(৭১৩) থামবে না

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: সোম্বারের মত কর্মসূচি স্থগিত করা হলেও , বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে না আশা পর্যন্ত তাদের এ কর্মসূচি চলতে থাকবে বলে জানান বিনিয়োগকারীরা। বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ পুঁজিবাজার ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক মিজানুর রশিদ চৌধুরী, সদস্য সচিব জাহাঙ্গির আলম, সহ সদস্য সচিব একেএম সাহাদাত উল্লাহ ফিরোজ, ঐক্য পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, মো. গোলাপ হোসেন, সাধারণ বিনিয়োগকারী এমএ তারেকসহ আরো অনেকে।

(৭১২) মুনাফার পরিমাণ বাড়লেও পুঁজিবাজারে

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: আগের বছরের তুলনায় মুনাফার পরিমাণ বাড়লেও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানি শেয়ারহোল্ডারদের কাঙ্ৰিত হারে লভ্যাংশ দিচ্ছে না। ফলে শেয়ারবাজারে বড় বিপর্যয়ের পর কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে লোকসান পুষিয়ে নেয়ার প্রত্যাশা করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা পূরণ হচ্ছে না। বরং আগের বছরের চেয়ে লভ্যাংশ কমে যাওয়ায় বাজারে শেয়ারের দরে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। শেয়ারপ্রতি আয়ের (ইপিএস) তুলনায় অনেক কম লভ্যাংশ দেয়ায় কোম্পানির উদ্বৃত্ত তহবিল শক্তিশালী হলেও বড় ধরনের লোকসানে পড়ছেন শেয়ারহোল্ডাররা। অধিকাংশ কোম্পানির ৰেত্রেই এ ধরনের প্রবণতা তৈরি হওয়ায় পুঁজিবাজারের বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন।
গত ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে পুঁজিবাজারে বড় ধরনের বিপর্যয়ের সময় বাজার বিশ্লেষক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা লোকসানে শেয়ার বিক্রি না করে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, গত বছর অধিকাংশ কোম্পানি ভাল মুনাফা অর্জন করায় এবার লভ্যাংশের পরিমাণ বাড়বে। বাজার ধসের কারণে বিনিয়োগকারীরা যে পরিমাণ ক্ষতির শিকার হয়েছেন, তা কোম্পানির লভ্যাংশ থেকে পুষিয়ে নিতে পারবেন। এ কারণে অনেক বিনিয়োগকারী ওই সময় শেয়ার বিক্রি না করে লভ্যাংশের আসায় দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগে উৎসাহিত হয়েছেন। কিন্তু ইপিএসের তুলনায় কম লভ্যাংশ ঘোষণা করায় সেসব বিনিয়োগকারী বিপুল পরিমাণ লোকসানের মুখে পড়েছেন।
বিশ্লেষণে দেখা গেছে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ কোম্পানিই ২০১০ সালে আগের বছরের চেয়ে অধিক মুনাফা অর্জন করেছে। এরমধ্যে কোন কোন কোম্পানির মুনাফা দেড় থেকে দ্বিগুণ পর্যনত্ম বেড়েছে। অর্ধবার্ষিক ও ত্রৈমাসিক হিসাব প্রকাশ হওয়ার পর এসব কোম্পানি বছর শেষে ভাল লভ্যাংশ দেবে বলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের হতাশ করেছে। ইপিএসের এক-তৃতীয়াংশ বা তার চেয়েও কম লভ্যাংশ ঘোষণা করেই দায়িত্ব শেষ করেছে অধিকাংশ কোম্পানি।
