 31.
In this context, the merchant
bankers urged the central bank to extend the deadline until 2014, as
liquidity crisis is the main cause for the continued market fall.
"Though the Bangladesh
Bank assured verbally to extend the time frame earlier the investors
were in confusion. But, the investors get some relief from this specific
time frame," said a market insider.
(২০০৪) ঝুকিপুর্ন ১৩ টি সম্পর্কে জানুন
পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ সক্ষমতা দিন দিন বাড়ছে। তারপরও পুঁজিবাজারে সীমাতিরিক্ত বিনিয়োগ ও আগে লগি্নকরা অর্থ আটকে পড়ায় ঝুঁকিমুক্ত নয় দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। দেশের ২৯টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৩টিই পুঁজিবাজারে আইনি সীমার অতিরিক্ত বিনিয়োগ করে রেখেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠকে এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীরা জানান, বাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করে তাঁদের পুঁজিবাজারের বিনিয়োগ আইনি সীমার মধ্যে নামিয়ে আনতে পারছেন না। অপরদিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাত্র তিন মাসের ব্যবধানে খেলাপি ঋণ ১.৪৯ শতাংশ বেড়েছে। পুঁজিবাজারে শেয়ার ক্রয়ের জন্য দেওয়া ঋণ আটকে পড়ায় খেলাপি ঋণ কিছুটা বেড়েছে বলে আর্থিক প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০০৩ সালের ১৬ ধারা অনুযায়ী, কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের ২৫ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করতে পারে না। কিন্তু জুনভিত্তিক আর্থিক বিবরণী থেকে দেখা গেছে ১৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের ২৫ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণ করে আছে।
মার্চ প্রান্তিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল এক হাজার ১৬২ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা জুন প্রান্তিকে ১.৪৯ শতাংশ বেড়ে হয়েছে এক হাজার ১৭৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের একটি সূত্র জানায়, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজার সংশ্লিষ্টতা অনেক বেশি। আমরা দেখতে পেয়েছি কোনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ পুঁজিবাজারে দেওয়া মার্জিন ঋণ সমন্বয় না হওয়া। অর্থাৎ এ খাতে তাদের বিনিয়োগ আটকে গেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফিন্যান্স কম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং প্রাইম ফিন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আসাদ খান বলেন, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায় কিছুটা মন্দাবস্থা বিরাজ করছে। তাদের অনেক বিনিয়োগ আটকে গেছে এবং নতুন করে তারা ব্যাংক থেকে ঋণও পাচ্ছেন না। ফলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্বাহী পরিচালক এইচ এম কায় খসরু বলেন, 'আমরা ধারাবাহিকভাবেই এসব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারা জানিয়েছে বাজারের বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা শেয়ার বিক্রয় করতে পারছে না। আমরাও তাদের বলেছি, পুঁজিবাজার যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেভাবেই ধীরে ধীরে ধারণকৃত শেয়ার ছেড়ে তাদের পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আইনি সীমার মধ্যে নামিয়ে আনা।' বিনিয়োগ কমাতে সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক
একক ঋণগ্রহীতা সীমা কমিয়ে আনার জন্য জন্য ২০১১ সালের ডিসেম্বরের পরিবর্তে ২০১২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাজার বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত দুটি পৃথক সার্কুলার জারি করে তা সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