পুঁজিবাজার থেকে বিপুল পরিমাণ আয় করায় গত বছর ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সামগ্রিক মুনাফার পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি নির্দেশনার কারণে বড় আকারের এই মুনাফার সুফল পাচ্ছেন না বিনিয়োগকারীরা। পুঁজিবাজারে বিপর্যয়ের পরপরই একটি নির্দেশনা জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে শেয়ারবাজার থেকে অর্জিত মুনাফা লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন না করার নির্দেশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অন্যদিকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এই অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের নির্দেশ দেয়া হলেও তা কার্যকর করার উদ্যোগ নেয়নি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতে একদিকে ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডাররা ন্যায্য লভ্যাংশ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন, অন্যদিকে বাজারে শেয়ারের দর কমে যাওয়ায় বেড়েছে লোকসানের হার।
অন্যদিকে মূল ব্যবসা থেকে অর্জিত মুনাফার ক্ষুদ্র অংশ লভ্যাংশ হিসেবে বণ্টন করেছে অধিকাংশ ব্যাংক। কয়েকটি ব্যাংকের ইপিএস ও ঘোষিত লভ্যাংশ বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এরমধ্যে এবি ব্যাংক লিমিটেড ২০১০ সালে শেয়ারপ্রতি আয় করেছে ১২৪ টাকা ৪২ পয়সা (১২৪.৪২%)। কিন্তু ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মাত্র ২৫ শতাংশ হারে (১০ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ স্টক) লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। একইভাবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক শেয়ার প্রতি ১০০ টাকার বেশি আয় করলেও শেয়ারহোল্ডারদের দিয়েছে ৩০ টাকা। শেয়ারহোল্ডারদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করে সামাজিক কল্যাণে ব্যাংকটির ১০২ কোটি টাকা ব্যয় নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া বস্ত্র, খাদ্য, ওষুধসহ বিভিন্ন খাতের বেশকিছু কোম্পানি শেয়ারপ্রতি আয়ের এক তৃতীয়াংশেরও কম লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ প্রদানের সুনির্দিষ্ট কোন নীতিমালা না থাকায় পরিচালকরা তাঁদের ইচ্ছে মতো লভ্যাংশ নির্ধারণ করেন। এমনকি বোনাস লভ্যাংশ প্রদানের মাধ্যমে পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি বা অর্জিত মুনাফার একাংশকে উদ্বৃত্ত তহবিলে (রিজার্ভ ফান্ড) স্থানান্তরের ক্ষেত্রে যৌক্তিক কারণও প্রকাশ করতে হয় না। লভ্যাংশ প্রদানের জন্য কোন নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন না হওয়ায় যখন যেমন খুশি লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়।
অভিযোগ রয়েছে, শেয়ারবাজারে দর বাড়ানো বা কমানোর লৰ্য সামনে রেখে অনেক কোম্পানির পরিচালকরা তাদের সুবিধা মতো লভ্যাংশ নির্ধারণ করেন। কোন কোন বছর অস্বাভাবিক কম লভ্যাংশ ঘোষণা করে দর কমিয়ে তারা বাজার থেকে শেয়ার কিনে নেন। আবার পরের বছর আকর্ষণীয় লভ্যাংশ ঘোষণা করে উদ্যোক্তারা শেয়ার বিক্রি করে দেন। এ ধরনের প্রবণতার কারণেই গত কয়েক বছরে বেশকিছু কোম্পানির লভ্যাংশের হারে ব্যাপক ওঠা-নামা লৰ্য করা গেছে। লভ্যাংশ ঘোষণার পর উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ের রেকর্ড পর্যালোচনা করলেই কারসাজির এই প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

(৭১১) স্বাভাবিক মাত্রায় বাংলাদেশ ফান্ড

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: বাংলাদেশ ফান্ডের মূল উদ্যোক্তা ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফায়েকুজ্জামান জানান, শেয়ারবাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে সোমবার বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে স্বাভাবিক মাত্রায় বিনিয়োগ করা হয়েছে। এতে পতনমুখী বাজার স্বাভাবিক ধারায় ফিরে এসেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ফান্ড গঠনের পর এর কিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ফান্ডের বিনিয়োগ নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এসব দিকে কান না দিয়ে বিনিয়োগকারীদের ধৈর্যের সঙ্গে বিনিয়োগ করতে হবে। বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাদের আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।
বিশ্লেষজ্ঞদের মতে, শেয়ারবাজারে এখনও আস্থা-সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে বড় বিপর্যয়ের পর সরকারের দিক থেকে বেশকিছু ইতিবাচক পদৰেপের ঘোষণা দেয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কিছুটা আস্থা ফিরে এসেছিল। কিন্তু পুঁজিবাজার থেকে ব্যাংকের অর্জিত মুনাফা পুনর্বিনিয়োগসহ অধিকাংশ সিদ্ধানত্ম বাসত্মবায়িত না হওয়ায় বাজারে তারল্য সঙ্কট অব্যাহত রয়েছে। মূলত এ কারণেই গত কিছুদিন ধরে বাজার অস্থির আচরণ করছে। অবশ্য সোমবার শেষ দিকে এসে বাজার অনেকটাই ভারসাম্যপূর্ণ ছিল। তবে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য ইতোমধ্যে সরকারের দিকে থেকে যেসব ইতিবাচক পদৰেপের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল, সেগুলো বাসত্মবায়ন করতে হবে। এর পাশাপাশি বাংলাদেশ ফান্ডের মাধ্যমে যথাযথ সমর্থন দেয়া হলে এ যাত্রায় পুঁজিবাজার বড় বিপর্যয় থেকে রক্ষা পাবে বলে তাঁরা মনে করেন।

(৭১০) এনসিসি ব্যাংক এবং ট্রান্সমিট ইউএসএ

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: আমেরিকায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত অর্থ দ্রুত ও সহজে প্রাপকের হাতে পেঁৗছে দিতে এনসিসি ব্যাংক সম্প্রতি আমেরিকার 'ট্রান্সমিট ইন্টারন্যাশনাল, ইন্্ক, ইউএসএ' কম্পানির সঙ্গে একটি চুক্তি করেছে।
এতে আমেরিকায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা ট্রান্সমিট ইন্টারন্যাশনালের মাধ্যমে এনসিসি ব্যাংক এবং টিএমএসএসের যেকোনো শাখায় আত্মীয়স্বজনের কাছে অর্থ পাঠাতে পারবেন।
রাজধানীর এনসিসি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম হাফিজ আহমেদ এবং ট্রান্সমিট ইন্টারন্যাশনালের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও মোহাম্মদ এম ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এনসিসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ নূরুল আমিন, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম সিদ্দিক এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট এ বি এম জসিমউদ্দিন আহমেদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

(৭০৯) চট্টগ্রামের বিনিয়োগকারীরা যা চাইলেন

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এঙ্চেঞ্জ কমিশন (এসইসি) পুনর্গঠন না হওয়া পর্যন্ত ঢাকা ও চট্টগ্রামের দুই পুঁজিবাজারে লেনদেন বন্ধ রাখাসহ আট দফা দাবি জানিয়েছেন চট্টগ্রামের বিনিয়োগকারীরা। বিনিয়োগকারীদের পক্ষ থেকে চিটাগাং ইনভেস্টরস ফোরাম চট্টগ্রাম স্টক এঙ্চেঞ্জের (সিএসই) মাধ্যমে এসইসি বরাবর এই এ স্মারকলিপি দেয়।


আট দফা দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগও দাবি করেন বিনিয়োগকারীরা। এ ছাড়া রাজস্ব বোর্ড ও দুর্নীতি দমন কমিশনের পুঁজিবাজারে হস্তক্ষেপ বন্ধ করার দাবি জানান তাঁরা।
স্মারকলিপিতে মার্চেন্ট ব্যাংকসহ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের লেনদেন আরো সক্রিয় করা এবং সর্বশেষ ব্যাংক সুদের হার যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণেরও দাবি জানানো হয়েছে।
স্মারকলিপিতে অব্যাহত দরপতনের কারণে অনেক ব্রোকারেজ হাউসে ফোর্স সেল দিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আরো ভীতি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। বাংলাদেশ ফান্ডের কর্মকাণ্ড নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে চিটাগাং ইনভেস্টরস ফোরামের আহ্বায়ক আছলাম মোরশেদ গতকাল কালের কণ্ঠকে বলেন, 'এই ফান্ডের কোনো কর্মকাণ্ড চোখে পড়ছে না। এরা ব্যবসা নাকি বাজারকে স্বাভাবিক করতে বিনিয়োগ করছে_সেটা বোঝা যাচ্ছে না।'
তিনি বলেন, 'এই মুহূর্তে পুঁজিবাজারের কোনো অভিভাবক নেই। প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী দেশের বাইরে, এসইসি চেয়ারম্যান তো বিদায়ের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। তাই তাঁর কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়ার মতো ক্ষমতা নেই।'