উভয় সার্কুলারে বলা হয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মার্চেন্ট ব্যাংকিং ও ব্রোকারেজ কার্যক্রমের উদ্দেশ্যে গঠিত বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানের (মার্চেন্ট ব্যাংক) অনুকূলে বিদ্যমান ঋণ আইনি সীমার মধ্যে নামিয়ে আনার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০১১-এর পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বর্ধিত সময়ের মধ্যে বর্তমান ঋণ স্থিতি কোনোক্রমেই বৃদ্ধি করা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ আটকে পড়ায় এ সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। তবে এতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিদ্যমান ঝুঁকি বাড়বে না। কারণ উভয় সার্কুলারেই শর্ত দেওয়া হয়েছে, কোনোক্রমেই বর্তমান ঋণ স্থিতি বাড়তে পারবে না। অর্থাৎ স্থিতি ধরে রাখতে গেলে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রতি তিন মাসে তাদের আগে দেওয়া ঋণের সুদ সমন্বয় করতে গিয়ে কিছু শেয়ার বিক্রয় করতেই হবে, নতুবা ঋণের স্থিতি বেড়ে যাবে।
(২০০৩) কঠোর কঠোর কঠোর
পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কঠোর বাই-ব্যাক (পুনঃ ক্রয়) আইনের খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। শেয়ার বাই-ব্যাকের (পুনঃ ক্রয়) চূড়ান্ত খসড়ায় বিধি লঙ্ঘনের দায়ে সংশ্লিষ্ট কম্পানির দায়ী প্রত্যেক কর্মকর্তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হচ্ছে। এ ছাড়া শেয়ার বাই-ব্যাকের পর ৩৬৫ দিনের মধ্যে ওই কম্পানি দেউলিয়া হলে কম্পানির পরিচালক পর্ষদের সব সদস্য একক ও সম্মিলিতভাবে দায়বদ্ধ থাকবেন। আর কম্পানি বাই-ব্যাক সম্পন্ন করার পরের সাত কর্মদিবসের মধ্যে কেনা সিকিউরিটিজ বাতিল ও ধ্বংস করে ফেলবে। এ ছাড়া শেয়ার ডিম্যাট (ইলেকট্রনিক) আকারে থাকলে তা অবলোপন করতে হবে। খসড়াটি আইনে অনুমোদিত হলে পুঁজিবাজারে স্থিতি ফিরে আসবে বলে মনে করছে কম্পানি আইন সংশোধনী প্রণয়ন কমিটি।
কমিটির এক সদস্য জানান, শেয়ার বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালু করতে এসব বিধান রেখে সংশোধিত করা হচ্ছে কম্পানি আইন, ১৯৯৪। বর্তমানে সংশোধনীর খসড়া চূড়ান্তপর্যায়ে রয়েছে। এখন খসড়াটি মন্ত্রিসভা বৈঠকের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। পরে আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর মন্ত্রিসভা কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদন হয়ে সংসদের আগামী শীতকালীন অধিবেশনে পাস হওয়ার কথা রয়েছে। শেয়ার বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালু হলে কম্পানি আইনের ৫৯ থেকে ৭০ ধারার বিধানগুলো কার্যকর থাকবে না। এ বিষয়ে বাণিজ্যসচিব মো. গোলাম হোসেন গতকাল সোমবার কালের কণ্ঠকে বলেন, 'শেয়ার বাই-ব্যাক পদ্ধতি প্রবর্তন করতে কম্পানি আইন ১৯৯৪-এর ৫৮ ধারা সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই খসড়াটি প্রায় চূড়ান্ত করা হয়েছে।'
কম্পানি আইনের সংশোধনী সম্পর্কে মন্ত্রিসভা বৈঠকের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি করা সার সংক্ষেপে বলা হয়েছে, পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ও বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্যই এ পদ্ধতি প্রবর্তন করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত সংশোধনী সরকার অনুমোদন করলে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে। কম্পানিগুলোর সার্বিক কার্যক্রম দ্রুত নিষ্পত্তি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হবে। চূড়ান্ত খসড়ার ৫৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'কোন কোম্পানী এই ধারার বিধান লঙ্ঘন করিয়া কোন কিছু করিলে, উক্ত কোম্পানী এবং উহার প্রত্যেক কর্মকর্তা, যিনি জ্ঞাতসারে ও ইচ্ছাকৃতভাবে তজ্জন্য দোষী তিনিও অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।'
৫৮(৮) উপধারায় বলা হয়েছে, 'কোন কোম্পানী এই ধারার অধীনে বাই-ব্যাক সম্পন্ন করিবার পরবর্তী ২৪ মাসের মধ্যে উক্ত প্রকার আর কোন শেয়ার ইস্যু করিতে পারিবে না।'
খসড়ায় বলা হয়েছে, কোনো কম্পানি ফ্রি রিজার্ভ (বিধিবদ্ধ রিজার্ভ ছাড়া পুঞ্জীভূত মুনাফা ও সাধারণ রিজার্ভ) ও সিকিউরিটির প্রিমিয়াম হিসাব ব্যবহারের মাধ্যমেও নিজস্ব সাধারণ শেয়ার কিনতে পারবে। তবে ফ্রি- রিজার্ভ ও শেয়ার প্রিমিয়াম হিসাব থেকে ১০ শতাংশের বেশি অর্থ বাই-ব্যাকের জন্য ব্যয় করা যাবে না। শেয়ার বাই-ব্যাকের ক্ষেত্রে বেশ কিছু শর্ত মানতে হবে কম্পানিগুলোকে। এর মধ্যে রয়েছে বাই-ব্যাক কম্পানির সংবিধি দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে। কম্পানির সাধারণ সভায় শেয়ার বাই-ব্যাকের উদ্দেশ্যে বিশেষ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোনো বাই-ব্যাকের প্রস্তাব অনুমোদনের তারিখ থেকে পরের ৩৬৫ দিনের মধ্যে নতুন করে আর কোনো প্রস্তাব গ্রহণ করা যাবে না। আর বাই-ব্যাকের পরিমাণ কম্পানির মোট পরিশোধিত মূলধনের ১৫ শতাধিক বেশি হবে না। এ ছাড়া বাই-ব্যাকের পর কম্পানির দায়ের (অনিরাপদ ও নিরাপদ) পরিমাণ তার মোট মূলধন ও ফ্রি-রিজার্ভের দ্বিগুণের বেশি হবে না। তবে সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশন প্রয়োজনে কোনো খাতের কম্পানির জন্য দায়ের পরিমাণ বাড়াতে পারে।
অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকা খসড়ায় আরো বলা হয়েছে, বাই-ব্যাকের জন্য নির্ধারিত সব সিকিউরিটিজ সম্পূর্ণভাবে পরিশোধিত হতে হবে। কোনো কম্পানি তার নিজস্ব বা অন্য কোনো সাবসিডিয়ারি কম্পানি বা কোনো বিনিয়োগ কম্পানি ছাড়া অন্য কোনো তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বাই-ব্যাক সম্পন্ন করবে। খসড়ার ৫৮(২)-এর (চ) উপধারায় বলা হয়েছে, শেয়ার বাই-ব্যাকের আবেদন সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশনের চূড়ান্ত অনুমোদনের দিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে নির্ধারিত বাই-ব্যাক সম্পন্ন করতে হবে। শেয়ার হোল্ডারদের কাছে থেকে আনুপাতিক হারে বা নিয়মিত বাজার হতে শেয়ার বাই-ব্যাক করা যাবে। এসব শর্ত লঙ্ঘন করা হলে সংশ্লিষ্ট কম্পানি বা কম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার জন্য সিকিউরিটিজ ও এঙ্চেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ মোতাবেক জরিমানা করা যাবে।
খসড়ায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাই-ব্যাক নিষিদ্ধের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে হলো_কোনো কম্পানি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষে তার নিজস্ব সিকিউরিটি কিনতে পারবে না। এ ছাড়া কোনো কম্পানি তার নিজস্ব বা অন্য কোন সাবসিডিয়ারি কম্পানির মাধ্যমে, কোনো বিনিয়োগ কম্পানি বা বিনিয়োগ কম্পানির গোষ্ঠীর মাধ্যমেও কিনতে পারবে না। আর কোনো কম্পানি তার ডিবেঞ্চার বা যাবতীয় ঋণের কিস্তি বা শেয়ারের ওপর লভ্যাংশ দিতে ব্যর্থ হলেও বাই-ব্যাক করতে পারবে না।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে একটা সর্বনিম্ন দামে শেয়ার কেনার নিয়ম (বাই-ব্যাক পলিসি) রয়েছে। তবে বাংলাদেশে তা নেই। ব্রিটিশ আমলে প্রণীত ১৯১৭ সালের কম্পানি আইনটি এখনো বাংলাদেশে বলবত রয়েছে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা এ আইনে বেশ পরিবর্তন আনলেও বাংলাদেশ তা পারেনি। পরে ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২১ মার্চ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে কম্পানি আইনের ৫৮ ধারা সংশোধন করে বাই-ব্যাক পদ্ধতি চালুর অনুরোধ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে। পরে ৩০ মার্চ এ জন্য একটি আন্ত মন্ত্রণালয় সভা করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউনটেন্টস অব বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনটেন্টস অব বাংলাদেশ, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ, রেজিস্ট্রার, জয়েন্ট স্টক কম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের মতামত নেওয়া হয়। মতামত পাওয়ার পর গত ১৪ জুন এক বৈঠকে সংশোধনী প্রস্তাব প্রস্তুতের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি সাব-কমিটি গঠন করা হয়। পরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের সভাপতিকেও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গত ১৮ আগস্ট বাণিজ্যসচিবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ওই কমিটি সংশোধনী প্রস্তাবনা চূড়ান্ত আকারে দাখিল করেছে।