(৭০৮) দেশের অর্থনীতি

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
 :::: পণ্য রপ্তানি আয়ে চলতি ২০১০-১১ অর্থবছর উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানি আয়ে ৪০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, চলতি বছরের জুলাই-এপ্রিল সময়কালে পণ্য রপ্তানি বাবদ আয় হয়েছে এক হাজার ৮২৪ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
আর গত ২০০৯-১০ অর্থবছরের একই সময় রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় এক হাজার ২৯৫ কোটি ডলার। ফলে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
আবার চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানির কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৪৮৭ কোটি ২২ লাখ ডলার। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রকৃত রপ্তানি সাড়ে ২২ শতাংশ বেড়েছে।
শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের জন্য মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছিল এক হাজার ৮৫০ কোটি ডলার। দেখা যাচ্ছে, ১০ মাসের মোট রপ্তানিই বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে।
মাসওয়ারি হিসেবে গত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার, যা কিনা গত বছরের এপ্রিল মাসের তুলনায় সাড়ে ৪৫ শতাংশ বেশি।
বিশ্বমন্দা কেটে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু পণ্যের এককপ্রতি দাম বৃদ্ধি। এ ছাড়া মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান দুর্বল হওয়ায় অবদান রেখেছে।
অবশ্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার উচ্চ হওয়ার পরও পণ্য আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়ে চলায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
খাতওয়ারি চিত্র: ইপিবির পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে তৈরি পোশাক ও নিট পোশাক রপ্তানির আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে সাড়ে ৩৮ ও ৪৫ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে।
তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার আর নিট পোশাকের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ কোটি ১৮ লাখ ডলার।
এদিকে গতকালই বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক জিএসপি স্কিমের আওতায় নতুন উৎস বিধি (রুলস অব অরিজিন) গ্রহণ করায় বাংলাদেশ থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছে।
ইপিবির পরিসংখ্যান উদ্বৃত্ত করে বিজিএমইএ বলছে, ২০১১ সালের জানুয়ারি-এপ্রিল সময়কালে জিএসপি সনদ ইস্যু আরের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। একইভাবে পরিমাণ বেড়েছে ২৬ শতাংশ এবং মূল্য (ভ্যালু) বেড়েছে ১১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন উৎস বিধিতে ‘দ্বি-স্তরের বদলে এক-স্তর (অর্থাৎ ফেব্রিক্স থেকে পোশাক) করায় আমদানি করা ফেব্রিক্স দিয়ে প্রস্তুত করা তৈরি পোশাক জিএসপিসুবিধা পাবে। এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে এই বিধি কার্যকর হয়েছে।
ইপিবির পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, রপ্তানিমুখী পণ্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পণ্য হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। অর্থবছরের ১০ মাসে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার ৪২ দশমিক ২০ শতাংশ আর মোট পরিমাণ ৯২ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানি থেকে প্রায় ২৯ কোটি ডলার, পাট সুতা থেকে ৪২ কোটি ২৫ লাখ ডলার এবং পাট থলে ও ছালা থেকে ১৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।
আলোচ্য সময়কালে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৫১ কোটি ১২ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৫৩ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে চামড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার আর প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৩৬ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পাদুকা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ২৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা কিনা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৯ শতাংশ বেশি।