(২০০২) The government has taken decision to set up
The government has taken decision to set up a solar panel-based electricity park to mitigate the reeling power crisis through enhancing generation of renewable energy in the country, a senior official said.
The Ministry of Power, Energy and Mineral Resources today will seek donor agencies support to set up the solar park.
Prime Minister’s Power and Energy Adviser Dr Tawfiq-e-Elahi Chowdhury and State Minister for Power and Energy Muhammed Enamul Huq will attend at the day-long workshop on solar development programme at Sonargaon Hotel in this regard.
As part of a government plan to generate 500MW electricity from solar-based plants by 2014, the proposed donor funded electricity park will generate 130MW of electricity.
Power Division will install the park in private sector or public private partnership, Power Division additional secretary Tapos Kumar Roy told daily sun.
The Power Division has already requested the communications ministry to allot its non usable land for installing the plant, he said.
He added the Power Division has also a plan to use non-grid areas like schools, colleges, public and private offices to install the solar panel.
The government would require $2.5 billion to $3 billion to install 500MW solar panel based electricity park, he said.
“We have sought donors’ financial support in the form of soft loans or grants,” he said.
“The Asian development Bank (ADB) has already assured us of providing financial support to install the solar plant,” the official said.
(২০০১) মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে
আগামী ডিসেম্বরে মেয়াদ ফুরিয়ে যাওয়া ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ফলে এই ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে এসইসি মেয়াদ বৃদ্ধি না করলে বিলুপ্ত হয়ে যাবে ৯টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
ফান্ডগুলোর সম্পদ ব্যবস্থাপক প্রতিষ্ঠান উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফায়েকুজ্জামান গতকাল এক প্রেসব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে ফান্ডগুলো বন্ধ করে দেওয়া হলে বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। তাই বিনিয়োগকারীদের স্বার্থে আইসিবির আটটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের সময় বাড়ানোর জন্য এসইসির পাশাপাশি অর্থমন্ত্রণালয়েও আবেদন করা হয়েছে। সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এসইসিকে এ ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছে। এসইসির চেয়ারম্যানও এ ফান্ডের মেয়াদ বৃদ্ধির মেয়াদ বৃদ্ধির ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেছেন বলে জানান ফায়েকুজ্জামান।
তিনি বলেন, আইসিবির মিউচুয়াল ফান্ডগুলো যখন গঠিত হয়, তখন এসইসি গঠিত হয়নি। এমনকি মিউচ্যুয়াল ফান্ডের কোনো বিধিমালা ছিল না। ২০০৭ সালের মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালা গঠিত হয়। ফলে আগের সময় না ধরে ২০০৭ সাল থেকে ১০ বছর হিসাব করে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সময় বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৭ সালে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিধিমালার আওতায় ক্লোজ অ্যান্ড মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ১০ বছর নির্ধারণ করা হয়। এর আওতায় ২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) এক আদেশের মাধ্যমে মেয়াদি ফান্ডের আয়ুষ্কাল বেঁধে দেয় সর্বোচ্চ ১০ বছর। এতে আরো বলা হয়, তালিকাভুক্ত যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মেয়াদ ১০ বছরের বেশি হয়েছে তাদের ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে গুটিয়ে ফেলতে হবে। এই আইন প্রণয়নের আগে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) আটটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড গঠন করে।
ফান্ডগুলো হচ্ছে_প্রথম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। আইসিবির বাইরে প্রথম বিএসআরএস মিউচ্যুয়াল ফান্ডেরও মেয়াদ শেষ হবে সামনের ডিসেম্বর। এই ৯টি ফান্ডের মোট আকার ২১ কোটি টাকা। আর এর মোট সম্পদ মূল্য ৩৩৮ কোটি টাকা। ফান্ডগুলোর মধ্যে প্রথম আইসিবি মিউচ্যুয়াল ফান্ডটি বাজারে আসে ১৯৮০ সালে। এর মধ্যে সবার শেষে বাজারে এসেছে প্রথম বিএসআরএস মিউচ্যুয়াল ফান্ড। ১৯৯৭ সালে এই ফান্ডটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।
বিধিমালার আওতায় গঠিত মিউচ্যুয়াল ফান্ড গুটিয়ে ফেলার নির্দেশনা চ্যালেঞ্জ করে ইউনিটহোল্ডাররা আদালতে যেতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আইসিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
(২০০০) যাতে কোন প্রকার ক্ষতি না হয়
গ্রেপ্তারকৃত বিনিয়োগকারীদের যাতে কোন প্রকার ক্ষতি না হয় সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখবে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি)। প্রয়োজনে পুলিশের হেফাজত থেকে তাদের ছাড়িয়ে আনতে সুপারিশ করবেন এসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম খায়রুল হোসেন।
সোমবার বিকেল চারটার দিকে বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের সদস্যরা এসইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে এলে চেয়ারম্যান তাদের আশ্বস্ত করেন।
খায়রুল হোসেন আরো বলেন, ‘বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর একক গ্রাহক ঋণসীমা (সিঙ্গেল পার্টি এক্সপোজার লিমিট) সমন্বয়ের মেয়াদকাল ৩১ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ পর্যন্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।’
তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আমরা ফ্যাক্স পেয়েছি। শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যথেষ্ট নমনীয় থাকবে বলেও এসইসিকে আশ্বস্ত করা হয়েছে।’
বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘পুঁজিবাজারে অস্থিরতা রোধে এসইসি সব সময় সক্রিয় রয়েছে। এসইসি পুনর্গঠনের পর আমরা যখন প্রথম যোগদান করি তখন বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম- একটি স্থিতিশীল, স্বচ্ছ, দক্ষ্ ও জবাদদিহিতামূলক পুঁজিবাজার উপহার দিতে চাই। আর সে লক্ষে এসইসি’র সকল সদস্য ও কর্মকর্তারা একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘তাছাড়া পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়াতে প্রয়োজনীয় আইন কানুন বিধি বিধান পরিবর্তনের চেষ্টা করে যাচ্ছি। সকল পক্ষ যারা প্রত্যক্ষ ভাবে পুঁজিবাজারের সঙ্গে জড়িত, তাদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে কি কি পদক্ষেপ নিলে পুঁজিবাজারের উন্নয়ন সম্ভব সে লক্ষেই মূলত কাজ করছে এসইসি।’
(১৯৯৯) Capital at risk of destruction 7 magnitude
Capital at risk of destruction7-magnitude quake can destroy 72000 bld
Some 72,000 buildings in Dhaka will be destroyed completely if an earthquake measuring 7 on the Richter scale originating from Madhupur Fault hits the capital city, according to a CDMP study. Comprehensive Disaster Management Programme presented its study at a meeting of the parliamentary standing committee on the Ministry of Food and Disaster Management on March 22 this year. The CDMP conducted the study from February 2008 to August 2009.