(৭০৮) দেশের অর্থনীতি

Tuesday, May 10, 2011 Unknown
শেয়ারবাজার :::: পণ্য রপ্তানি আয়ে চলতি ২০১০-১১ অর্থবছর উচ্চহারে প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানি আয়ে ৪০ শতাংশের বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। এতে দেখা যায়, চলতি বছরের জুলাই-এপ্রিল সময়কালে পণ্য রপ্তানি বাবদ আয় হয়েছে এক হাজার ৮২৪ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
আর গত ২০০৯-১০ অর্থবছরের একই সময় রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় এক হাজার ২৯৫ কোটি ডলার। ফলে প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪০ দশমিক ৮৮ শতাংশ।
আবার চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পণ্য রপ্তানির কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রা ছিল এক হাজার ৪৮৭ কোটি ২২ লাখ ডলার। সে হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে প্রকৃত রপ্তানি সাড়ে ২২ শতাংশ বেড়েছে।
শুধু তাই নয়, চলতি অর্থবছরের জন্য মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছিল এক হাজার ৮৫০ কোটি ডলার। দেখা যাচ্ছে, ১০ মাসের মোট রপ্তানিই বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে।
মাসওয়ারি হিসেবে গত এপ্রিল মাসে পণ্য রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ৬১ লাখ ডলার, যা কিনা গত বছরের এপ্রিল মাসের তুলনায় সাড়ে ৪৫ শতাংশ বেশি।
বিশ্বমন্দা কেটে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কিছু পণ্যের এককপ্রতি দাম বৃদ্ধি। এ ছাড়া মার্কিন ডলারের বিপরীতে টাকার মান দুর্বল হওয়ায় অবদান রেখেছে।
অবশ্য রপ্তানি প্রবৃদ্ধির হার উচ্চ হওয়ার পরও পণ্য আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়ে চলায় বাণিজ্য ঘাটতিও বেড়ে যাচ্ছে। এতে করে লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।
খাতওয়ারি চিত্র: ইপিবির পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে তৈরি পোশাক ও নিট পোশাক রপ্তানির আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যথাক্রমে সাড়ে ৩৮ ও ৪৫ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়েছে।
তৈরি পোশাক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার আর নিট পোশাকের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৪৭ কোটি ১৮ লাখ ডলার।
এদিকে গতকালই বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্প মালিক সমিতি (বিজিএমইএ) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি ইউরোপীয় ইউনিয়ন কর্তৃক জিএসপি স্কিমের আওতায় নতুন উৎস বিধি (রুলস অব অরিজিন) গ্রহণ করায় বাংলাদেশ থেকে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন উদ্দীপনার সঞ্চার হয়েছে।
ইপিবির পরিসংখ্যান উদ্বৃত্ত করে বিজিএমইএ বলছে, ২০১১ সালের জানুয়ারি-এপ্রিল সময়কালে জিএসপি সনদ ইস্যু আরের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। একইভাবে পরিমাণ বেড়েছে ২৬ শতাংশ এবং মূল্য (ভ্যালু) বেড়েছে ১১৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
উল্লেখ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন উৎস বিধিতে ‘দ্বি-স্তরের বদলে এক-স্তর (অর্থাৎ ফেব্রিক্স থেকে পোশাক) করায় আমদানি করা ফেব্রিক্স দিয়ে প্রস্তুত করা তৈরি পোশাক জিএসপিসুবিধা পাবে। এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে এই বিধি কার্যকর হয়েছে।
ইপিবির পরিসংখ্যান থেকে আরও দেখা যায়, রপ্তানিমুখী পণ্যের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পণ্য হোম টেক্সটাইলের রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯৭ দশমিক ৮২ শতাংশ। অর্থবছরের ১০ মাসে হোম টেক্সটাইল রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার।
পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির হার ৪২ দশমিক ২০ শতাংশ আর মোট পরিমাণ ৯২ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানি থেকে প্রায় ২৯ কোটি ডলার, পাট সুতা থেকে ৪২ কোটি ২৫ লাখ ডলার এবং পাট থলে ও ছালা থেকে ১৭ কোটি ১৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে।
আলোচ্য সময়কালে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৫১ কোটি ১২ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৫৩ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে চামড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ২৩ কোটি ৮৭ লাখ ডলার আর প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৩৬ শতাংশ।
চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে পাদুকা রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ২৪ কোটি ২৬ লাখ ডলার, যা কিনা আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৯ শতাংশ বেশি।

Blog Archive