It also told the meeting that it identified 10,000 buildings in Dhaka
that are at the risk of massive destruction.
Similarly, 6,000 buildings in Chittagong and 3,000 structures in
Sylhet are at the risk of collapsing by the earthquake, said the officials working with the project.
Experts say the intensity of Sunday’s 6.8-magnitude earthquake was less as
its origin was over 500 kilometres off Bangladesh. The country could
have seen havoc had the origin been in 100 kilomtres.
The standing committee on June 21 again discussed the government’s
preparations to deal with possible calamities after earthquakes in the country.
The disaster management bureau said it prepared the quake-map for
Dhaka, Chittagong and Sylhet regions pointing out the probable faults of earthquake in Bangladesh.
According to the minutes of the meeting held on March 22, the housing and
public works ministry had been working to insert a provision into the
Building Code for the construction of earthquake-resistant buildings.
daily sun has obtained a copy of the meetings’ proceedings.
The disaster management bureau officials told the meeting that the
government had formed the Earthquake Preparedness and Awareness
Committee headed by the Food and Disaster Management Minister.
“We will form committees at the district and upazila level to take
preparations for possible calamities after earthquakes in the country,” Food and Disaster Management Minister Abdur Razzaq told reporters on Monday at the secretariat.
He said the government has taken measures to create people’s awareness
about earthquake.
(১৯৯৮) ‘গুগল+’ এর বাড়তি চাপে
এবারে টুইটারের সঙ্গে জুটি বাঁধতে যাচ্ছে ফেসবুক। অচিরেই ফেসবুক সদস্যরা তাদের ব্যক্তিগত প্রোফাইল সরাসরি টুইটারে বিনিময় করতে পারবেন। সংবাদমাধ্যম সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
ভবিষ্যতে ডকুমেন্ট ফাইল এবং বিবিধ তথ্য বিনিময়ে টুইটার আর ফেসবুকের মধ্যে প্রতিবন্ধকতা থাকবে না। সামাজিক অর্থে ব্র্যান্ডমূল্য, ব্যাপক পরিচিতি এবং অনলাইন ব্যবসায় টুইটার এবং ফেসবুকের এ যৌথ উদ্যোগ আরও বেশি গ্রাহককে প্রযুক্তিবান্ধব করে তুলবে।
এ উদ্যোগ সম্পর্কে ফেসবুক সূত্র জানিয়েছে, টুইটার টু ফেসবুক এ ফিচার লিঙ্ক অচিরেই ব্যবহারের জন্য অবমুক্ত করা হবে। তবে কবে নাগাদ এ সেবা ব্যবহারযোগ্য হবে-এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনই বলা সম্ভব নয়।
এ মুহূর্তে সরাসরি তথ্য বিনিময়ে ফেসবুকের ‘সাবস্ক্রিপশন’ এবং টুইটারের ‘ফলোয়ার’ ফিচার কাজ করছে। অচিরেই এ সেবা দুটি একসঙ্গে উপভোগ্য হবে। এর ফলে ফেসবুকের পৃষ্ঠা এবং প্রোফাইল সরাসরি টুইটারে উপভোগ করা যাবে।
এ সুবিধা ফেসবুকের ৬০ কোটি ভক্ত কোনো ধরনের জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই উপভোগ করতে পারবেন। কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ফেসবুকের ‘এফ৮ ডেভেলপার’ সম্মেলনে এ সেবার আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হতে পারে।
এ উদ্যোগের পেছনে অবশ্য টুইটারই আগে হাত বাড়িয়েছে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে টুইটার তাদের ‘টুইট’ সরাসরি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রেরণের পথ সুগম করেছে। এর আগে ‘অ্যাড অনস’ লিঙ্গের মাধ্যমে ফেসুবক এবং টুইটার ভক্তরা তাদের তথ্য বিনিময় করতো।
বিশ্লেষকদের ভাষ্যমতে, এ সবকিছুর পেছনেই আছে ‘গুগল+’ এর বাড়তি চাপ। সামাজিক নেটওয়ার্ক ভুবনে গুগল+ দ্রুতই তার অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। এতে প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য গুগল+ কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।
সামাজিক নেটওয়ার্কের ভুবনের এ প্রতিদ্বন্দ্বীতা তাই টানাটান হয়ে উঠছে। আর ভোক্তাদের কপালে জুঁটছে মানোন্নত সব সামাজিক সেবামাধ্যম আর কৌশলতত্ত্ব।
(১৯৯৭) এখন নাকি টাকা থাকলেই শেয়ার কেনা উচিত
বর্তমান পরিস্থিতিতে টাকা থাকলে সকলেরই শেয়ার কেনা উচিত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তহবিল ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্দেশে আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, ‘শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ নিয়ে আসার এখনই উপযুক্ত সময়। কারণ বাজারে শেয়ারের দর যে পর্যায়ে নেমেছে তাতেÑ বিদেশি বিনিয়োগকারী বিশেষ করে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তহবিল ব্যবস্থাপকরা এখন বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন। দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বর্তমানে বেশ ভাল। জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশের কাছাকাছি।’
গত বছর রেমিট্যান্সে কিছুটা নেতিবাচক অবস্থা দেখা গেলেও বর্তমানে এক্ষেত্রেও সন্তোষজনক প্রবৃদ্ধি এসেছে। রপ্তানি-বাণিজ্যে আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সরকার নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে।
এ কারণে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এদেশের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছে। ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আসতে শুরু করেছে। পুঁজিবাজারেও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে হবে।
তিনি বলেন, পুঁজিবাজার বর্তমানে অর্থনীতির মূলধারায় যথেষ্ট অবদান রাখছে। এ অব¯’ায় বিদেশি বিনিয়োগ এলে বাজার ও বিনিয়োগকারীরা যথেষ্ট লাভবান হবে।
মো. ফায়েক্জ্জুামান আরও বলেন, ‘পুঁজিবাজারে বড় দরপতনের পরিপ্রেক্ষিতে গত জানুয়ারিতে আটটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী একসঙ্গে বসে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। এরমধ্যে বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের বিষয়টিও ছিল। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনসহ সব রকম আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে ইতিমধ্যেই ওই ফান্ডের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তা অংেশর দেড় হাজার কোটি টাকার বড় অংশ বিনিয়োগ করা হয়েছে।’
দু’সপ্তাহের মধ্যে বাংলাদেশ ফান্ডের তহবিল সংগ্রহ শুরু হবে জানিয়ে ফায়েকুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের ব্যক্তিদের নিয়ে তহবিল সংগ্রহ উদ্বোধন করা হবে। এতে বিনিয়োগকারীরা এই ফান্ডের প্রতি আকৃষ্ট হবে। প্রবাসীদের বিনিয়োগে আকৃষ্ট করার জন্য বেশ কয়েকটি দেশে অনুষ্ঠান আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই ফান্ডটির প্রতি প্রবাসীরা বেশ আগ্রহ দেখিয়েছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোগে এই ফান্ড গঠিত হওয়ায় তাদের আস্থা অনেক বেড়েছে। বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে প্রবাসীদের বিনিয়োগ আনতে পারলে দেশের পুঁজিবাজার উপকৃত হবে।’
তিনি জানান, বাংলাদেশ ফান্ডের জন্য সরকারের কাছে বেশ কিছু সুবিধা চাওয়া হয়েছে। সরকার চাইলে যে কোন সময় এসব সুবিধা দিতে পারে। এসব সুবিধা দেয়া হলে বাংলাদেশ ফান্ডের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বাড়বে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
Blog Archive
- ► 2011 (2088)